সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: কেমন ছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ছেলেবেলা। স্কুলে গিয়ে কী কী করতেন তিনি। ১১ বছর বয়সেও কীভাবে অন্যকে অনুপ্রেরণা দিয়েছিল বালক মোদি? দেশবাসীর কাছে প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে এমন অনেক কিছুই অজানা। সেই সব তথ্যই এবার ভেসে উঠবে পর্দায়। কারণ পরিচালক মঙ্গেশ হড়ওয়ালে মোদির ছেলেবেলা নিয়ে তৈরি করেছেন একটি শর্ট ফিল্ম। নাম ‘চলো জিতে হ্যায়’।
[হোয়াটসঅ্যাপেই জানা যাবে লাইভ আপডেট, নয়া পরিষেবা ভারতীয় রেলের]
প্রধানমন্ত্রীর লেখা বই পড়েই তাঁকে নিয়ে ছবি করার ইচ্ছা হয় পরিচালকের। মোদির লেখা ‘সামাজিক সমরাষ্ট্র’ বইটি মন ছুঁয়ে যায় মঙ্গেশের। বইয়ের প্রথম অধ্যায়টি পড়েই অনুপ্রাণিত হন তিনি। মোদির বয়স তখন ১১ বছর। সেই সময় একটি নাটক লিখেছিলেন বালক মোদি। শুধু লেখেননি, নাটকটিতে অভিনয় এবং পরিচালনাও করেছিলেন। একজন দলিত মা কীভাবে তাঁর অসুস্থ ছেলের জীবন বাঁচানোর চেষ্টা করেন, সেটিই ছিল নাটকের বিষয়বস্তু। গুজরাটের ভাদনগরে বড় হওয়া মোদির সেই শিশুকালের কাহিনিই ফুটে উঠবে এই স্বল্প দৈর্ঘ্যের ছবিতে।
মঙ্গেশের পরিচালিত হিন্দি ছবি ‘দেখ ইন্ডিয়ান সার্কাস’ পেয়েছিল চারটি জাতীয় পুরস্কার। সেই পরিচালক নিজের নতুন এই শর্ট ফিল্ম নিয়ে বেশ আশাবাদী। ২৯ জুলাই থেকে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম হটস্টারে দেখা যাবে ছবিটি। তবে তার আগে নিজের বাসভবনে ৩২ মিনিট দৈর্ঘ্যের ছবিটি দেখবেন রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ। ছবিতে মোদির নাম নরু। পরিচালক বলছেন, “মোদিজিকে ছবিতে দেখাচ্ছি ভেবে ছবি তৈরি করিনি। এখানে নরুই সব। মানুষ হিসেবে বাঁচার আসল কারণ ও উদ্দেশ্যই এখানে তুলে ধরা হবে।” ছবির জন্য তিনি যে রীতিমতো গবেষণা করেছেন সে কথাও জানাতে ভোলেননি পরিচালক। মোদি ও তাঁর পরিবারের সংস্কৃতি বুঝতে বেশ কিছু গুজরাটি ছবিও দেখেছেন।
[নৌকা নেই, সাঁতরে নদী পেরিয়েও ছেলেকে বাঁচাতে পারলেন না বাবা]
বড়পর্দায় নরেন্দ্র মোদিকে ফুটিয়ে তুলবেন পরেশ রাওয়াল। সেখানে তাঁর রাজনৈতিক জীবন থেকে প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠা, সবকিছুই দেখা যাবে। তবে মঙ্গেশ হড়ওয়ালের ছবিতে শুধুই মোদির ছেলেবেলা দেখানো হবে।
সর্বশেষ খবর
-
সার্কিট হাউসে মহুয়াকে ঘর ছাড়তে ‘চাপ’, বাইরে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান! উত্তেজনা কৃষ্ণনগরে
-
স্বাধীনতা দিবসে রাষ্ট্রপতির আমন্ত্রণপত্রে ছত্তিশগড়-মধ্যপ্রদেশের কারুকাজ, মাওবাদীমুক্ত রাজ্যের শিল্পচর্চায় জোর
-
স্বাধীনতা দিবসের রাতে ৭টি গাড়িতে মাংস পাচার! পুলিশি অভিযানে খড়্গপুরে গ্রেপ্তার ১৮
-
এই প্রথম! স্বাধীনতা দিবসে রেড রোডের নিরাপত্তায় পুলিশের সঙ্গী কেন্দ্রীয় বাহিনী
-
টুলুর কারবারের সঙ্গে যোগ? বীরভূমের ভূমি দপ্তরের হেড ক্লার্কের বাড়িতে পুলিশি হানা