Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ৫ জুন ২০২৬
আর্টিকেল ১৫

মুক্তির আগেই হুমকি ফোন, বেনামি চিঠি ‘আর্টিকেল ১৫’ পরিচালককে

ছবি প্রদর্শন না করার হুমকি দিয়ে বিভিন্ন মাল্টিপ্লেক্সেও পৌঁছেছে চিঠি৷

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০১৯, ২১:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুন ২১, ২০১৯, ২১:৪২

options
link
মুক্তির আগেই হুমকি ফোন, বেনামি চিঠি ‘আর্টিকেল ১৫’ পরিচালককে zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: হাতে আর মাত্র একসপ্তাহ। জুনের শেষ সপ্তাহের ‘ফ্রাইডে রিলিজ’-এর তালিকায় শীর্ষে রয়েছে আয়ুষ্মান খুরানার ‘আর্টিকেল ১৫’। আগামী শুক্রবার, ২৮ জুন মুক্তি পাচ্ছে। ঘোষণার পর থেকেই একাধিকবার খবরের শিরোনামে এসেছে এই ছবি। তবে, এবারের কারণটা একটু আলাদা। মুক্তির আগে প্রতিনিয়ত হুমকি ফোন পাচ্ছেন ছবির পরিচালক অনুভব সিনহা।

[আরও পড়ুন:  এবার সুজিত সরকারের ছবিতে একসঙ্গে অমিতাভ-আয়ুষ্মান]

Advertisement

প্রসঙ্গত, ট্রেলার মুক্তির পরই তোপের মুখে পড়েছিল ‘আর্টিকেল ১৫’। ছবির কাহিনি নিয়ে আপত্তি তুলেছিল পরশুরাম সেনা। তাদের অভিযোগ, এই ছবির প্রেক্ষাপট ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়ের ভাবাবগে আঘাত করেছে। ছবিতে নাকি হীনভাবে দেখানো হয়েছে ব্রাহ্মণ সম্প্রদায়কে। আর তাই ট্রেলার দেখেই রীতিমতো ক্ষুব্ধ হয় পরশুরাম সেনা। অভিযোগ, ব্রাহ্মণদের মধ্যেও উচ্চবর্ণ মহান্তদের নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে এই ছবি। তাঁদের প্রতিপন্ন করা হয়েছে অপরাধী হিসেবে। যা একেবারেই অনুচিত। পরশুরাম সেনার বক্তব্য, যদি ‘পদ্মাবত’ ছবির বিরোধিতা করতে পারে ঠাকুররা, তাহলে নিজের সম্মান রক্ষার্থে তারাই বা ছবির বিরোধিতা করতে পারবে না কেন? এই নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্দোলন করার কথাও জানিয়েছিলেন তাঁরা। পরিচালক অনুভব সিনহার সঙ্গে তাঁরা একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ। কারণ, পরিচালক নাকি তাঁদের ফোন ধরছেন না। আর এবার অনুভবকেই ফোনে এবং মেল করে নানাভাবে হুমকি দেওয়া হচ্ছে, বলে জানা গিয়েছে। এমনকী, মুক্তির আগে বিভিন্ন মাল্টিপ্লেক্সেও বেনামি চিঠি গিয়েছে এই মর্মে যে ছবি প্রদর্শিত হলেই বাহ্মণ সম্প্রদায়ের রোষানলে পড়তে হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৪ সালে বদায়ুঁ ধর্ষণের ঘটনা গোটা দেশে তোলপাড় ফেলে দিয়েছিল। উত্তরপ্রদেশের আসনে তখন ছিলেন অখিলেশ যাদব। পুলিশের তদন্তের পর দেখা যায় অভিযুক্তদের তালিকা বেশ লম্বা। পাপ্পু যাদব, অবধেশ যাদব, উর্বেশ যাদব, ছত্রপাল যাদব ও সর্বেশ যাদবের বিরুদ্ধে ছিল অভিযোগ। এদের মধ্যে আবার ছত্রপাল ও সর্বেশ যাদব পুলিশেরই কর্মী ছিল। অভিযুক্তদের নামের তালিকা প্রকাশ্যে আসার পর এই ধর্ষণের মামলায় মাথা না ঘামানোর অভিযোগ ওঠে পুলিশের বিরুদ্ধে। তৎকালীন যাদব সরকার ও সমাজবাদী পার্টির অঙ্গুলি হেলনেই মামলা থেকে হাত গুটিয়ে নিয়েছিল পুলিশ, এমনটাই শোনা গিয়েছিল। ‘আর্টিকেল ১৫’-এ এই পুরো ঘটনাটাই তুলে ধরা হবে।

[আরও পড়ুন:  ট্রেলার মুক্তি পেতেই বিতর্ক, ব্রাহ্মণদের রোষের মুখে আয়ুষ্মানের ‘আর্টিকল ১৫’]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.