Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Durga Puja 2026

দেবী শাঁখা পরেন বাঁকুড়ায়, কলসে দূর হয় ‘বন্ধ্যাত্ব’, পশ্চিম বর্ধমানের এই পুজোয় তিনদিনই হয় ছাগবলি

ফড়ফড়ি পরিবারের পুজোর বয়স প্রায় সাড়ে তিনশো বছর। দেবী দুর্গা এখানে 'মা গবি' নামে পূজিত। পুজোর সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীতে রয়েছে ছাগবলির প্রথা!

সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৬:০৯

link
সনাতন গড়াই
সনাতন গড়াই

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২৬, ১৬:০৯

options
link
দেবী শাঁখা পরেন বাঁকুড়ায়, কলসে দূর হয় ‘বন্ধ্যাত্ব’, পশ্চিম বর্ধমানের এই পুজোয় তিনদিনই হয় ছাগবলি zoom
ফড়ফড়ি পরিবারের পুজোর বয়স প্রায় সাড়ে তিনশো বছর।
Advertisement

মা দুর্গা গয়না পরেন জোড়াসাঁকোর শিবকৃষ্ণ দাঁ-র বাড়িতে। ভোজন করেন কুমোরটুলির অভয়চরণ মিত্রের বাড়ি। নাচ দেখেন শোভাবাজার রাজবাড়িতে। এমনটাই বলে প্রাচীন বাংলার প্রবাদ। কিন্তু পশ্চিম বর্ধমানের ফড়ফড়ি পরিবারে কিংবদন্তি অন্য! কথিত, দেবী এখানে শাঁখা পরে সেজে ওঠেন বাঁকুড়ার মালিয়ারায়। পুজো হয় পশ্চিম বর্ধমানের ফড়ফড়ি পরিবারে।

‘মা গবি’কে ঘিরে রয়েছে একাধিক জনশ্রুতি। ভক্তদের বিশ্বাস দেবীর কলস কোলে নিলে দূর হয় বন্ধ্যাত্বের সমস্যা। দেবীর কাছে দণ্ডী কাটার রীতিও বহু পুরনো। মানত পূরণ হবে এই বিশ্বাসেই হাজার হাজার ভক্ত দণ্ডী কেটে মন্দিরে পৌঁছন।

এই পুজোকে ঘিরে রয়েছে এক আশ্চর্য কাহিনিও। লোকমুখে শোনা যায়, বাঁকুড়ার মালিয়ারার এক শাঁখারির কাছে শাঁখা পরতে চায় এক কন্যা। সেই আবদার পূরণ করেন শাঁখারি। টাকা চাইলে সে বলে, তা মিলবে পশ্চিম বর্ধমানের মদনপুরের ফড়ফড়ি পরিবারে। সেখানে গিয়ে সেই শাঁখারি দেখেন নির্দিষ্ট স্থানে তা রাখা! সেই থেকেই শুরু ফড়ফড়ি পরিবারে দুর্গাপুজো। এই পুজোর বয়স প্রায় সাড়ে তিনশো বছর। দেবী দুর্গা এখানে ‘মা গবি’ নামে পূজিত। পুজোর সপ্তমী, অষ্টমী ও নবমীতে রয়েছে ছাগবলির প্রথা। আজও, মায়ের ভোগে বজায় রয়েছে প্রাচীন ঐতিহ্য। নাড়ু, খই-সহ বিভিন্ন ফল নিবেদন করা হয় দেবীকে। বিসর্জন দশমীতে নয়, দামোদরে বুকে প্রতিমা নিরঞ্জন হয় একাদশীতে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement
Durga Puja 2026: Intersting facts of this Paschim Bardhaman puja
ফড়ফড়ি পরিবারের মা দুর্গা। নিজস্ব চিত্র।

‘মা গবি’কে ঘিরে রয়েছে একাধিক জনশ্রুতি। ভক্তদের বিশ্বাস দেবীর কলস কোলে নিলে দূর হয় বন্ধ্যাত্বের সমস্যা। দেবীর কাছে দণ্ডী কাটার রীতিও বহু পুরনো। মানত পূরণ হবে এই বিশ্বাসেই হাজার হাজার ভক্ত দণ্ডী কেটে মন্দিরে পৌঁছন। পুজোর দিনগুলিতে মন্দিরমুখী রাস্তায় চোখে পড়ে মানুষের সারি। ভক্তদের বিশ্বাস, মায়ের কাছে নিষ্ঠাভরে প্রার্থনা করলে মনস্কামনা পূরণ হয়।

সব মিলিয়ে মদনপুরের ‘মা গবি’র পুজো শুধুমাত্র দুর্গাপুজো নয়। এ যেন বিশ্বাস, মানত আর শতাব্দী প্রাচীন লোকাচারের এক মিলনক্ষেত্র! হাজার হাজার ভক্তের দণ্ডী আর মায়ের প্রতি অগাধ বিশ্বাসই প্রমাণ করে সময় বদলালেও মায়ের ‘দরবারে’ মানুষের আস্থা বদলায়নি।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.