Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬

মিছিলে হামলা, প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত নেতারা

পুলিশের ভূমিকায় ক্ষিপ্ত বাম নেতারা৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৮, ১৮:২১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১০, ২০১৮, ১৮:২১

options
link
মিছিলে হামলা, প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে আক্রান্ত নেতারা zoom

রাজা দাস, বালুরঘাট: ভোটের প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে বামকর্মী সমর্থকের উপর হামলার অভিযোগ দুষ্কৃতীদের বিরুদ্ধে৷ তবে, অভিযোগ নিতে অস্বীকার করায় পুলিশের উপর চূড়ান্ত ক্ষিপ্ত বাম নেতৃত্ব৷

[  বহিরাগত ঠেকাতে হাতে অস্ত্র তুলে নিক মহিলারা, দিলীপের পথে হেঁটে বেলাগাম বাবুল ]

Advertisement

জানা গিয়েছে, ভোটের প্রচার সেরে বাড়ি ফেরার পথে শহিদুল মণ্ডল ও অহেদুল মণ্ডল নামের দুই বামকর্মীর উপর হামলা চালায় একদল দুষ্কৃতী৷ দুষ্কৃতীদের মারে বেশ জখম হন তাঁরা৷ পরে কুমারগঞ্জ থানার জাখিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাইখন এলাকায় বাসিন্দারা আহত দু’জনকে প্রথম স্থানীয় কুমারগঞ্জ গ্রামীণ হাসপাতাল ও পরে বালুরঘাট হাসপাতালে ভরতি করান৷ বামফ্রন্টের তরফে এদিন পুলিশে অভিযোগ লেখাতে গিয়ে ফিরতে হয় বাম নেতৃত্বকে৷ থানায় হামলার নালিশ দায়ের করতে না পারায় পুলিশের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত ক্ষোভ প্রকাশ করেন বামনেতৃত্ব৷

জানা গিয়েছে, কুমারগঞ্জ থানার জাখিরপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের রাইখন হাটে বামফ্রন্টের মিছিল বের হয়। ওই মিছিল অংশ নিতে যান বাম প্রার্থীদের প্রচারে যান মামা-ভাগনে। সেখান থেকে অনেক রাতে বাড়ি ফিরছিলেন মামা শহিদুল ও ভাগনে অহেদুল মণ্ডল। পথে মুঞ্জরিচক এলাকায় দুষ্কৃতীরা তাঁদের উপর চড়াও হয় বলে অভিযোগ। লোহার রড, ছুরি দিয়ে হামলা চালানো হয়। আঘাত করা হয় মাথা-সহ শরীরের অন্যান্য জায়গায়। রডের আঘাতে ফেটে যায় দু’জনের মাথা৷

অভিযোগ, এই হামলার ঘটনায় জড়িত রয়েছে ওই এলাকার তৃণমূল প্রার্থীর স্বামী ও ছেলে।  রাতে আক্রান্তরা অভিযোগ জানাতে গেলেও পুলিশ তা নেয়নি বলেও অভিযোগ। বামফ্রন্ট সূত্রে খবর, উলটে হামলাকারীরায় পুলিশে অভিযোগ করেছে। অভিযোগ না নেওয়ার কথা অস্বীকার করেছে কুমারগঞ্জ থানার পুলিশ৷

 জোট-ঘোঁট আর কোর্ট ছাড়া বিরোধীদের কিছু ছিল না, পঞ্চায়েত রায়ে কটাক্ষ পার্থর ]

জেলা পরিষদের বিরোধী নেতা তথা সিপিএম নেতা মোফাজ্জল হোসেন জানান,  রাইখন হাটে তাঁদের নির্বাচনী প্রচারের মিছিল ছিল। সেখান থেকে ফেরার পথে তাঁদের দুই কর্মীর উপর হামলা চালানো হয়। হামলা চালায় তৃণমূল। যার নেতৃত্ব দেয় স্থানীয় তৃণমূল। নেতা হাফেজউদ্দিন মণ্ডল। আহত অবস্থায় পুলিশে গেলেও তাঁদের অভিযোগ নেওয়া হয়নি। ঘটনাস্থল থেকে কিছুটা দূরে ছিলেন তৃণমূল  বিধায়ক তোরাফ হোসেন মণ্ডল৷

অন্যদিকে, পুরো ঘটনার কথা অস্বীকার করেছেন কুমারগঞ্জের তৃণমূল বিধায়ক তরাফে হোসেন মণ্ডল। এই ঘটনায় তৃণমূলের কেউ যুক্ত নয় বলে জানিয়েছেন তিনি৷

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.