Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Visva Bharati

‘রবীন্দ্রনাথ অশিক্ষিত’, বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের ঝড়

কেন একথা বললেন উপাচার্য?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৩, ০৯:০৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: আগস্ট ২৪, ২০২৩, ০৯:০৩

options
link
‘রবীন্দ্রনাথ অশিক্ষিত’, বিশ্বভারতীর উপাচার্যের মন্তব্য ঘিরে বিতর্কের ঝড় zoom

দেব গোস্বামী, বোলপুর: ফের বিতর্কে বিশ্বভারতীর উপাচার্য। এবার রবীন্দ্রনাথকে ‘অশিক্ষিত’ বলে দাবি করলেন তিনি। বিশ্বভারতী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বিদ্যুৎ চক্রবর্তীর কথায়, “রবীন্দ্রনাথ নিজেই অশিক্ষিত। প্রথাগত শিক্ষা তিনি নেননি। বিকল্প শিক্ষা ব্যবস্থাকেই তিনি প্রাধান্য দিতেন।” বুধবারের বিশেষ উপাসনায় শান্তিনিকেতনের ঐতিহ্যবাহী উপাসনা মন্দিরে ভাষণ দিতে গিয়েই বিতর্ক ছড়ায়। ইতিমধ্যেই বিশ্বভারতীর নিজস্ব সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রকাশ পেয়েছে সেই ভিডিও। স্বাভাবিকভাবে এই মন্তব্যের জেরেই সর্বস্তরে সমালোচনা শুরু হয়েছে।

শান্তিনিকেতনের মন্দিরে উপাসনার প্রাসঙ্গিকতা উপস্থিত শ্রোতাদের বিশদে বোঝাচ্ছিলেন উপাচার্য। তিনি বলেন,”রবীন্দ্রনাথের নাম নিয়ে শান্তিনিকেতন এখন স্বার্থসিদ্ধির সোপান হয়ে উঠেছে। যাঁরা অন্যায় কাজ করেন তাঁরাও বলে ওঠেন রাবীন্দ্রিক। রবীন্দ্রনাথ নিজেই অশিক্ষিত। প্রথাগত শিক্ষা তিনি নেননি, বিকল্প শিক্ষা ব্যবস্থাকেই তিনি প্রাধান্য দিতেন। নিয়ম নিশ্চয়ই আছে, অন্য ব্যতিক্রমও আছে। শিক্ষা দু’রকমের এক ধরনের শিক্ষা কেজি থেকে পিজি, পড়াশোনা করলাম ডিগ্রি লাভ করলাম, চাকরি করলাম। আর অন্যটি বিকল্প শিক্ষা।” কী এই বিকল্প শিক্ষা? উপাচার্য বলছেন, “তাঁর সামাজিক ভাবনাচিন্তা আজও প্রাসঙ্গিক। যে শিক্ষা মানুষকে মানুষ তৈরি করে সেই শিক্ষায় তিনি বিশ্বাসী ছিলেন। বর্তমানে বিশ্বভারতীতে বিকল্প ভাবনা চিন্তার আধার তৈরি হয়েছে।”

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘নিশ্চয়ই সাহায্য করব’, মিজোরামে নিহত বাংলার শ্রমিকদের পরিবারের পাশে মুখ্যমন্ত্রী]

এর আগেও শান্তিনিকেতনের আশ্রমিক, প্রাক্তনী ও রাবীন্দ্রিকদের ভোগবাদী বলেছিলেন বিদ্যুৎ চক্রবর্তী। এরপর শুরু হয় বিতর্ক। তাঁর কথায়, এছাড়াও শান্তিনিকেতনের জমি দখল করে রাখলেই রাবীন্দ্রিক। অন্যায় করলেই রাবীন্দ্রিক। বিশ্বভারতীকে অপমান করতে পারলে সে ব্যক্তিও রাবীন্দ্রিক। বারংবার কটাক্ষ মন্তব্যের সুর শোনা যায় উপাচার্যের গলায়। জমি বিতর্কে নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেনের সঙ্গে বিবাদ গড়িয়েছে আদালত পর্যন্ত। নোবেলজয়ীকে নিয়েও কটাক্ষ শোনা গিয়েছে তাঁরই মুখে। শুধু তাই নয়, অমর্ত্যের পাশে দাঁড়ানোয় রাজ্য সরকার এবং মুখ্যমন্ত্রীকেও আক্রমণ করতে ছাড়েননি বিদ্যুৎ।

গত পাঁচ বছর ধরে বিশ্বভারতীর দায়িত্ব হাতে পাওয়ার পর থেকেই লাগাতার বিতর্কে নাম জড়িয়েছে উপাচার্যের। একাধিক মামলাও হয়েছে। অভিযোগ ও জমা পড়েছে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রক ও রাজ্যপালের কাছে। চলতি বছরের নভেম্বর মাসেই মেয়াদ শেষ হচ্ছে বলেও জানা যায়। বক্তব্যের মধ্যে সেই আক্ষেপও শোনা গিয়েছে। পাঁচ বছরে কী পেলাম আর কী দিলাম, হিসাব মেলাবে ইতিহাস। স্বয়ং রবীন্দ্রনাথের শিক্ষা নিয়ে এমন আপত্তিকর মন্তব্য করার জেরে সর্বস্তরে উঠেছে নিন্দার ঝড়। উপাসনা গৃহকে ব্যবহার করে উপাচার্যের বিতর্কিত মন্তব্য ও কুকথা বন্ধ হোক বলছেন পড়ুয়া থেকে প্রবীণ আশ্রমিক ও প্রাক্তনীরা।

[আরও পড়ুন: বৃষ্টিতে বাতিল আয়ারল্যান্ড সিরিজের তৃতীয় ম্যাচ, হোয়াইট ওয়াশ অধরা রইল ভারতের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.