Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • মঙ্গলবার
  • ২১ জুলাই ২০২৬
Angana Roy

‘স্লো বাট স্টেডি ওয়েতে এগোতে চাই’, ‘প্রেম শটস’ নিয়ে আড্ডায় অঙ্গনা

নতুন সিরিজ, প্রেমের সম্পর্ক, পালাবদল, ইন্ডাস্ট্রি সব কিছু নিয়ে কথা বললেন অভিনেত্রী অঙ্গনা রায়।

শম্পালী মৌলিক
শম্পালী মৌলিক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১২:২৩

link
শম্পালী মৌলিক
শম্পালী মৌলিক

শেষ আপডেট: জুলাই ২০, ২০২৬, ১২:২৩

options
link
‘স্লো বাট স্টেডি ওয়েতে এগোতে চাই’, ‘প্রেম শটস’ নিয়ে আড্ডায় অঙ্গনা zoom
'স্লো বাট স্টেডি ওয়েতে এগোতে চাই', 'প্রেম শটস' নিয়ে আড্ডায় অঙ্গনা
Advertisement

দুটো মানুষের হঠাৎ দেখা জীবন কীভাবে বদলে দেয় তাই নিয়েই নতুন সিরিজ ‘প্রেম শটস’। আপনাকে কোন বিষয়টা টানল?

প্রথমত, এই ধরনের নিউএজ রোম্যান্স নিয়ে বাংলায় খুব একটা এক্সপেরিমেন্ট করা হচ্ছে না, অন্যান্য ভাষার তুলনায়। যেমনটা ওটিটি প্ল্যাটফর্মে দেখি। বাংলায় ইয়ুথকে কেন্দ্র করে কাজ কমই হচ্ছে। আমার মনে হয় এই ধরনের কাজ হওয়া দরকার। খুব খুশি প্রথমবার বাংলা জি ফাইভ-এ এমন একটা কাজ করছি। ২৪ জুলাই আসছে সিরিজটা। বিষয়টা যেমন, এটা বিশ্বাস করি ভালোবাসা এমন একটা আবেগ, যে কোনও বয়সের মানুষই রিলেট করতে পারবে। সম্পর্কের টানাপড়েন আছে কিন্তু একটা নতুন আকার দেওয়া হয়েছে। সেটাতেই ইন্টারেস্টেড ফিল করি।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

শ্রীমন্ত সেনগুপ্তর পরিচালনা, সঙ্গে অভিনয়ে বনি সেনগুপ্ত। দু’জনের সঙ্গেই আপনার প্রথম কাজ এটা।

খুবই ভালো লাগছে কাজ করে। পুরো টিমটা ইয়াং। বয়সের কথা বলছি না, এনার্জিটাও। গরমে, বৃষ্টিতে চাপে শুট করেছি আমরা, সবার সঙ্গে খুব ভালো বন্ডিং হয়ে গিয়েছিল। শ্রীমন্তদাকে আমি ছোটবেলা থেকে চিনি। মা (লাজবন্তী রায়) যখন ‘রোজগেরে গিন্নি’ করত, শ্রীমন্তদা ‘এডি’ ছিল। ছোটবেলার স্মৃতি না থাকলেও, ছ’বছর আগে আমার সঙ্গে শ্রীমন্তদার আলাপ হয়, একটা কাজের সূত্রে। সেই কাজটা না হলেও, আমাদের বন্ধুত্ব থেকে গিয়েছে। কখনও কাজ করা হয়নি। এবার ফাইনালি ‘প্রেম শর্টস’-এ কাজ করা হল। এত শান্ত, লেভেল হেডেড পরিচালক কম দেখেছি। আর বনির সঙ্গেও আমার প্রথম কাজ। ভীষণ ফ্রেন্ডলি, আমাকে সহজ করে দিয়েছে। আমাদের বেশিরভাগ সিন একসঙ্গে। প্রচুর আড্ডা হয়েছে। হি ইজ আ ভেরি গুড প্রফেশনাল। এই সিরিজে কলকাতাকে অন্যভাবে দেখবে দর্শক।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by ZEE 5 Bangla (@zee5_bangla)

এই বছর কয়েকটা গুরুত্বপূর্ণ ছবি আসার কথা আপনার। সেই বিষয়ে জানতে চাই।

সৃজিত মুখোপাধ্যায়ের ‘উইঙ্কল টুইঙ্কল’, মৈনাক ভৌমিকের ‘মেড ইন কলকাতা’ আর ব্রাত্য বসুর ‘শেকড়’, দুটো তো এই বছর আসবে জানি। বাকিটা দেখা যাক।

সিরিজ, ধারাবাহিকের পর, ‘পারিয়া’র সাফল্যের পর কেরিয়ার যেভাবে এগোবে ভেবেছিলেন তেমনই কি চলছে?

অ্যাজ আ লিড ‘পারিয়া’ আমার প্রথম থিয়েট্রিকাল রিলিজ, তারপর বাংলায় টিভি সিরিয়াল করলাম। তারপর থেকে যে কাজই করছি, বলব একটা স্টেপ আপ করেছি। সেই ভাবেই প্ল্যান করার চেষ্টা করছি। ‘পারিয়া’ সাফল্য আমাকে সাহায্য করেছে। তবে সাংঘাতিক হেল্প নয়। কারণ ওটা অ্যাকশন মুভি। যেমন হয় হিরো-কেন্দ্রিক। তবে খুব খুশি যে ওটা আমার প্রথম পদক্ষেপ। অনেক ছোটবেলায় ‘আলো’ করেছি। কিন্তু নায়িকা হিসেবে এটাই প্রথম। এই ছবির জন্যই বিক্রম,অভিনব, তথাদাকে মিট করি। এই ধরনের অ্যাকশন সিনেমায় জুটি তৈরি হওয়ার সুযোগ খুব কম। এই যে ‘প্রেম শটস’ করলাম, জুটি তৈরি হওয়ার জায়গা আছে। ‘মেড ইন কলকাতা’-তে তাই। যেখানে আমি আর অনিন্দ্য রয়েছি। আমি এগোতে চাই- স্লো বাট স্টেডি ওয়েতে। আমি গ্রোথে বিশ্বাস করি। মানুষ হিসেবে এবং অভিনেতা হিসেবে সমৃদ্ধ হতে চাই। আশা করি আরও অনেক ভালো খবর দিতে পারব।

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by t2ONLINE (@t2telegraph)

আর রোহন ভট্টাচার্যর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক কোথায় দাঁড়িয়ে?

(হাসি), আমরা আগে এটা নস্যাৎ করে দিতাম। আজকে কারণটা বলছি। আমি দেখেছি, সব সময় অ্যাজ আ কাপল কোথাও গেলে, আইডেনটিটিটা কাপলের হয়ে যায়। সে ব্র্যান্ডিং বলো বা যা কিছু। কাজ নিয়ে কম কথা হয় তখন। যখন আমাদের নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়, তখন আমরা সম্পর্কে ছিলাম না। শুধুই কথা বলতাম। দেড় বছর হল আমরা সম্পর্কে রয়েছি। খুব ভেবেচিন্তেই পদক্ষেপ নিয়েছিলাম যে, আলাদা ভাবে ইভেন্টে যাব। কারণ, দু’জনেরই ব্যক্তিগত আইডেনটিটি আর ক্রেডিবিলিটি তৈরি গুরুত্বপূর্ণ। সেটা যখন এস্টাবলিশ হয়ে গিয়েছে, এখন আমরা অনেক জায়গাতেই একসঙ্গে যাই।

‘প্রেম শটস’-এ বনির সঙ্গে আপনার চুম্বন দৃশ্যে রোহনের আপত্তি ছিল না?

চিত্রনাট্য শোনার পরেই রোহনকে বলেছিলাম এরকম সিকোয়েন্সের কথা। ও জানত, প্রয়োজনে এমন দৃশ্য থাকছে। আপত্তি করেনি। গল্পে একটাই এমন দৃশ্য। যদি রোহনকেও এমন দৃশ্য করতে হয়, নিশ্চয়ই ও করবে। আগে থেকে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে নেওয়াই ভালো। কারণ, কেউই যেন শক না পায়।

কতটা আশাবাদী পালাবদলের পর?

আমি পরিবর্তনে বিশ্বাস করি। নিজে আশাবাদী মানুষ। মনে করি জায়গাটার বদল হতে হবে। যেভাবে দেখি ইন্ডাস্ট্রিকে, কখনও চাইব তার প্রতিনিধিত্ব করতে। একটা জীবন পেয়েছি, তার পুরো সদ্ব্যবহার করতে চাই। নিজের অভিনেতা সত্তা নিয়ে বাংলার মুখ যেন উজ্জ্বল করতে পারি। ইন্ডাস্ট্রির বেসিক বদলগুলো দরকার। ভারত এমনিতেই তৃতীয় বিশ্বের দেশ। আর বাংলা নিয়ে সেই আগের মাতামতি নেই। সেই জায়গা বাংলা ফিরে পাক, এটাই চাইব। এমন তো নয়, বাংলায় ভালো কাজ হয় না। স্থবিরতা চলে এলে কাজে, জীবনে বা মানসিকতায় মানুষ থেমে যায়। বদল যখন হয়েছে, একটু ভালো তো হতেই হবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.