Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬

নতুন করে লেখা হল ‘তেরি মিট্টি’, দেশের দুর্দিনে করোনা যোদ্ধাদের স্যালুট অক্ষয়ের

গানে উঠে এসেছে চিকিৎসকদের উপর হামলার কথাও।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২০, ১৯:৫৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৪, ২০২০, ১৯:৫৯

options
link
নতুন করে লেখা হল ‘তেরি মিট্টি’, দেশের দুর্দিনে করোনা যোদ্ধাদের স্যালুট অক্ষয়ের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গোটা বিশ্বে আজ ছড়িয়ে পড়েছে প্রাণঘাতী ভাইরাস করোনা। রোজই বাড়ছে আক্রান্ত। বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আসছে মৃত্যুর খবর। এই মারণ ভাইরাসের ওষুধ বের করার জন্য একদিকে গবেষণাগারে বিজ্ঞানীরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন; অন্যদিকে আক্রান্তদের সেবায় দিনরাত এক করে দিয়েছেন চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীরা। অথচ সাধারণ মানুষের মধ্যে ন্যূনতম সচেতনতাটুকুও নেই। লকডাউন অমান্য করে বাইরে বের হওয়া তো নিত্যদিনের ঘটনা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া চলছে পুলিশ ও চিকিৎসকদের মারধর। এইসব করোনা যোদ্ধারা, যাঁরা সম্মুখে থেকে লড়াই করছেন, তাঁদের শ্রদ্ধার্ঘ্য নিবেদন করলেন অক্ষয় কুমার।

‘কেশরি’ ছবিতে একটি গান ছিল ‘তেরি মিট্টি’। গানটিতে সুর দিয়েছিলেন অর্কপ্রভ। এই গানেও সেই একই সুর রয়েছে। ওই গানটিতেই নতুন আঙ্গিকে এনেছেন অক্ষয়। তবে টুকটাক বদল হয়েছে গানের কথায়। মনোজ মুন্তাশির এই গানের কথা লিখেছেন। বিশ্বের অন্যান্য দেশেরর মতো ভারতও এখন করোনার বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করেছে। মানুষকে এই মারণ ভাইরাসের হাত থেকে রক্ষা করার দায়িত্ব কাঁধে তুলে নিয়েছেন স্বাস্থ্যকর্মী ও পুলিশ। হাসিখুশির দেশ এখন স্তব্ধ। রাস্তা শুনশান। একটা ভাইরাস ঘরবন্দি করে দিয়েছে দেশবাসীকে। এই সময় প্রাণের পরোয়া না করে রাস্তায় নেমে নিরলস পরিশ্রম করে চলেছেন পুলিশকর্মীরা। করোনা এমন একটা ভাইরাস যা সংস্পর্শের ফলে সংক্রমিত হয়। কিন্তু সে সবের পরোয়া না করে কর্তব্যে অনড় তাঁরা।

Advertisement

teri mitti 1

[ আরও পড়ুন: রঙ্গোলির বিতর্কিত মন্তব্যের সমর্থনে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভিডিও পোস্ট, কঙ্গনার বিরুদ্ধে দায়ের অভিযোগ ]

অন্যদিকে চিকিৎসকদের অবস্থা আরও বিপদজনক। বাড়ির রাস্তা ভুলে গিয়েছেন তাঁরা। দিনরাত করোনা রোগীদের নিয়ে চলছে যমে মানুষে টানাটানি। যেন তাঁরা প্রতিজ্ঞা করেছেন, দেশ যবে করোনামুক্ত হবে তবে তাঁরা নিশ্চিন্তে নিদ্রা যাবেন। তার আগে পর্যন্ত কোনও বিশ্রাম নেই। কারণ এখন গোটা দেশের আশা তাঁরা। ধর্ম-বর্ণ-জাতি নির্বিশেষে চলছে শুশ্রূষা। এখন সবার একটাই ধর্ম, মানবধর্ম। সীমান্তে খাঁকি উর্দি পরে এতদিন সেনা দেশকে রক্ষা করছিলেন। আর আজ পালটে গিয়েছে রক্ষাকর্তাদের উর্দির রং। আজ সেগুলো খাঁকির বদলে সাদা।

কিন্তু এই চিকিৎসকরাই আজ সাধারণ মানুষের হাতে প্রহৃত হচ্ছেন। তাঁদের উপর নেমে আসছে হিংসার ছায়া। তাঁরা শত্রু নন। বরং এই পরিস্থিতিতে তাঁদের ছাড়া মানুষের গতি নেই। প্রার্থনা নয়, এখন প্রয়োজন চিকিৎসার। আর সেই চিকিৎসকরাই কিনা এই ভয়ানক পরিস্থিতিতে মানুষ হিংসার শিকার। এখন তাঁদের স্যালুট করার সময়। ভিডিওজুড়ে সেই কথাই বলা হয়েছে। শেষে অক্ষয় কুমার বলেছেন, ‘বলা হয়, ডাক্তাররা ভগবানের রূপ। কিন্তু আজ করোনা ভাইরাসের সঙ্গে এই যুদ্ধে মনে হচ্ছে ভগবানই ডাক্তারদের রূপ নিয়ে ধরিত্রীতে নেমে এসেছেন।’

[ আরও পড়ুন: ‘শুকনো খাবার দিয়ে আসি ওদের’, লকডাউনে পথকুকুরদের জন্য চিন্তায় জয়া আহসান ]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.