Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
ওয়াজিদ

‘একজন হাসিখুশি শিল্পী চলে গেলেন’, করোনা আক্রান্ত ওয়াজিদ খানের প্রয়াণে শোকবার্তা অমিতাভের

'ভাইকে হারালাম', লিখেছেন সোনু নিগম।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২০, ২২:৩৯

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ১, ২০২০, ২২:৩৯

options
link
‘একজন হাসিখুশি শিল্পী চলে গেলেন’, করোনা আক্রান্ত ওয়াজিদ খানের প্রয়াণে শোকবার্তা অমিতাভের zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের উপর যেন অভিশাপ নেমে এসেছে। একের পর এক নক্ষত্রপতন দেখছে রুপোলি জগৎ। ইরফান খান দিয়ে শুরু। তারপর ঋষি কাপুর, যোগেশ গৌর, মোহিত বাঘেল, শচিন কুমার…; গত দু’মাসে একের পর এক শিল্পীকে হারিয়েছে বলিউড। এবার করোনায় আক্রান্ত হয়ে পরপারে পাড়ি দিলেন সংগীত পরিচালক ওয়াজিদ খান। তাঁর মৃত্যুতে সংগীত জগৎ তো বটেই, সিনেদুনিয়াতেও নেমে এসেছে শোকের ছায়া। অমিতাভ বচ্চন, প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, বরুণ ধাওয়ান, বিপাশা বসু, প্রীতি জিন্টা-সহ অনেকেই শোকবার্তা জানিয়েছেন।

সাজিদ-ওয়াজিদ বলিউডের প্রথম সারির সংগীত পরিচালক। এই জুটির গান এখনও সংগীতপ্রেমীদের মোহিত করে। ওয়াজিদের মৃত্যুতে অমিতাভ বচ্চন (Amitabh Bachchan) লিখেছেন, ‘ওয়াজিদ খানের মৃত্যুতে আমি স্তম্ভিত। উজ্জ্বল, হাসিখুশি এক শিল্পী চলে গেলেন।’

Advertisement

[ আরও পড়ুন: জীবনযুদ্ধে হার, প্রয়াত বিখ্যাত সংগীত পরিচালক ওয়াজিদ খান ]

বরুণ ধাওয়ান লিখেছেন, ‘ওয়াজিদ ভাই আমার পরিবারের খুব ঘনিষ্ঠ ছিলেন। আশপাশে যত পজিটিভ মানুষ আছেন, ওয়াজিদ তাঁদের মধ্যে অন্যতম। তোমার গানের জন্য ধন্যবাদ। তোমাকে খুব মনে পড়বে ওয়াজিদ ভাই।’

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া লিখেছেন, ‘মারাত্মক খবর। ওয়াজিদ ভাইয়য়ের যেটা আমার সবসময় মনে থাকবে, তা হল হাসি। সবসময় হাসতেন। খুব তাড়াতাড়ি চলে গেলেন। ওঁর পরিবারের প্রতি আমার সমবেদনা রইল। শান্তিতে থেকো বন্ধু।’

[ আরও পড়ুন: আমফান বিধ্বস্ত সুন্দরবনে টলিউডের কলাকুশলীরা, ঘোড়ামারা দ্বীপে পৌঁছে দিলেন ত্রাণসামগ্রী ]

পরিণীতি লিখেছেন, ‘সবসময় হাসতেন। সবসময় গান গাইতেন। ওঁর সঙ্গে সব মিউজিক সেশন মনে রাখার মতো। আমরা সত্যিই আপনাকে মিস করব।’

তাঁদের সুরে একাধিক হিট গান গেয়েছেন সোনু নিগম৷ ওয়াজিদের মৃত্যুতে শোকার্ত সোনু জানিয়েছেন, ওয়াজিদ ছিলেন তাঁর ভাইয়ের মতো। তিনি যেন তাঁর ভাইকে হারালেন।

কয়েকদিন ধরেই শরীরটা ভাল যাচ্ছিল না তাঁর। কিডনির সমস্যায় জেরবার হয়ে যাচ্ছিলেন ওয়াজিদ খান। কিডনি ট্রান্সপ্ল্যান্টও হয়েছিল তাঁর। তাই এ সংক্রান্ত সমস্যায় বেশ কয়েকবার হাসপাতালে ভরতি হতে হয়েছিল সংগীত পরিচালককে। সেই সময় অবশ্য যমে-মানুষে লড়াইতে জিতে যান ওয়াজিদ। তবে দিনকয়েক আগে আবারও কিডনির সমস্যা দেখা দেয়। তাই তড়িঘড়ি তাঁকে মুম্বইয়ের এক বেসরকারি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। অবস্থা এতটাই খারাপ হয়ে যায় যে তাঁকে চারদিন ভেন্টিলেশনে রাখা হয়। শোনা যায়, করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন তিনি। হাসপাতালে ভরতির দিন থেকে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছিলেন ওয়াজিদ। তবে রবিবার রাতে তিনি হার মানেন। চিকিৎসকরা জানিয়ে দেন, মৃত্যু হয়েছে প্রাণোচ্ছ্বল সংগীত পরিচালকের।

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.