Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Actor-MP Dev

করোনা মোকাবিলায় এবার নিজের অফিসকেই আইসোলেশন সেন্টার বানালেন দেব

নতুন আর কী কী উদ্যোগ নিলেন তারকা সাংসদ?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২১, ০১:০১

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৯, ২০২১, ০১:০১

options
link
করোনা মোকাবিলায় এবার নিজের অফিসকেই আইসোলেশন সেন্টার বানালেন দেব zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনার (Corona Virus) দ্বিতীয় পর্যারে ফের ত্রাতা হয়ে উঠেছেন অভিনেতা-সাংসদ দেব (Dev)। একদিকে কোভিড (COVID-19) রোগীদের জন্য বিনামূল্যে নিজের রেস্তরাঁ থেকে খাবার বিতরণ করছেন, অন্যদিকে সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমে নানা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য শেয়ার করে চলেছেন। এমন পরিস্থিতিতেই এবার নতুন উদ্যোগ নিলেন ঘাটালের সাংসদ (TMC MP)।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে দেব লিখেছেন, “আমি আমার ঘাটাল লোকসভা কেন্দ্রের ডেবরার অফিসটিকে এ বছর আবার আইসোলেশন সেন্টার করে দিয়েছি। তার পাশাপাশি আমরা অ্যাম্বুল্যান্স, ওষুধ, অক্সিজেন এবং খাবারও সরবরাহ করছি।” ছবির মাধ্যমে যোগাযোগের জন্য ফোন নম্বরও দিয়েছেন দেব।  তাঁর উৎসাহেই রাজ্যের তিন জায়গায় কমিউনিটি কিচেন খোলা হয়েছে। 

Advertisement

[আরও পড়ুন: ওয়েব সিরিজ ‘ম্যাঁও’ মুক্তির আগেই করোনা আক্রান্ত পরিচালক, দ্রুত আরোগ্য কামনা মৈনাকের]

গত বছর থেকেই করোনা মোকাবিলায় ব্রতী দেব। বহু পরিযায়ী শ্রমিককে ঘরে ফেরার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন। নিজের লোকসভা কেন্দ্র ঘাটালে করোনা আক্রান্তদের আত্মীয় পরিজনদের জন্য বিনা খরচে খাবারের বন্দোবস্ত করে দিয়েছিলেন। এ বছরও যতবার ভোটের প্রচারে গিয়েছেন, নিজের বক্তব্যের আগে সকলকে মাস্ক পরার পরামর্শ দিয়েছেন।

সম্প্রতি জনৈক নীলঞ্জিত গায়েন নামে এক ব্যক্তি একটি ছোট্ট মেয়ের ভিডিও বার্তা টুইট (Tweet) করেন। ওই ভিডিও বার্তার মাধ্যমে নিজের পরিবারের দুরবস্থার কথাই জানায় তিতলি। জানা যায়, বাবা সন্দীপ এবং মা মুনমুন দত্তের সঙ্গে চুঁচুড়ার অন্তার বাগানে ভাড়া বাড়িতে বাস তার। বাবা সন্দীপ পেশায় একজন সেলসম্যান ছিলেন। তবে তিন বছর ধরে আয় প্রায় বন্ধ। কারণ আয়ের পথে বাদ সেধেছে বাবার শারীরিক অসুস্থতা। প্রথমে প্যাংক্রিয়াসের সমস্যা ধরা পড়ে। মধুমেহর কারণে কিডনি এবং লিভারজনিত সমস্যাও ছিল। প্যাংক্রিয়াসের অস্ত্রোপচারই ছিল সন্দীপবাবুকে সুস্থ করে তোলার একমাত্র উপায়। তবে অস্ত্রোপচারের জন্য প্রয়োজনীয় সাড়ে ৬ লক্ষ টাকা জোগাড় করা হয়নি। তাই বেঙ্গালুরুতে গিয়েও অস্ত্রোপচার করা সম্ভব হয়নি। কলকাতায় ফিরে এসে ওষুধ তো দূর অস্ত, দু’বেলা দু’মুঠো অন্ন সংস্থান হওয়াও কঠিন। ছোট্ট তিতলির ভিডিও বার্তার উত্তর দিয়ে তার পাশে দাঁড়ান তারকা সাংসদ। দেবের টিম ইতিমধ্যেই তিতলির সঙ্গে যোগাযোগ করেছে বলে খবর। পাশে দাঁড়িয়েছেন চুঁচুড়ার বিধায়ক অসিত মজুমদারও।

[আরও পড়ুন: করোনা আক্রান্ত কবি জয় গোস্বামীর শারীরিক অবস্থা উদ্বেগজনক

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.