BREAKING NEWS

৭ আশ্বিন  ১৪২৭  বুধবার ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

লকডাউনের রূঢ় বাস্তব তুলে ধরল অম্বরীশের ছোট ছবি ‘গলদা চিংড়ি’

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: April 17, 2020 2:42 pm|    Updated: April 17, 2020 2:42 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমরা বলি, মাছে-ভাতে বাঙালি। বৃষ্টি, বন্যা, প্রবল দুর্যোগ যাই আসুক না কেন, পাতে মাছ না থাকলে খাওয়ার আমেজটাই মাটি! এই লকডাউন পরিস্থিতিতেও কিন্তু তার হেরফের হয়নি। দিব্যি হাতের ফাঁকে বাজারের ব্যাগ গলিয়ে ‘বাবু’রা সকাল সকাল বেরিয়ে পড়ছেন বাজারে, যদিও মাস্ক পড়েই। কিন্তু সংক্রমণ এড়াতে যে কোথাও জমায়েত-ভীড় নিষিদ্ধ, সেদিকে ভ্রুক্ষেপই নেই! কয়েক মিটার দূরত্ব বজায় রাখা তো দূরের কথা, বরং মাছওয়ালার সামনে লকডাউনের বাজারেও ইলিশ, পাবদা, চিংড়ির জন্যে হাঁকিয়ে চলেছেন তাঁরা। অফিস-কাছারি বন্ধ, অতঃপর গিন্নির হাতে কষিয়ে রান্না খাওয়া যাবে! কিন্তু এই লকডাউনের জেরেই কিন্তু নিম্নবিত্ত শ্রেণির মানুষেরা চরম সংকটে, প্রতিবাদে সোশ্যাল দুনিয়ায় যতই প্রতিবাদী বুলি আওড়াই না কেন, খাবার পাতে রসানো-কষানো রান্না দেখে সেসব আমাদের মতো সভ্য নাগরিকদের একাংশ আমরা ভুলেই যাই! ঠিক এই বিষয়টি নিয়েই অভিনেতা অম্বরীশ ভট্টাচার্যের শর্টফিল্ম ‘গলদা চিংড়ি’।

প্রায় ২ মিনিটের এই শর্টফিল্ম আমাদের চোখের সামনে কঠোর বাস্তব চিত্র তুলে ধরেছে। অম্বরীশের একক অভিনয়। বাড়িতে থেকেই সোশ্যাল ডিসটেন্সিং মেনেই শুটিং হয়েছে। ছবিতে অম্বরীশ একজন স্বনামধন্য লেখক কল্লোল চট্টোপাধ্যায়। লকডাউনের বাজারে খেটে খাওয়া মানুষগুলিকে নিয়ে এক সংবাদমাধ্যম চ্যানেলে বক্তব্য রাখতে গিয়ে তাঁদের জন্য কৃচ্ছসাধনের কথা বললেও নিজে বাজারে ‘গলদা চিংড়ি’র সন্ধানে চলেছেন। খানিক আমাদের চারপাশের বাস্তব চিত্রকে ব্যঙ্গ করেই এই শর্টফিল্ম। শুট, সম্পাদনা সবই বাড়িতে বসেই হয়েছে।

[আরও পড়ুন: লকডাউনের একঘেয়ে জীবনে তড়কার স্বাদ নিয়ে এল ‘হিং’, অভিনয়ে মানালী-অপরাজিতা]

প্রসঙ্গত, লকডাউনে অনেকেই অভুক্ত রয়েছেন। বিশেষত দিন আনি দিন খাই মানুষগুলোর রোজগার বন্ধ। হাতে টাকা নেই। ফুরিয়েছে বাড়িতে থাকা রসদ। দেশের একাধিক রাজ্যে পরিযায়ী শ্রমিকদের অবস্থাই দেখুন! আধেপেটা খেয়ে রয়েছেন কেউ, আবার কেউ বা কয়েক মাসের সদ্যোজাত, বয়স্ক মা-বাবাকে নিয়ে পড়েছেন অথৈ জলে। টাকা-পয়সা নেই। মাথা গোজার ঠাঁই নেই। যান চলাচল বন্ধ থাকায় দিনের পর অন্য রাজ্যে আটকে রয়েছেন। সকলের মুখেই করুণ আর্তি, “একটু খেতে দিন, নাহলে বাড়িতে পৌঁছে দেওয়ায় ব্যবস্থা করুন।” সংক্রমণ থেকে বাঁচতে সভ্য সমাজ যেখানে গৃহবন্দি। সেখানে সমাজের খেটে খাওয়া মানুষগুলো আজ সংকটে। দেখা দিয়েছে প্রবল খাদ্যসংকট। এই পরিস্থিতিতেও হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা আমাদের সভ্য সমাজের একাংশ দিনরাত ‘চব্য-চষ্য’ রান্না করা রকমারি পদের প্রর্দশন করে চলেছেন নেটদুনিয়ায়। কী অদ্ভুত ‘আয়রনি’ না!

দেখে নিন শর্টফিল্মটি-

[আরও পড়ুন: ‘ভার্চুয়াল ডেট’ থেকে আয় করা টাকায় ৩০০ দুস্থ পরিবারকে খাওয়াবেন অর্জুন কাপুর]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement