Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
Saurav Palodhi

‘হেরে গেলে রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যায়?’ রাজনীতি ছাড়তেই রাজকে বিঁধলেন সৌরভ!

রাজের রাজনীতি ছাড়ার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া গণমাধ্যমে। নাম না করে রাজকে বিঁধলেন পরিচালক-নাট্যব্যক্তিত্ব সৌরভ পালোধি।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ১৮:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ৮, ২০২৬, ১৮:৫৯

options
link
‘হেরে গেলে রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যায়?’ রাজনীতি ছাড়তেই রাজকে বিঁধলেন সৌরভ! zoom
নাম না করে রাজকে বিঁধলেন সৌরভ!
Advertisement

দীর্ঘ ১৫ বছরের একচেটিয়া তৃণমূল রাজত্বের অবসান ঘটিয়ে ছাব্বিশের নির্বাচনে বঙ্গজুড়ে পদ্মের ফলন। গৈরিক সূযোদয় হতেই ঘাসফুল উপরে গেরুয়া ঝান্ডা পুঁতে বহু প্রত্যাশিত জয়ের উল্লাস বিজেপি সমর্থকদের। আকাশে-বাতাসে উড়ছে গেরুয়া আবির, বাজি ফাটিয়ে একেবারে উৎসবের মেজাজ। যেন রাজ্যজুড়ে পালিত হচ্ছে অকাল দীপাবলি! একদিকে যখন শ্যামাপ্রসাদের মাটিতে বহু বছর পর বিজেপি ‘ঘর ওয়াপসি’র সেলিব্রেশনে মত্ত ঠিক সেই সময় রাজনীতি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন বারাকপুরের প্রাক্তন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তী (Raj Chakraborty)।

বৃহস্পতিবার সমাজমাধ্যমে এই সিদ্ধান্তের কথা নিজেই জানিয়েছেন। রাজের রাজনীতি ছাড়ার বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া গণমাধ্যমে। নাম না করে রাজকে বিঁধে পরিচালক-নাট্যব্যক্তিত্ব সৌরভ পালোধি (Saurav Palodhi) সমাজমাধ্যমে লিখলেন, ‘হেরে গেলে রাজনৈতিক জীবন শেষ হয়ে যায়? এদেরকে বেসিক কোনও  রাজনৈতিক শিক্ষার বই উপহার দেওয়া যায় না?’ 

Advertisement

প্রসঙ্গত, যে কোনও বিষয়ে নিজের মতামত ব্যক্ত করতে কখনও পিছপা হন না সৌরভ। ইন্ডাস্ট্রির অন্দরের কেচ্ছা কেলেঙ্কারি হোক বা রাজনৈতিক মতাদর্শ, কাউকেই পরোয়া করেন না। হেভিওয়েট পরিচালক ও প্রাক্তন বিধায়ক রাজ চক্রবর্তীর ক্ষেত্রেও ব্যতিক্রমী নন। চব্বিশ ঘণ্টা পেরনোর আগেই রাজকে ঠুকলেন সৌরভ পালোধি। একুশের নির্বাচনে জয়লাভ করে পাঁচ বছরের বিধায়কের পদে আসীন, কিন্তু ছাব্বিশে পরাজয়ের পরই রাজনীতির ময়দানকে কেন চিরবিদায়? সৌরভের পোস্টের এই অন্তর্নিহিত অর্থ দিনের আলোর মতোই স্পষ্ট। 

প্রসঙ্গত, টলিপাড়ার বামপন্থী হিসেবেই সকলের কাছে পরিচিত সৌরভ পালোধি। ছাব্বিশের নির্বাচনে পদ্ম ফুটলেও লাল দুর্গের ঠিকানা কোনওদিন বদলাবেন না। নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে ফল প্রকাশের পর মাজমাধ্যমে লিখেছিলেন, ‘২০০৬ তেও ছিলাম ২০২৬ এও আছি এবং থাকব। সুদীপ্ত, মইদুল, আনিস, তামান্নার খুনিদের ক্ষমতায় আসার আগেও ছিলাম, তাদের বিদায় নেওয়ার পরেও আছি।’

তাই সিংহভাগ নেটাগরিকের মতে, হেরে যেতেই রাজের মুষরে পড়া মোটেই সমর্থন করতে পারছেন না সৌরভ। যিনি শূন্যস্থানে থেকেও দপ্তর বদল করেন না, ময়দানে থেকে বুক চিতিয়ে লড়াইয়ের বার্তা দেন তাঁর কাছে রাজনীতির সংজ্ঞা নিঃসন্দেহে সবকিছুর ঊর্ধ্বে তা বললে অত্যুক্তি হবে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.