Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
Sikkim

করোনার জের, অক্টোবর পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য বন্ধ সিকিমের দরজা

রাজ্যের নাগরিকদের বাঁচানোর জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে রাজ্য প্রশাসন।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২০, ১৫:৪৬

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২০, ১৫:৪৬

options
link
করোনার জের, অক্টোবর পর্যন্ত পর্যটকদের জন্য বন্ধ সিকিমের দরজা zoom
ফাইল ফটো

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মার্চের পাঁচ তারিখ দেশে করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ এত ব্যাপক আকার ধারণ করেনি। কিন্তু, তখনই বিদেশিদের জন্য সিকিমের দরজা বন্ধ করছিল সেখানকার সরকার। আর ১৭ মার্চ থেকে সমস্ত পর্যটকদের জন্য বন্ধ করে দেওয়া হয় হিমালয়ের কোলে অবস্থিত ছোট্ট এই দেশটির দরজা। তার ফলও হাতেনাতে পেয়েছে তারা। দেশের প্রায় সব জায়গাতেই যখন মৃত ও আক্রান্তের সংখ্যা দ্রুত গতিতে বৃদ্ধি পাচ্ছে তখন সেখান নেই একজনও রোগী। এবার করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে আগামী অক্টোবর মাস পর্যন্ত কোনও পর্যটককে সিকিমে ঢুকতে দেওয়া হবে না বলে পরিষ্কার জানিয়ে দিল সেখানকার রাজ্য প্রশাসন। রাজ্যের প্রায় সাত লক্ষ নাগরিককে এই মারণ ভাইরাসের কবল থেকে রক্ষা করার জন্যই এই পদক্ষেপ নিতে হয়েছে বলে জানালেন সেখানকার রাজ্যপাল গঙ্গা প্রসাদ।

এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘অক্টোবর পর্যন্ত সিকিমের দরজা পর্যটকদের জন্য বন্ধ রাখা হচ্ছে। রাজ্যে বসবাসকারী সাত লক্ষ নাগরিকের জীবন বাঁচানোর স্বার্থেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। লকডাউন (Lock down) -এর ফলে এখানে আটকে থাকা পরিযায়ী শ্রমিকদের খাবারের ব্যবস্থা করার পাশাপাশি প্রতিদিনের টাকাও দেব। কারণ, আমরা জানি যে লকডাউন উঠে যাওয়ার পর তাঁদের সাহায্যের দরকার হবে আমাদের।’

Advertisement

[আরও পড়ুন: করোনার জের, এ বছরের জন্য স্থগিত নাথুলা হয়ে কৈলাস-মানস সরোবর যাত্রা ]

 

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ ঠেকানোর জন্য সিকিম সরকার যে পদক্ষেপ নিয়েছে তার ভূয়সী প্রশংসা করেন রাজ্যপাল। তিনি আরও বলেন, ‘সিকিমের অনেক ছাত্রছাত্রী চিনে পড়াশোনা করেন। তাঁরা সবাই জানুয়ারি মাসেই ফিরে এসেছেন। তারপর আমরা সীমান্ত বন্ধ করে দিয়ে কাউকে ভিতরে ঢুকতে দেব না বলে সিদ্ধান্ত নিই। পাশাপাশি চিন থেকে আসা প্রত্যেক পড়ুয়াকে কোয়ারেন্টাইন সেন্টারে রাখা পর শারীরিক পরীক্ষা করানো হয়। তাঁদের প্রত্যেকের নমুনার ফলাফল নেগে়টিভ আসার পরেই বাড়িতে যাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়। এমনকী জনতা কারফিউ হওয়ার আগে গত ১৭ মার্চ থেকে রাজ্যজুড়ে লকডাউনও জারি করা হয়।’

[আরও পড়ুন: লকডাউনের জেরে মুখ থুবড়ে পড়ল উত্তরবঙ্গের ফিল্ম ট্যুরিজম, কয়েক কোটি টাকার ক্ষতির আশঙ্কা]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.