সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সোমবার বিকেল থেকেই রাজ্য লকডাউন (lockdown)। তাই যারা কর্মসূত্রে বা অন্য যে কোনও কারণে বাড়ির বাইরে ছিলেন রবিবার, তাঁদের বাড়ি ফেরার জন্য বরাদ্দ সময় সোমবার সকালটুকুই। কিন্তু ট্রেন পরিষেবা তো বন্ধ হয়ে গিয়েছে রবিবার রাতেই। স্বাভাবিকভাবেই কোনওক্রমে নিরাপদ আশ্রয়ে পৌঁছতে সকাল থেকেই ধর্মতলায় মানুষের ঢল। আর এতেই সংক্রমণ আশঙ্কা বাড়ছে বলেই মনে করা হচ্ছে।
প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে রবিবার দেশজুড়ে পালিত হয়েছে জনতা কারফিউ(Janta curfew)। বাতিল ছিল প্রচুর ট্রেন। আধ ঘণ্টা অন্তর চলছিল মেট্রো। স্বাভাবিকভাবেই রাস্তাঘাটে লোকজনের দেখা মেলেনি। স্বতস্ফুর্তভাবে ঘরবন্দি ছিলেন বহু মানুষ। এরপর দুপুর গড়াতেই কেন্দ্রের তরফে ট্রেন ও মেট্রো পরিষেবা বন্ধের সিদ্ধান্ত ঘোষণা করা হয়। নবান্নের তরফে জানানো হয় লকডাউনের সিদ্ধান্ত। যার জেরে প্রবল সমস্যার পড়তে হয় জেলার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কর্মসংস্থান বা পড়াশোনার জন্য কলকাতায় বসবাসকারীরা। রবিবারের কারফিউ-এর পর বাড়ি ফেরার জন্য সোমবার সকালটুকু তাঁদের হাতে থাকলেও ট্রেন পরিষেবা বন্ধ থাকায় চূড়ান্ত ভোগান্তির শিকার হতে হয় তাঁদের।

সোমবার সকাল থেকে রাস্তায় বাসেরও দেখা নেই। স্বাভাবিকভাবেই সাত সকালে রাস্তায় বের হলেও দীর্ঘক্ষণ দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে তাঁদের।
[আরও পড়ুন: লন্ডন ফেরত তরুণের দায়িত্বজ্ঞানহীনতার শাস্তি, বাবা-মা ও পরিচারিকাও করোনা আক্রান্ত]
বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে ভিড় বেড়েছে ধর্মতলা চত্বরে। বাসের জন্য ঠায় অপেক্ষা করছেন বহু মানুষ।

কোনওক্রমে একটি বাস মিললে তাতেই বাদুরঝোলা হয়ে গন্তব্যে পৌঁছনোর চেষ্টা করছেন সকলেই। কিন্তু যে সংক্রমণ ঠেকাতে এই লকডাউনের সিদ্ধান্ত এদিনের ভিড় দেখে তা আদৌ কতটা কার্যকর তা ভাবাচ্ছে সকলকে।
ছবি: অরিজিৎ সাহা
[আরও পড়ুন: বেলেঘাটা আইডিতে অপেক্ষারত মানুষ, ভিড় সামলাতে গিয়ে নাজেহাল দশা চিকিৎসকদের]
সর্বশেষ খবর
-
হাদি হত্যা নিয়ে মমতার বক্তব্য ‘পলিটিক্যাল স্টান্টবাজি’! গুরুত্ব দিতে নারাজ তারেকের সরকার
-
ডিমের ভয়! আলাদত চত্বরে লুঙ্গি তুলে দৌড় ধৃত তৃণমূল নেতার
-
তৃণমূলের বিরুদ্ধে গান গাওয়ায় প্রাণনাশের হুমকি! উদয়নের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের শিল্পীর
-
মেয়র পদের পর খেলার মাঠও ছাড়ছেন ফিরহাদ, ইস্তফা ভলিবল সংস্থার প্রেসিডেন্ট পদ থেকে
-
‘জয় শ্রীরাম’, ‘জয় বুলডোজার বাবা’, মঞ্চে পা রাখতেই যোগীর উদ্দেশে স্লোগান জনতার