সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্য পুলিশের ডিজি, এডিজি আইনশৃঙ্খলার পর এবার সরানো হল রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা (West Bengal State Security Advisor) সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে। নির্বাচন কমিশনের নির্দেশের পরই নবান্ন থেকে বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানান রাজ্যের মুখ্যসচিব আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্দেশ অনুযায়ী, পদে থাকলেও নিষ্ক্রিয় থাকবেন তিনি। অর্থাৎ আগামিদিনে ভোটের আর কোনও কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারবেন না সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ।
বঙ্গে আসন্ন বিধানসভা নির্বাচন (WB elections 2021)। বেজে গিয়েছে ভোটের দামামা। আগামী ২৭ মার্চ প্রথম দফার নির্বাচন। আর তার আগেই এবার সরানো হল রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টা সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে। এর আগে ২০১৮ সালে ডিজির পদ থেকে অবসর নিয়েছিলেন তিনি। তারপরই ১ জুন থেকে সুরজিৎ কর পুরকায়স্থকে রাজ্যের নিরাপত্তা উপদেষ্টার পদে আনা হয়েছিল। এতদিন তিনিই সেই পদে ছিলেন। কিন্তু একুশের ভোটের মুখে বিরোধীরা বারংবার সুরজিৎ কর পুরকায়স্থ কেন ওই পদে থাকবেন? সেই নিয়ে প্রশ্ন তুলতে থাকেন। এরপরই নড়েচড়ে বসে নির্বাচন কমিশন। এরপরই তাঁকে সরাতে বলা হয়। আর তারপরই নবান্ন থেকে এই নির্দেশিকা জারি করা হল।
[আরও পড়ুন: ভোটারদের মন পেতে দলীয় বিধায়ক ও সাংসদকেই ‘চোর’ বললেন তৃণমূল প্রার্থী! ভাইরাল ভিডিও]
এই প্রথম নয়, এর আগে এডিজি আইনশৃঙ্খলা এবং রাজ্য পুলিশের ডিজিকে অপসারিত করেছিল নির্বাচন কমিশন। ডিজি বীরেন্দ্রর জায়গায় দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় আইপিএস অফিসার পি নীরজনয়নকে। চলতি মাসের শুরুতেই ডিজি বদলের নির্দেশ দিয়েছিল নির্বাচন কমিশন। আসলে ভোট ঘোষণা হওয়ার পরই রীতিমতো তৎপর কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। বারংবার তাঁরা জানিয়েছে, বঙ্গে ১০০ শতাংশ সুষ্ঠুভাবে নির্বাচন আয়োজন করা হবে। আর তার জন্য সবরকম পন্থা অবলম্বন করবে কমিশন।
[আরও পড়ুন: ভোটারদের অযোধ্যা নিয়ে যাওয়ার প্রতিশ্রুতির জের, কমিশনের কোপে জিতেন্দ্র তিওয়ারি]
সর্বশেষ খবর
-
চলন্ত ট্রেন থেকে রেললাইনে পড়েছে ফোন? হঠকারিতা নয়, রয়েছে ফেরত পাওয়ার উপায়ও
-
বসিরহাট পুরসভায় প্রশাসক বসানোর সিদ্ধান্তকে চ্যালেঞ্জ, পুরবোর্ড গঠনের আর্জিতে হাই কোর্টে মামলা
-
ব্রাজিলের দলে থেকেও নেই নেইমার! চলবে বিশেষ ফিজিওথেরাপি, আদৌ খেলবেন বিশ্বকাপে?
-
ঋতব্রতর ‘বিরোধী’ দলনেতা নির্বাচনকে চ্যালেঞ্জ করবে কালীঘাট? কল্যাণ বলছেন, ‘আদালতে প্রমাণ হবে’
-
নিজের রাজ্যের লিগেই অবিক্রীত রাহুল, আইপিএলে দারুণ ফর্ম সত্ত্বেও কেন এই অবস্থা?