BREAKING NEWS

৪ আশ্বিন  ১৪২৭  মঙ্গলবার ২২ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

বহু কোভিড রোগীর প্রাণ বাঁচিয়ে ছিলেন, শেষে করোনাযুদ্ধে হার মানলেন কাশ্মীরি চিকিৎসক

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: August 9, 2020 6:44 pm|    Updated: August 9, 2020 8:58 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: এতদিন ধরে করোনার (Coronavirus) বিরুদ্ধে একেবারে সামনের সারিতে থেকে লড়াই করেছেন। মারণ ভাইরাসের ছোবল থেকে সুস্থ করে তুলেছেন কতশত রোগীকে। কিন্তু COVID-19’এর শিকার থেকে নিজেকে রক্ষা করতে পারলেন না কাশ্মীরের তরুণ চিকিৎসক আশরাফ মীর। রবিবার সকালে করোনার বিরুদ্ধে সমস্ত লড়াই শেষ হল তাঁর। মৃত্যুর কোলে ঢলে পড়লেন ডাক্তারবাবু নিজে।

গত চার মাস ধরে কাশ্মীর উপত্যকার করোনা যুদ্ধের অন্যতম সেনাপতি ছিলেন ডাক্তার আশরাফ মীর। দিনরাত হাসপাতালে থেকে করোনা রোগীদের চিকিৎসা করেছেন। দিন কয়েক আগে তাঁর নিজেরই করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শরীরও অসুস্থ হতে থাকে। শ্রীনগরের (Srinagar) শের-ই-কাশ্মীর ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভরতি করানো হয় তাঁকে। রবিবার সকালে সমস্ত প্রচেষ্টা ব্যর্থ করে করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে হার মানেন ডাক্তার মীর। তাঁর মৃত্যু চিকিৎসক মহলে তো বটেই, রোগীদের কাছেও এক বড় ধাক্কা। করোনা লড়াইয়ে তাঁর এতদিনকার লড়াইয়ের কথা স্মরণ করছেন সকলে।

[আরও পড়ুন: “জনতা রোজগার চাইলেই ধর্মের নেশা ধরিয়ে দেয়”, মোদি সরকারকে খোঁচা বক্সার বিজেন্দরের]

করোনা যুদ্ধের একেবারে সামনের সারিতে দেশের চিকিৎসক, স্বাস্থ্যকর্মীরা। অথচ তাঁদের মধ্যেও সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ার প্রবল ঝুঁকি দেখা যাচ্ছে। ইতিমধ্যে দেশের অন্তত ২০০ জন চিকিৎসক মারণ জীবাণুর বলি হয়েছেন। এ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর দ্বারস্থ হয়েছে ইন্ডিয়ান মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে বারবার অভিযোগ উঠেছে। তাঁদের সুরক্ষায় অবহেলা করা হচ্ছে বলে সরব হয়েছেন চিকিৎসকরা। কিন্তু তাতে কর্ণপাত করা হয়নি। এই পরিস্থিতিতে চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের সুরক্ষায় IMA’র তরফে প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানানো হয়, “পরিস্থিতি উদ্বেগজনক। ডাক্তারদের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে না পারলে গোটা স্বাস্থ্য পরিকাঠামোই ভয়ংকর বিপদের মুখে পড়বে।” আর নিজের প্রাণ দিয়ে চিকিৎসকদের সেই উদ্বেগকেই যেন আরও বাড়িয়ে তুললেন কাশ্মীরের চিকিৎসক আশরফ মীর।

[আরও পড়ুন: এবার যত তাড়াতাড়ি সম্ভব স্কুল খুলে দেওয়া উচিত, মনে করছেন WHO’র প্রধান গবেষক]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement