Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Deepti Naval

ঋত্বিকের ‘মেঘে ঢাকা তারা’ ভারতের সেরা ছবি, আচমকা কেন এমন উপলব্ধি দীপ্তি নাভালের?

সোশাল মিডিয়ায় বর্ষীয়ান অভিনেত্রী নিজেই জানিয়েছেন কারণ।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৪, ১৭:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ২, ২০২৪, ১৭:০১

options
link
ঋত্বিকের ‘মেঘে ঢাকা তারা’ ভারতের সেরা ছবি, আচমকা কেন এমন উপলব্ধি দীপ্তি নাভালের? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দেশভাগের যন্ত্রণা তাঁর মনকে ক্ষতবিক্ষত করে দিয়েছিল। এই ক্ষতকে সম্বল করেই একের পর এক সিনেমা তৈরি করে গিয়েছেন ঋত্বিক ঘটক (Ritwik Ghatak)। কত বড় পরিচালক ছিলেন তিনি, তা এতদিনে অনুভব করলেন দীপ্তি নাভাল। এই প্রথমবার ‘মেঘে ঢাকা তারা’ দেখলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। আর তাতেই হয়ে গেলেন মন্ত্রমুগ্ধ।

Meghe Dhaka Tara

Advertisement

 

ঋত্বিক ঘটকের ‘পার্টিশন ট্রিলোজি’র প্রথম ছবি ‘মেঘে ঢাকা তারা’ (Meghe Dhaka Tara)। শক্তিপদ রাজগুরুর গল্প অবলম্বনে চিত্রনাট্য সাজিয়েছিলেন পরিচালক। নীতার চরিত্রে সুপ্রিয়া দেবী, শংকরের ভূমিকায় অনিল চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় আজও দর্শকদের সমৃদ্ধ করে। ‘দাদা আমি বাঁচতে চাই’-এর কাতর আকুতি মনকে ভেঙে গুড়িয়ে দেয়। জ্ঞানেশ মুখোপাধ্যায়, বিজন ভট্টাচার্য, গীতা দে, গীতা ঘটকরাও এই ছবি সম্পদ।

[আরও পড়ুন: রেশন দুর্নীতি মামলা: ইডিকে ৭০ লক্ষ টাকা ফেরত দিতে চান ঋতুপর্ণা!]

এমন সিনেমা এতদিনে দেখলেন দীপ্তি নাভাল। ৭২ বছরের অভিনেত্রী সোশাল মিডিয়ায় সুপ্রিয়াদেবীর নীতা চরিত্রের একটি ছবি শেয়ার করেছেন। ক্যাপশনে জানিয়েছেন, ইউটিউবের মাধ্যমে ছবিটি প্রথমবার দেখলেন তিনি। আর তাতেই মুগ্ধ হয়ে গিয়েছেন। অভিনেত্রীর কথায়, “মেঘে ঢাকা তারা – বাংলার ঋত্বিক ঘটকের এই দুর্দান্ত ক্লাসিক সিনেমা কীভাবে আমি মিস করে গেলাম জানি না। এই মাত্র ইউটিউবে সিনেমাটা দেখলাম। কোনও সাবটাইটেল ছাড়া। তাও এটা আমার মনের ভিতরে গেঁথে গিয়েছে।”

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by Deepti Naval (@deepti.naval)

এর পরই ‘মেঘে ঢাকা তারা’র সঙ্গে কাফকার ‘মেটামর্ফিস’-এর তুলনা করেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। তিনি লেখেন, “এই ছবি সিনেমাটিক শ্রেষ্ঠত্বের একটি অধ্যয়ন। কোনও অভিনেতা যদি এমন একটা চরিত্রে অভিনয়ের সুযোগ পান, তাহলে তাঁর আর অন্য কোনও চরিত্রে অভিনয় করার ইচ্ছে থাকে না। এটি ভারতের অন্যতম সেরা সিনেমা।”

[আরও পড়ুন: ‘সমস্ত গ্ল্যামার শেষ…’, প্রথম কেমোথেরাপির ভিডিও শেয়ার করে আবেগঘন বার্তা হিনা খানের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.