Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ১৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬
Homeopathy

কলেজ পাশ না করেই চিকিৎসা! অ্যালোপ্যাথির পর এবার স্ক্যানারে হোমিওপ্যাথি

রাজ্যজুড়ে খোঁজ মিলল একাধিক জাল প্রতিষ্ঠানের।

অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ০৮:৫৪

link
অভিরূপ দাস
অভিরূপ দাস

শেষ আপডেট: সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২৬, ০৮:৫৪

options
link
কলেজ পাশ না করেই চিকিৎসা! অ্যালোপ্যাথির পর এবার স্ক্যানারে হোমিওপ্যাথি zoom
প্রতীকী ছবি।
Advertisement

হোমিওপ্যাথি ওষুধ দিচ্ছেন। অথচ তিনি আদৌ হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকই নন। পাশও করেননি কাউন্সিল স্বীকৃত কোনও কলেজ থেকে! অ্যালোপ্যাথির পর এবার রাজ্যজুড়ে জাল হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের তথ্য সামনে। ইতিমধ্যেই মুখ্যসচিব মনোজ আগরওয়ালকে চিঠি দিয়েছে কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন, ওয়েস্ট বেঙ্গল। নিয়ম অনুযায়ী, কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন, ওয়েস্ট বেঙ্গল এবং ন্যাশনাল কমিশন অফ হোমিওপ্যাথির অনুমোদন ছাড়া হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ খোলা যায় না। বঙ্গে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন দেওয়ার একমাত্র দায়িত্বপ্রাপ্ত সংস্থা কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন। কিন্তু কোথায় কি? ব্যাঙের ছাতার মতো রাজ্য জুড়ে খুলেছে ভুয়ো প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি ‘বায়োকেমিক হোমিও ইন্সটিটিউট’ নামে একটি ভুঁইফোড় সংগঠনের খোঁজ মিলেছে। পশ্চিমবঙ্গ জুড়ে তারা ২৩টি প্রতিষ্ঠান খুলে ফেলেছে।

কোনওরকম অনুমোদন ছাড়াই সেখান থেকে দেওয়া হচ্ছে হোমিওপ্যাথির ডিগ্রি এমনকি রেজিস্ট্রেশন নম্বর! রিসার্চ কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথি মেডিসিনের রেজিস্ট্রার ডা. মিঠুন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, এদের মূল অফিস কোচবিহারে। ঘটনা জানাজানি হওয়ার পরেই পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথি মেডিসিন’-এর পক্ষ থেকে জানানো হয় কোচবিহারের মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিককে। ইতিমধ্যেই কোচবিহারের ঘুঘুডাঙার ওই প্রতিষ্ঠানের অফিসে তালা ঝোলানো হয়েছে। উত্তর চব্বিশ পরগনাতেও এদের একটি অফিস রয়েছে। দক্ষিণ ২৪ পরগণা ক্যানিং, সোনারপুর, হাবড়া, পশ্চিম মেদিনীপুরেও এমন ভূইফোড় প্রতিষ্ঠানের খোঁজ মিলেছে।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথি মেডিসিনের রেজিস্ট্রার ডা. মিঠুন চক্রবর্তী জানিয়েছেন, “ভুঁইফোড় একাধিক কলেজ হোমিওপ্যাথি পড়াচ্ছে, পড়াচ্ছে বায়োকেমিকও। সেখান থেকে আবার রেজিস্ট্রেশন নম্বর দেওয়া হচ্ছে। যা চূড়ান্ত বেআইনি। কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন, ওয়েস্ট বেঙ্গল’ এর অনুমোদন ছাড়া রাজ্যে কোথাও হোমিওপ্যাথি মেডিক্যাল কলেজ খোলাই যায় না। এরাই একমাত্র হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকদের রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিতে পারে।”

প্রতিটি জেলার জেলাশাসককে জানানো হয়েছে এই বিষয়ে। জানানো হয়েছে কেন্দ্রীয় সরকারি সংস্থা ন্যাশনাল কমিশন ফর হোমিপ্যাথিকে। লালবাজার যুগ্ম কমিশনারকেও বিষয়টি জানিয়েছে কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন, ওয়েস্ট বেঙ্গল। আরও ভয়ংকর অভিযোগও এসছে সামনে। কোনও প্রকৃত হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের রেজিস্ট্রেশন নম্বর চুরি করে অন্যত্র চেম্বার খুলে ফেলেছে জালিয়াত! সম্প্রতি টালিগঞ্জের রিজেন্ট পার্ক এলাকা থেকে প্রবীণ হোমিওপ্যাথি চিকিৎসক চিঠি দিয়েছেন কাউন্সিলে। অভিযোগ, তাঁর রেজিস্ট্রেশন নিয়ে নদিয়ায় চেম্বার খুলেছেন জাল ডাক্তার।

কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনের রেজিস্ট্রার জানিয়েছেন, “সাধারণ মানুষ পড়েছে ফ্যাসাদে। এইসব জাল প্রতিষ্ঠান থেকে পাশ করে চেম্বার খুলে বসে পড়ছে কেউ কেউ।” উপায় কি বোঝার? দ্য হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন অফ ইন্ডিয়ার সাধারণ সম্পাদক কাকলী বন্দ্যোপাধ্যায় কুণ্ডু জানিয়েছেন, কাউন্সিল অফ হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনের ওয়েবসাইটে ‘প্র্যাকটিশনার লিস্ট’ দেওয়া আছে। কোনও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসককে দেখিয়ে অবশ্যই প্রেসক্রিপশন নিন। দেখে নিন প্রেসক্রিপশনে রেজিস্ট্রেশন নম্বর আছে কিনা। ওই রেজিস্ট্রেশন নম্বর প্র্যাকটিশনার লিস্টে টাইপ করলেই ধরা যাবে আদৌ ওই নামে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসক আছেন কিনা।

দুর্গাপুজো ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'দেবীপক্ষ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.