৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

গায়িকা কণিকা কাপুরের প্লাজমা করোনা চিকিৎসার জন্য নেওয়া হবে না

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: May 13, 2020 4:10 pm|    Updated: May 13, 2020 4:10 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: করোনা বিতর্ক যেন কিছুতেই পিছু ছাড়তে চাইছে না ‘বেবি ডল’ গায়িকার! নিজে করোনামুক্ত হয়ে অন্যান্য রোগীদের সুস্থ করে তোলার জন্যে প্লাজমা দানের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন কণিকা কাপুর। বলিউড গায়িকা আগ্রহ দেখানোয় এপ্রিল মাসের শেষ সপ্তাহ নাগাদ তাঁর রক্তও পরীক্ষা করা হয়েছিল। তবে, সেসময়ে তাঁর রক্তে হিমোগ্লোবিন স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকায়, তাঁর প্লাজমা নেওয়া যায়নি। চিকিৎসকরা কণিকাকে আরও দিন কয়েক অপেক্ষা করার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু অবশেষে বলিউড গায়িকার প্লাজমা দানের ইচ্ছে আর পূরণ হল না।

লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি, যেখানে কণিকা তাঁর রক্তের নমুনা পাঠিয়েছিলেন সেখান থেকে সাফ জানিয়ে দেওয়া হয়েছে যে তাঁর পারিবারিক রোগভোগের ইতিহাসের জন্যই কণিকার প্লাজমা সংগ্রহ করা যাবে না। তবে COVID-19 গবেষণার কাজে লাগানো যেতে পারে। উল্লেখ্য, প্লাজামা দাতার রক্তে হিমোগ্লোবিন নূন্যতম ১২.৫ গ্রাম প্রতি ডেসিলিটর এবং শরীরের ওজন ৫০ কেজির বেশি হতে হয়। তাঁর ডায়াবেটিস, কার্ডিও সমস্যা, ম্যালেরিয়া, সিফিলিস বা এই ধরনের অন্য কোনও রোগের ইতিহাস থাকা চলবে না। তবেই সেই প্লাজমা গবেষণার কাজে লাগানো যায়। তবে কণিকার প্লাজমা ঠিক কী কারণে ব্যবহার সম্ভব নয়, তা জানানো হয়নি কিং জর্জস মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির তরফে।

[আরও পড়ুন: ‘৬ বছর ধরে আত্মনির্ভর ভারতের জন্যই টাকা জমাচ্ছিলেন’, মোদিকে কটাক্ষ অনুরাগের]

উল্লেখ্য এর আগে লখনউয়ের এই মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটির তরফে জানানো হয়েছিল, কণিকা কাপুরের রক্তের নমুনা পরীক্ষা করে দেখা গিয়েছে হিমোগ্লোবিন স্বাভাবিকের তুলনায় কম রয়েছে। ফলে, এক্ষুনি প্লাজমা দিতে পারবেন না তিনি। তবে, প্লাজমা দানের জন্য কণিকাকে আরও কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে বলেই জানানো হয়েছিল। কারণ, ততদিনে হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ স্বাভাবিক হয়ে যেতে পারে। তখন আর প্লাজমা দানে বাঁধা থাকবে না। কিন্তু এবার পরিষ্কার জানিয়ে দেওয়া হল যে বলিউড গায়িকার প্লাজমা করোনা চিকিৎসার কাজে লাগবে না।

প্রসঙ্গত, মার্চ মাসে কণিকা কাপুরের কোভিড টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে। এর পরে দীর্ঘ দিন তিনি চিকিৎসাধীন ছিলেন। এরপরও বার বার তাঁর করোনা টেস্ট পজিটিভ এসেছে। যার জন্যে একটা সময়ে মানসিকভাবে তিনি ভেঙে পড়েছিলেন। কোয়ারান্টাইনে থেকে, চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণে থেকেও কিছুতেই সেরে উঠছিলেন না তিনি। তবে মারণ ভাইরাসের বিরুদ্ধে দীর্ঘ লড়াই করে তিনি শেষমেশ ছাড়া পান হাসপাতাল থেকে।

[আরও পড়ুন: ‘রোগকে ঘেন্না করুন, রোগীদের নয়’, করোনা জয়ীদের মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে উদ্বিগ্ন অমিতাভ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement