বাড়তি টাকা দিতে হবে, নয়তো যাব না। অ্যাপ ক্যাব বা বাইক চালকদের মুখে প্রতিদিন এহেন ‘হুমকি’ শুনতে হয় নিত্যযাত্রীদের। অনেকেই বাধ্য হন বাড়তি টিপস দিতে, তাড়াতাড়ি গন্তব্যে পৌঁছনোর আশায়। এবার এই ‘দৌরাত্ম্য’ বন্ধ করতে পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। উবের, র্যাপিডোর মতো একাধিক অ্যাপ ক্যাব সংস্থাকে নোটিস পাঠানো হয়েছে বলে খবর।
ঠিক কী বলা হয়েছে কেন্দ্রের তরফে? বর্তমানে বেশ কিছু অ্যাপেই দেখা যায়, বুক করার ক্ষেত্রে অতিরিক্ত টিপস দেওয়ার অপশন থাকে। কুড়ি টাকা থেকে একশো টাকা পর্যন্ত টিপস দিতে পারেন ইউজাররা। যাত্রার মূল ভাড়া যা দেখায়, তারপর অতিরিক্ত টিপস হিসাবে এই অর্থ দেওয়া হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, টিপস দিতে ইচ্ছুক যাত্রীদের বুকিংই গ্রহণ করছেন চালকরা। এমনকী ফোন করে চালকরাও যাত্রীদের বলেন টিপস দেওয়ার জন্য। ফলে তাড়াতাড়ি বুকিংয়ের আশায় বাড়তি অর্থ দিতেও রাজি হয়ে যান যাত্রীরা। এই ব্যবস্থা একেবারে নিয়মবিরুদ্ধ বলে জানিয়েছে মোদি সরকার
আরও পড়ুন:
সড়ক পরিবহণ মন্ত্রকের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, এই ব্যবস্থা গ্রাহকদের স্বার্থের পরিপন্থী। অ্যাডভান্স টিপ, চুজ অ্যাড অন-এমন নানা অপশন ছড়িয়ে রয়েছে অ্যাপগুলিতে। গাড়ি বুক হওয়ার আগেই এমন অপশন দেওয়া যাবে না, জানিয়ে দিয়েছে কেন্দ্র। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, যদি টিপসের অপশন রাখতেই হয় তাহলে সেটা যাত্রা শেষ হওয়ার পর দিতে হবে। বাড়তি টিপস দিলে তাড়াতাড়ি বুকিং হবে, চালক বাড়তি টিপস পেলে দ্রুত বুকিং কনফার্ম করবেন-এই ধরনের বার্তা দেওয়া যাবে না বলে সাফ জানিয়েছে মোদি সরকার।
উল্লেখ্য, উবের-র্যাপিডো-ওলার মতো একাধিক অ্যাপ ক্যাব সংস্থাকে ইতিমধ্যেই এই ইস্যুতে নোটিস পাঠিয়েছিল ক্রেতাসুরক্ষা বিভাগ। টিপস প্রথা বন্ধ করতে বলা হয় সংস্থাগুলিকে। কিন্তু তাতেও লাভ হয়নি। বুকিংয়ের আগেই টিপসের ব্যবস্থা রমরমিয়ে চলছে সব অ্যাপেই। এবার সেটা বন্ধ করতে উদ্যোগী হল কেন্দ্র। টিপস না পেয়ে বুকিং ক্যানসেলের প্রবণতা রয়েছে অ্যাপ ক্যাব চালকদের। কেন্দ্রের এই নির্দেশে সেই প্রবণতা বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা রয়েছে।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
‘দর্শক আমার ছবি ব্লকবাস্টার করবে’, পুজো রিলিজ নিয়ে আত্মবিশ্বাসী সৃজিত
-
উপনির্বাচনের আগেই বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতাদের কাছে হুমায়ুন? রেজিনগরে নয়া সমীকরণ!
-
গান্ধীজয়ন্তীতে মহাচমক! বাপুকে স্মরণ করে ‘জাতির জনক’ অবতারে এলেন মনোজ বাজপেয়ী
-
সোশাল মিডিয়ায় জাত তুলে গালি, তফসিলি জাতি-উপজাতি আইনে বিচার হবে, রায় কলকাতা হাই কোর্টের
-
১৯৬৭-তে চন্দননগরে আসেন সন্ন্যাসী সুভাষচন্দ্র! কেউ জানত না?