সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজধানী দিল্লি ও মহারাষ্ট্রের মতো কয়েক রাজ্যের কোভিড গ্রাফ খানিকটা চিন্তায় রাখলেও মারণ করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে ধীরে ধীরে এগিয়ে চলেছে বাংলা। বর্তমানে অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে সংক্রমণ। তবে বেশ কিছুদিন পর বাংলায় করোনা কাড়ল প্রাণ। সেই কারণেই রাজ্যবাসীকে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা।
রবিবার রাজ্য স্বাস্থ্যদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা (Coronavirus) আক্রান্ত হয়েছেন ৩৮ জন। গতকালের তুলনায় টেস্টিংয়ের পরিমাণ সামান্য কমেছে। দৈনিক পজিটিভিটি রেট ০.৪৮ শতাংশ। রাজ্যে এখনও পর্যন্ত করোনা পজিটিভ হয়েছেন ২০ লক্ষ ১৯ হাজার ৩২৯ জন। তবে তার মধ্যে প্রায় ৯৯ শতাংশই করোনা মুক্ত হয়ে গিয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় অবশ্য মারণ ভাইরাসে রাজ্যে প্রাণ হারালেন একজন। সব মিলিয়ে এ রাজ্যে মারণ ভাইরাসের বলি বেড়ে হল ২১ হাজার ২০৪ জন। কোভিডে সার্বিক মৃত্যুর হার ১.০৫ শতাংশ।
[আরও পড়ুন: কলকাতায় ফের উদ্ধার উঠতি মডেলের ঝুলন্ত দেহ, সম্পর্কের টানাপোড়েনের জের?]
বুলেটিন বলছে, একদিনে রাজ্যে কোভিড থেকে সুস্থ হয়েছেন ৩৪ জন। হোম আইসোলেশনে রয়েছেন ৩৩৫ জন। হাসপাতালে ভরতির সংখ্যা কমে ন’য়ে নেমে এসেছে। এখনও পর্যন্ত বাংলার ১৯ লক্ষ ৯৭ হাজার ৭৮১ জন ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে জয়ী। বর্তমানে সুস্থতার হার ৯৮.৯৩ শতাংশ। এদিকে, বর্তমানে রাজ্যের সক্রিয় করোনা রোগীর সংখ্য়া দাঁড়িয়েছে ৩৪৪ জনে।
কোভিডবিধি উঠে গেলেও সংক্রমণ রুখতে নমুনা পরীক্ষা চলছে। একদিনে ৭ হাজার ৮৯০টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। এখনও পর্যন্ত মোট ২ কোটি ৫২ লক্ষ ৯৪ হাজার ৩০৯টি নমুনা পরীক্ষা হয়েছে। টেস্টিংয়ের পাশাপাশি টিকাকরণও চলছে জোরকদমে। গত ২৪ ঘণ্টায় করোনার টিকার ডোজ দেওয়া হয়েছে ৪১ হাজার ১৮৮ জন। এর মধ্যে মোট বুস্টার ডোজ দেওয়া হয়েছে প্রায় ২৯ লক্ষ।
[আরও পড়ুন: নিরাপত্তা প্রত্যাহারের পরদিনই অঘটন! গুলিতে খুন পাঞ্জাবের জনপ্রিয় গায়ক]
সর্বশেষ খবর
-
বন্যায় কাঁদছে অসম! এখনও ক্ষতিগ্রস্ত লক্ষাধিক মানুষ, ১১ হাজার হেক্টর কৃষিজমি জলমগ্ন, মৃত ১০০
-
পরমাণু চুক্তি নিয়ে সুর নরম, ইরান হরমুজে খুলে দিলেই নিষ্ফলা যুদ্ধে ইতি টানবেন ট্রাম্প!
-
মোটা মাইনের চাকরির টোপ দিয়ে কলকাতার যুবকদের উজবেকিস্তানে ‘পাচার’, তারপর…
-
রাজারহাটের অভিজাত আবাসনে পানীয় জলদূষণ! অসুস্থ বহু বাসিন্দা, তুমুল উত্তেজনা এলাকায়
-
অটো চালিয়ে অসুস্থকে বিনামূল্যে পৌঁছে দেন হাসপাতালে, ভাইরাল গভীর রাতের ‘শেরনি’