শান্তনু কর, জলপাইগুড়ি: হবু কনের পরিবারকে হুমকি চিঠি দিয়ে টাকা আদায়ের চেষ্টা। জলপাইগুড়ির টোপা মারির বাসিন্দা এক যুবককে গ্রেপ্তার করল জলপাইগুড়ির কোতোয়ালি থানার পুলিশ। ধৃতকে রবিবার তোলা হবে আদালতে।
জলপাইগুড়ি শহরের বাসিন্দা ওই যুবতীর বিয়ে প্রায় আসন্ন। গোটা পরিবার বিয়ের আয়োজনে ব্যস্ত। তারই মাঝে পরিবারের হাতে এসে পৌঁছয় গোপন চিঠি। ওই গোপন চিঠিতে লেখা প্রায় প্রত্যেক লাইনেই হুমকির সুর। ওই হুমকি চিঠির বয়ান অনুযায়ী নির্দিষ্ট ঠিকানায় ৫০ হাজার টাকা পৌঁছে দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। টাকা নির্দিষ্ট জায়গায় পৌঁছে না দিলে হবু কনের ব্যক্তিগত মুহূর্তের ছবি সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল করে দেওয়ার হুমকিও দেওয়া হয়।
[আরও পড়ুন: অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ১৪ হাতের কালী প্রতিমা, অশনি সংকেত নাকি অলৌকিক কাণ্ড? উঠছে প্রশ্ন]
চিঠি হাতে পেয়ে চক্ষু চড়কগাছ পরিবারের। বাড়ির মেয়ের বিয়ের মাত্র কয়েকদিন আগে এমন চিঠি হাতে পেয়ে কার্যত দিশাহারা পরিবারের লোকজন। বাধ্য হয়ে পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে পরিবার। যুবককে হাতেনাতে ধরতে একটি পরিকল্পনা করা হয়। পুলিশের কথামতো যুবককে হাতের নির্দিষ্ট জায়গায় টাকা রেখে আসেন হবু কনের পরিবারের লোকজন। ফাঁদে পা দিয়ে টাকা নিতে আসে যুবক। তাকে হাতেনাতে গ্রেপ্তার করে পুলিশ।
পুলিশ সূত্রে খবর, প্রথমে নিজের অপরাধ কবুল করতে চায়নি অভিযুক্ত। তবে টানা পুলিশি জেরায় আর নিজেকে সামলে রাখতে পারেনি সে। নিজের অপরাধ কবুল করে। যুবক জানায় হবু কনে তার পূর্ব পরিচিত। এক সময়ের স্কুলের বান্ধবী। তার কাছে তরুণীর ব্যক্তিগত মুহূর্তের কোনও ছবিই নেই। শুধুমাত্র কিছু নগদ টাকা লাভের আশায় মিথ্যে নাটক সাজিয়েছিল। পুলিশ অভিযুক্তের বয়ানে হতবাক। ধৃতকে রবিবারই জলপাইগুড়ি আদালতে তোলা হবে। অবশেষে প্রকৃত সত্য সামনে আসায় হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছেন ওই তরুণী।
[আরও পড়ুন: মন মজেছে পরপুরুষে! প্রেমিকের সহযোগিতায় স্বামীকে খুনের পর দেহ লোপাট করল স্ত্রী]
সর্বশেষ খবর
-
ওঠার আগেই বাড়তি টাকা চাইছে অ্যাপ ক্যাব, ‘দৌরাত্ম্য’ বন্ধ করতে কড়া পদক্ষেপ মোদি সরকারের
-
ভুলত্রুটির নালিশ কোথায় জানাবে আমজনতা? ঠিক করতে হবে অভিযুক্ত হাসপাতালকেই, কড়া নির্দেশ রাজ্যের
-
বিদেশে ‘ব্রাত্য’ বাংলার আম, নেপথ্য কারণ জানলে চমকে যাবেন
-
বিধানসভা অভিযানের জের, ঝাড়খণ্ডে ৬০০ আন্দোলনকারীর বিরুদ্ধে মামলা, অনশনের হুমকি প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রীর
-
টানা ব্যর্থতার পরও ‘নিরাপদ’ গম্ভীরের চাকরি, সিদ্ধান্ত বোর্ডের, নেপথ্যে দু’ই ফ্যাক্টর