সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: গলায় মারাত্মক সমস্যা। এক মাস গান গাইতে পারবেন না সাহানা বাজপেয়ী (Sahana Bajpaie)। ফেসবুকে নিজের সমস্যার কথা জানান সংগীতশিল্পী।এই এক মাস সাহানার চিৎকার করা বা জোরে কথা বলাও বারণ।

ফেসবুকে সাহানা জানিয়েছেন, তাঁর কণ্ঠে হেমারেজ অর্থাৎ রক্তক্ষরণ হয়েছে। একটি স্ট্রোবোস্কোপিক পরীক্ষার মাধ্যমে একথা জানতে পেরেছেন তিনি। গায়িকার ঠিক হতে অন্তত এক মাস সময় লাগবে। এই সময়ের মধ্যে তিনি গান তো গাইতেই পারবেন না। জোরে কথাও বলা বা চিৎকার করতে পারবেন না। একথা জানিয়ে সাহানা লেখেন, “দয়া করে আমায় সহ্য করে নিন, আমি নিজের এই নিশ্চুপ সত্ত্বাকে সহ্য করে নেব। নিজের এই দিকটি দেখতে দেখতে চাই! যাঁদের দেখে আমি চিৎকার করে থাকি বা করতে পারি, তাঁরা দয়া করে একটা দিন আমার থেকে দূরে থাকুন। আমিও কৃতজ্ঞ হয়ে দূরে থাকব।”

নেটদুনিয়া সূত্রে যা যাচ্ছে, সেই অনুযায়ী অতিরিক্ত কণ্ঠের ব্যবহার (যেমন – গান গাওয়া) হলে এই ধরনের হেমারেজ হয়। একটু যত্ন নিলেই বিষয়টি ঠিক হয়ে যায়। তবে জোরে কথা না বলা বা চিৎকার না করার নিয়মটি অবশ্যই কড়া ভাবে মানতে হয়। খাবার খাওয়ার সময়ও সাবধানে থাকতে হয়। অনেককে আবার ভয়েস থেরাপিও করাতে হয়। অবশ্য ভয়েস বক্সের হেমারেজে কণ্ঠের স্থায়ী ক্ষতির সম্ভাবনা কম।

‘তাসের দেশ’ সিনেমার মাধ্যমে বাংলা সিনেমার জগতে প্লে-ব্যাক সিঙ্গার হিসেবে নিজের সফর শুরু করেন সাহানা। ‘হাওয়া বদল’, ‘ষড়রিপু’, ‘রেনবো জেলি’, ‘কণ্ঠ’ থেকে সাম্প্রতিক ‘অল্প হলেও সত্যি’র মতো সিনেমাতেও গান গেয়েছেন তিনি। এছাড়াও তাঁর সোলো অ্যালবাম বাংলার সংগীতপ্রেমীদের বেশ পছন্দের। সেই তালিকায় আবার রয়েছে ‘যা বলো তাই বলো’, ‘মন বান্ধিবি কেমনে’র মতো অ্যালবাম।
সর্বশেষ খবর
-
ঋত-তৃণমূলে এবার ব্রাত্যও? ঘাসফুল শিবিরে ভাঙনের মরশুমে তুঙ্গে জল্পনা
-
ফুলবাগানের মন্দির তহবিল থেকে ‘চুরি’ ৪৪ লক্ষ, অভিযোগ দায়ের কমিটির
-
আর্জেন্টিনার জয়ে উল্লাস করতে গিয়ে মৃত্যু! বাংলাদেশে মর্মান্তিক পরিণতি তরুণের
-
হেঁশেলে খুন্তি নাড়া নাপসন্দ আজকের তরুণ প্রজন্মের! কারণ জানলে চমকে যাবেন
-
‘বাঘ নয়, অভিষেক বাঘরোল’, মমতার মন্তব্যের বিরোধিতায় সরব ঋতব্রত