১ কার্তিক  ১৪২৬  শনিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

১ কার্তিক  ১৪২৬  শনিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৯ 

BREAKING NEWS

শংকরকুমার রায়, রায়গঞ্জ: শরীরে মারণ রোগ ‘এইডস’ গোপন রেখেই বিয়ে করেছিল এক যুবক। বিয়ের ন’মাসের মাথায় স্বামীর রক্তে এইচআইভি জীবাণু আছে, এ কথা জানতে পারেন উনিশ বছর বয়সী স্ত্রী। তারপর থেকে চরম অপমানে ও আতঙ্কে গুম মেরেছিলেন। শেষে আর সহ্য করতে না পেরে রবিবার বাড়িতেই গলায় দড়ি দিয়ে আত্মহত্যার চেষ্টা করেন তিনি।

[আরও পড়ুন: সালিশি সভায় ২ যুবককে মারধর, প্রতিবাদে ব্লক অফিস ঘেরাও স্থানীয়দের]

ঘটনাটি উত্তর দিনাজপুরের রায়গঞ্জের লক্ষনীয়া গ্রামের। বিষয়টি আন্দাজ করতে পেরে বধূ সকালে ঘরের দরজা বন্ধ করতেই চিৎকার চেঁচামেচি জুড়ে দেন শ্বশুর-শাশুড়ি। তাঁদের গলার আওয়াজে তাড়াতাড়ি ছুটে আসেন প্রতিবেশীরা। বন্ধ ঘরের দরজা ভেঙে বধূকে উদ্ধার করে রায়গঞ্জ মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভরতি করানো হয়। খবর দেওয়া হয় রায়গঞ্জ থানায়। পুলিশ হাসপাতালে এসে ঘটনার তদন্ত শুরু করে। পরিবার ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্রে জানা গিয়েছে, গত বছর ডিসেম্বরে রায়গঞ্জের মোহিপুর পঞ্চায়েতের কান্তর এলাকার এক তরুণীর সঙ্গে লক্ষনীয়া এলাকার বছর সাতাশের ওই শ্রমিকের বিয়ে হয়। বিয়ের দেড় মাস বাড়িতে স্ত্রীর সঙ্গে কাটিয়ে দিল্লিতে চলে যায় ওই যুবক।

চিকিৎসাধীন বধূর মা বলেন, “আমার জামাইয়ের বড় অসুখ আগেই ছিল। কিন্তু সেটা জানতাম না। কয়েকদিন আগে মেয়ে জানতে পারে জামাইয়ের এইডস আছে। তা লুকিয়ে আমার মেয়েকে বিয়ে করে ও। ত্রিশ হাজার টাকা ধার করে মেয়ের বিয়ে দিয়েছিলাম। এখন কি করব বুঝতে পারছি না।”

হাসপাতাল সূত্রে জানা গিয়েছে, তরুণী এখনও বিপদমুক্ত নন। জ্ঞান না ফেরা পর্যন্ত তাঁর শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কিছু বলা যাবে না। চিকিৎসা চলছে। অন্যদিকে পুলিশ সুপার সুমিত কুমার বলেন, “বধূর পরিবারের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।” অভিযুক্ত যুবকের সঙ্গে যোগাযোগ করার চেষ্টা চালাচ্ছে স্থানীয় গ্রামবাসীরা। জেলা মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক প্রকাশ মৃধা বলেন,“রোগ গোপন রেখে বিয়ে করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। তাছাড়া বিয়ে আগে রক্ত পরীক্ষা করা উচিত ছিল। তা হলে এদিন এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হত না।”

[আরও পড়ুন: লাখ টাকার গাছ চুরি, সালিশী সভা বসিয়ে শাস্তিদানের পথে গ্রামবাসীরা]

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং