Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
West Bengal Assembly Election

বিজেপি করার ‘অপরাধে’ বধূকে পিটিয়ে খুন করল স্বামী!চাঞ্চল্য মিনাখাঁয়

বিজেপি করার 'অপরাধে' বধূকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ মৃতার শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। মৃতার বাপেরবাড়ির তরফে এমনই মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। যদিও মৃতার শ্বশুরবাড়ির লোকজন দাবি করেছে ওই বধূ 'আত্মহত্যা' করেছেন! চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর হাড়োয়ায়।

Advertisement
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১০:১৫

link
স্টাফ রিপোর্টার
স্টাফ রিপোর্টার

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৬, ১০:১৫

options
link
বিজেপি করার ‘অপরাধে’ বধূকে পিটিয়ে খুন করল স্বামী!চাঞ্চল্য মিনাখাঁয় zoom
প্রতীকী ছবি।

বিজেপি করার ‘অপরাধে’ বধূকে পিটিয়ে খুন করে ঝুলিয়ে দেওয়ার অভিযোগ মৃতার শ্বশুরবাড়ির বিরুদ্ধে। মৃতার বাপেরবাড়ির তরফে এমনই মারাত্মক অভিযোগ উঠেছে। যদিও মৃতার শ্বশুরবাড়ির লোকজন দাবি করেছে ওই বধূ ‘আত্মহত্যা’ করেছেন! চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার মিনাখাঁর হাড়োয়ায়। সামনেই বিধানসভা নির্বাচন। ফলে ঘটনা নিয়ে এলাকায় প্রবল শোরগোল ছড়িয়েছে। স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্বের দাবি, ভোটের আগে বাজার গরম করার জন্য এমন কথা প্রচার করছে বিজেপি।

মৃতার নাম অদিপ্তা দাস। হাড়োয়া থানা এলাকাতেই তাঁর বাপেরবাড়ি। ২০২১ সালে অদিপ্তার সঙ্গে রাহুল দাসের বিয়ে হয়েছিল। মৃতার বাপেরবাড়ির অভিযোগ, সেসময় সুব্রত মেয়েকে জোর করে তুলে গিয়ে বিয়ে করেছিল। অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই অদিপ্তার উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হত। মারধর করা হত বলে অভিযোগ। শনিবার রাতে শ্বশুরবাড়িতেই উদ্ধার হয় ওই বধূর ঝুলন্ত মৃতদেহ!

Advertisement

মৃতার বাপেরবাড়ির অভিযোগ, মেয়েকে মারধর করে পিটিয়ে খুন করে গলায় দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দিয়েছে স্বামী রাহুল দাস ও তাঁর বাবা তথা তৃণমূল নেতা সুব্রত দাস। শুধু তাই নয়, মৃতার মুখে রক্তের দাগ ছিল! খবর যায় হাড়োয়া থানায়। পুলিশ মৃতদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য বসিরহাট জেলা হাসপাতালে পাঠিয়েছে। মৃতার কাকা বিজেপি কর্মী দীপক দাসের অভিযোগ, “আমরা বিজেপি করার জন্য আমাদের মাঝেমধ্যেই হুমকি দিত সুব্রত। বাড়িতে এসে বেশ কয়েকবার খুনের হুমকি দিয়েছিল তৃণমূল নেতা সুব্রত দাস ও তার ছেলে রাহুল দাস। আমরা বিজেপি করি বলে পরিকল্পনা করে আমাদের মেয়েকে জোর করে বিয়ে করে। তারপর মেয়ের উপর শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালাত।”

যদিও মৃতার শ্বশুরবাড়ি এই অভিযোগ মানতে রাজি হয়নি। ওই বধূ আত্মহত্যা করেছে বলে দাবি করা হয়! যদিও স্থানীয় নেতা-কর্মীরা জানিয়েছেন, মৃতার বাপেরবাড়ির তোলা অভিযোগ সঠিক নয়। অদিপ্তা ও রাহুল স্বইচ্ছায় বিয়ে করেছিল। এই বিয়ে তরুণীর বাপেরবাড়ির লোকজন শুরুতে মেনে নেয়নি বলে দাবি ওঠে। তৃণমূলের তরফেও এই ঘটনাকে ‘আত্মহত্যা’ বলে দাবি করা হয়েছে। আগামী ২৯ তারিখ বিধানসভা ভোট। তার আগে বাজার গরম করার জন্য বিজেপি এই প্রচার শুরু করেছে। এমনই গুরুতর অভিযোগ তৃণমূলের।

পুলিশ এই বিষয় নিয়ে তেমন কোনও মন্তব্য করতে নারাজ। ময়নাতদন্তের রিপোর্ট না এলে ঘটনাটি খুন না আত্মহত্যা, বলা যাবে না। ঘটনার বিষয়ে মৃতার পরিবারের লোকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.