টিটুন মল্লিক, বাঁকুড়া: দেশবাসীর সুবিধার্থে বহু প্রকল্প চালু করেছে কেন্দ্র। তার মধ্যে রয়েছে প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা। বিজেপি (BJP) বরাবর দাবি করেছে, বহু মানুষ এই প্রকল্পের সুবিধা পেয়েছন। কিন্তু বাঁকুড়ার শালতোড়ার বিজেপি প্রার্থী চন্দনা বাউড়িই এখনও পাননি প্রকল্পের পুরো টাকা! এমনকী তাঁর বাড়িতে নেই শৌচাগারও।
বাঁকুড়ার (Bankura) বড়জোড়া বিধানসভা এলাকার বাসিন্দা চন্দনা বাউড়ি। বছর ১৩ আগে বিয়ে হয় তাঁর। স্বামী পেশায় রাজমিস্ত্রি। বেড়ার ঘর আর টালির ছাদের নিচে কোনওরকমে দিন কাটালেও অভাব ছিল তাঁদের নিত্যসঙ্গী। সেই কারণে স্বামীর সঙ্গে জোগাড়ের কাজেও যেতেন চন্দনা। প্রায় ১০ বছর আগে বিজেপিতে যোগ দেন তিনি। নিজের দক্ষতায় ধীরে ধীরে জেলা বিজেপির সম্পাদকের পদ পান তিনি। এবার বিধানসভা ভোটে শালতোড়া থেকে বিজেপির হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা (BJP candidate) করছেন সেই চন্দনা বাউরি। বিজেপির বহুদিনের কর্মী হলেও এখনও প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার বাড়ি, শৌচালয় পাননি তিনি। ফলে ভাঙাচোরা করেই স্বামী, শাশুড়ি, সন্তানদের নিয়ে থাকেন তিনি। সঙ্গে থাকে তাঁর দুটি ছাগল ও একটি গরু। খুব স্বাভাবিকভাবেই এই ঘটনায় মোদি সরকারের দিকে আঙুল উঠেছে।

[আরও পড়ুন: ‘ঝাড়গ্রামে ঝাড় খেয়েছে বিজেপি, ৪-০ হবে’, বিনপুরের সভায় চ্যালেঞ্জ অভিষেকের]
এবিষয়ে কথা বলা হলে চন্দনা জানান, ২০১৮ সালে আবাস যোজনা ও স্বচ্ছভারত প্রকল্পের জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। ২০২০ সালে মোট ১ লক্ষ টাকা পান। তাতে ঘরের কাজ শুরু করলেও শেষ করা সম্ভব হয়নি। তৈরি করা যায়নি শৌচাগারও। ফলে এখনও বেড়ার বাড়িতে কোনওক্রমে দিন কাটাতে হচ্ছে তাঁকে। যদিও এই সমস্যার জন্য শাসকদলের নেতাদের দুর্নীতিকেই দায়ী করেছেন চন্দনা। আশ্বাস দিয়েছেন, ভবিষ্যতে বিজেপি ক্ষমতায় এলে এই সমস্যা থাকবে না।
[আরও পড়ুন: ইভিএমে কারচুপির আশঙ্কা, দলীয় কর্মীদের ধাপে ধাপে সতর্কতার পাঠ দিলেন মমতা]
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা