BREAKING NEWS

২৭ আষাঢ়  ১৪২৭  রবিবার ১২ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

স্থগিতাদেশ আলিপুর আদালতের, উত্তমকুমারকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্রের মুক্তি পিছলো

Published by: Sucheta Sengupta |    Posted: November 20, 2019 9:14 pm|    Updated: November 20, 2019 9:14 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আদালতের লড়াইয়ে শেষপর্যন্ত পিছিয়ে গেল উত্তমকুমারকে নিয়ে তৈরি তথ্যচিত্রের মুক্তি। ২২ নভেম্বর তা মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু বুধবার আলিপুর আদালতের মামলার শুনানিতে আপাতত সেই মুক্তিতে স্থগিতাদেশ দেওয়া হয়েছে। এমনই জানিয়েছেন মহানায়কের পরিবারের মামলাকারী সদস্য, তাঁর নাতি গৌরব চট্টোপাধ্যায়।
মহানায়ক উত্তমকুমারের ব্যক্তি জীবন নিয়ে তথ্যচিত্র তৈরি করেছেন পরিচালক প্রবীর রায়। অভিযোগ, ডকু ফিচার ‘যেতে নাহি দিব’ তৈরির সময়ে নায়কের পরিবারের কোনও অনুমোদন নেওয়া দূরের কথা, তাঁদের সম্পূর্ণ অজ্ঞাতে এই কাজ করা হয়েছে। উত্তমকুমারের নাতি গৌরব চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, ‘আমরা বাইরের অন্যান্যদের কাছ থেকে প্রবীরবাবুর এই কাজের কথা জানতে পারি। তাতে আমাদের আপত্তি ছিল
না। দাদুকে নিয়ে ছবি তো হবেই। কিন্তু শুনলাম যে উনি দাদুর ব্যক্তিজীবন নিয়ে কাজ করেছেন। এমন কিছু বিষয় তাতে আছে যা বেশ আপত্তিজনক। তা জেনে আমরা বলেছিলাম, স্ক্রিনিংয়ে আমাদের ডাকতে হবে। আমাদের দেখে যদি মনে হয় যে সব ঠিক আছে, তাহলেই মুক্তির কথা আসবে। কিন্তু আমাদের কথা মানেননি। উলটে প্রায় হুমকির সুরে বলেছিলেন যে তিনি দেখে নেবেন আমরা কী করতে পারি।’

[ আরও পড়ুন: ‘সোনার পাহাড়’-এর পর ফের সৌমিত্র-পরম জুটি, অকালে ঝরবে ‘শ্রাবণের ধারা’]

একথা শুনে আর গৌরব চট্টোপাধ্যায় কোনও ঝুঁকি নেননি। তিনি বাড়ির অন্যান্য সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করে আইনি পথে বিষয়টি সমাধানের পথে হেঁটেছেন। পরিচালক প্রবীর রায়ের বিরুদ্ধে দ্বারস্থ হয়েছেন আলিপুর আদালতের। বুধবার ছিল প্রথম শুনানি। গৌরব জানিয়েছেন, ‘২২ তারিখ ছবির মুক্তি আটকে গিয়েছে। এরপর যদি উনি ছবিটি যদি আমাদের দেখান, তাহলে আলাদা ব্যাপার। সেইমতো
পরবর্তী পদক্ষেপের কথা ভাবব।’
যদিও মহানায়কের পরিবারের এই অভিযোগ মানছেন না পরিচালক প্রবীর রায়। তিনি বলেছেন, শুধু বাংলার নয়, দেশের অন্যতম শ্রেষ্ঠ অভিনেতা উত্তমকুমার। তাঁর ভাবমূর্তি কলঙ্কিত করার চেষ্টা তিনি করবেন কেন? তিনি এই প্রশ্নও তোলেন, কীসের উপর ভিত্তি করে তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে? তবে বুধবার আলিপুর আদালতে পরিচালকের তরফেও আইনজীবী উপস্থিত ছিলেন বলে জানা গিয়েছে।
আসলে বাঙালির প্রাণের নায়কের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তো কৌতূহলের শেষ নেই আমজনতার। হয়ত সেই আবেগকে উসকে দিতেই পরিচালক প্রবীর রায়ের এমন একটি প্রয়াস। তবে তিনি তথ্যচিত্রে যাইই দেখিয়ে থাকুন, আপাতত আইনি জটে তার মুক্তি নেই। দর্শকদের কৌতুহলও তাই আপাতত নিরসন হচ্ছে না।

[ আরও পড়ুন: বড়দিনের বড় ছবি ‘সাঁঝবাতি’, ছক ভাঙা সম্পর্কের গল্প নিয়ে আসছে চাদু আর ফুলি

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement