BREAKING NEWS

৩২ আষাঢ়  ১৪২৭  বৃহস্পতিবার ১৬ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

রাজ্যে করোনার বলি দু’শো ছুঁইছুঁই, স্বাস্থ্য দপ্তরের নতুন বুলেটিনে বাড়ল উদ্বেগ

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: May 22, 2020 8:54 pm|    Updated: May 22, 2020 8:54 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রাজ্যে করোনা ভাইরাসের শিকার হয়ে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াল ১৯৩। আক্রান্তের সংখ্য়া ৩৩৩২। শুক্রবার সন্ধেবেলা বুলেটিন প্রকাশ করে করোনা সংক্রান্ত পরিসংখ্যান জানাল রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। কো-মর্বিডিটিতে ৭২ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে বুলেটিনে জানানো হয়েছে।

রাজ্যে করোনা সংক্রমণ বেড়েই চলেছে। অতি শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় আমফানের দাপটের মাঝেও করোনা পরিস্থিতি থেকে নজর তাই একবিন্দুও সরেনি রাজ্য প্রশাসনের। নিয়মিত স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে এ নিয়ে বুলেটিন প্রকাশ করে নতুন তথ্য সরবরাহ করা হচ্ছে। সেইমতো শুক্রবারও প্রকাশিত হল বুলেটিন। আমফানের কারণেই ২১ তারিখ সরকারিভাবে তথ্য দেওয়া সম্ভব হয়নি। তাই শুক্রবার ২১ এবং ২২ তারিখের তথ্য একসঙ্গে দেওয়া হয়েছে। ২১ এবং ২২ তারিখের মধ্যে নতুন করে ১৩৫ জন করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন বলে উল্লেখ করা হয়েছে তাতে। সবমিলিয়ে এই মুহূর্তে রাজ্যে করনো পজিটিভ ৩৩৩২জন। আর গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬ জনের মৃত্যু হওয়ায় মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ১৯৩। সুস্থতার হার একই রয়েছে প্রায়। এই মুহূর্তে রাজ্যের ৩৬.৬৪ শতাংশ মানুষ সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

[আরও পড়ুন: বৃষ্টির জমা জলে বংশবৃদ্ধি করতে পারে মশা, আমফানের পর ভয় বাড়াচ্ছে ডেঙ্গু]

স্বাস্থ্য দপ্তরের বুলেটিন অনুযায়ী, রাজ্যে করোনা পরীক্ষার হারও বাড়ছে। গত দু দিনে ৫৩৫৫ জনের পরীক্ষা হওয়ায় এই সংখ্য়াটা দাঁড়িয়েছে ১ লক্ষ ২০ হাজার ৫৯৯ জন। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, যত বেশি পরীক্ষা হবে, আক্রান্তদের চিহ্নিত করে সংক্রমণ এড়ানো ততই কার্যকরী হবে। সেইমতো রাজ্যেও প্রতিদিন নমুনা পরীক্ষার সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। এমনকী কলকাতা, হাওড়ার পাশাপাশি বিধাননগর পুরসভাও বাড়ি বাড়ি গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করা হচ্ছে। নমুনা পরীক্ষার পর যত দ্রুত সম্ভব রিপোর্ট দেওয়া হচ্ছে। এই মুহূর্তে রাজ্যের ৬৯ টি হাসপাতালে চলছে করোনা আক্রান্তদের চিকিৎসা। সরকারি হাসপাতালের পাশাপাশি আপদকালীন পরিস্থিতিতে বেসরকারি নার্সিংহোমগুলিকেও COVID-19 চিকিৎসার পরিকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। জেলায় জেলায় এসব বেসরকারি COVID হাসপাতালের উপরেই অধিক নির্ভরশীল করোনা আক্রান্ত রোগীরা।

[আরও পড়ুন: ‘সাতদিন সময় দিন, কলকাতাকে সচল করে দেব’, আশ্বস্ত করলেন পুরসভার প্রশাসক ফিরহাদ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement