Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২২ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ৬ জুন ২০২৬
Dhruv Rathee

‘ধুরন্ধর ২’কে লাগাতার কটাক্ষ ধ্রব রাঠির, জামাই রণবীরের হয়ে পালটা ‘স্ম্যাশ’ প্রকাশ পাড়ুকোনের!

'ধুরন্ধর' ফ্র্যাঞ্চাইজিকে ক্রমাগত 'বিজেপির প্রোপাগান্ডা' বলে তোপ ধ্রব রাঠির। এবার জামাই রণবীর সিংয়ের সঙ্গে হাত মিলিয়ে ইউটিউবারকে পালটা বিদ্রুপবাণ কিংবদন্তি ব্যাডমিন্টন তারকার।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ১৪:৫২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১৫, ২০২৬, ১৪:৫২

options
link
‘ধুরন্ধর ২’কে লাগাতার কটাক্ষ ধ্রব রাঠির, জামাই রণবীরের হয়ে পালটা ‘স্ম্যাশ’ প্রকাশ পাড়ুকোনের! zoom
জামাই রণবীর সিংয়ের হয়ে ধ্রুব রাঠিকে পালটা বিদ্রুপবাণ ছুড়লেন শ্বশুর প্রকাশ পাড়ুকোন।

“৩০০ কোটির প্রোপাগান্ডা ছবিকে আমিই শেষ করব…”, গত ডিসেম্বরেই ‘ধুরন্ধর’কে ধূলিসাৎ করার চ্যালেঞ্জ ছুড়েছিলেন ধ্রুব রাঠি। বক্স অফিসে যখন সেই সিনেমা বিজয়রথ ছোটাচ্ছিল, তখন ‘বিজেপির প্রোপাগান্ডা’র তকমা সেঁটে ছবির ব্যবসা বন্ধ করার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি। সিক্যুয়েল রিলিজের পরও পরিচালক আদিত্য ধরকে ‘বিজেপির চাটুকার’ বলে আক্রমণ শানিয়েছিলেন। শুধু তাই নয়, ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’কে ‘বিজেপির নির্লজ্জ প্রোপাগান্ডা’ বলেও তোপ দাগেন ইনফ্লুয়েন্সার! এবার জামাই রণবীর সিংয়ের হয়ে ইউটিউবারকে পালটা বিদ্রুপবাণ ছুড়লেন শ্বশুর প্রকাশ পাড়ুকোন।

তারকা শ্বশুর-জামাইয়ের সমীকরণের চেয়েও দর্শকমহলের নজর কাড়ে বিজ্ঞাপনের এক দৃশ্য। যেখানে এক সিনেমার পোস্টারে লেখা ‘বাভান্ডর: দ্য টর্নেডো’। আর সেই পোস্টার দেখেই অনুরাগীদের অনুমান, ধ্রব রাঠিকে বিঁধতেই বিজ্ঞাপনে ওই পোস্টার রাখা হয়েছে।

সম্প্রতি রণবীর সিং অভিনীত সিনেমাকে ‘বিজেপির বিগ বাজেট নির্বাচনী বিজ্ঞাপন’ বলে তোপ দেগেছিলেন ধ্রব। এবার নতুন বিজ্ঞাপনী ভিডিওয় অভিনব কায়দায় তাঁকে পালটা জবাব ছুড়লেন শ্বশুর-জামাই। সম্প্রতি রণবীর সিং ও প্রকাশ পাড়ুকোনের একটি বিজ্ঞাপনী ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে। যেখানে দু’জনকে রসিকতায় মাততে দেখা যায়। তবে তারকা শ্বশুর-জামাইয়ের সমীকরণের চেয়েও দর্শকমহলের নজর কাড়ে বিজ্ঞাপনের এক দৃশ্য। যেখানে এক সিনেমার পোস্টারে লেখা ‘বাভান্ডর: দ্য টর্নেডো’। আর সেই পোস্টার দেখেই অনুরাগীদের অনুমান, ধ্রব রাঠিকে বিঁধতেই বিজ্ঞাপনে ওই পোস্টার রাখা হয়েছে। কারণ ‘ধুরন্ধর’-এর সমালোচনা করে একাধিক ভিডিওয় ধ্রুবকে ‘অপারেশন বাভান্ডর’ নামক এক কাল্পনিক চরিত্রের কথা বলতে শোনা গিয়েছিল। সেই প্রসঙ্গ টেনেই কি এবার বিজ্ঞাপনের দৃশ্যে ‘বাভান্ডর: দ্য টর্নেডো’ পোস্টার রাখলেন রণবীর? এহেন কৌতূহলেই সরগরম নেটপাড়া। অনুরাগীদের মন্তব্য, ‘এর থেকে সংযতভাবে ধ্রুব রাঠিকে জবাব দেওয়া যেত না।’ কেউ বা আবার শ্বশুর-জামাইয়ের রসিকতা দেখে বললেন, ‘তোমরা আসলে কাকে বিঁধেছ, সেটা আমরা ঠিক ধরে ফেলেছি!’ এককথায় রণবীর ও প্রকাশ পাড়ুকোনের এই বিজ্ঞাপনী ভিডিও নিয়ে তোলপাড় নেটভুবন।

Advertisement
রণবীর সিংয়ের হয়ে ইউটিউবারকে পালটা বিদ্রুপবাণ ছুড়লেন শ্বশুর প্রকাশ পাড়ুকোন। ছবি-ইনস্টাগ্রাম

‘ধুরন্ধর’ সিক্যুয়েল মুক্তির পর এক্স হ্যান্ডেলে পরিচালককে বিঁধে ধ্রুব রাঠি লিখেছিলেন, “৩ মাস আগে আদিত্য ধরকে বিজেপির প্রোপাগান্ডিস্ট (প্রচারক) বলে সম্বোধন করেছিলাম আমি। কারণটা তো এখন সকলে দেখতেই পাচ্ছেন। আগের সিনেমায় বিষয়টা ধূর্তভাবে পরিবেশন করলেও এবার কিন্তু অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসের জেরে নির্লজ্জের মতো প্রোপাগান্ডা ফুটিয়ে তুলেছেন। মনে আছে আমি বলেছিলাম, সূচারুভাবে তৈরি প্রোপাগান্ডা আরও বিপজ্জনক? কিন্তু এবার তো পরিবেশনায় ‘দক্ষতা’র ছাপও রইল না!” এখানেই শেষ নয়!

“পরিচালক মহাশয় তো মহাচাটুকার! ছবির শুরুতে ‘বাস্তব ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত’ না লিখে, লেখা উচিত ছিল ‘হোয়াটসঅ্যাপের ফরওয়ার্ড মেসেজ থেকে অনুপ্রাণিত। সিনেমায় কখনও আপনারা দাউদ ইব্রাহিমের আসল নাম ব্যবহার করছেন তো কখনও বা আবার নরেন্দ্র মোদির আসল ফুটেজ দেখাচ্ছেন, এরপরও বিষয়টা কাকতালীয় বলেও দাবি করবেন? ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে নোটবন্দির মতো বিষয়কে যেভাবে ‘মাস্টারস্ট্রোক’ বলে মহিমান্বিত করা হয়েছে, সেটা আমজনতার কষ্ট নিয়ে উপহাস ছাড়া আর কিছুই নয়!” 

আরেক ভিডিওয় ইউটিউবার বলেন, “‘ধুরন্ধর ২’ সিনেমাটা আদতে বিনোদনের জন্য বানানো হয়নি। এই ছবি আসলে ভোটের মুখে বিজেপির সবথেকে ব্যয়বহুল নির্বাচনী বিজ্ঞাপন। যেটা দেখার জন্য আপনাদের নিজের পকেট থেকেই ৫০০ টাকা খরচ করতে হচ্ছে। আর পরিচালক মহাশয় তো মহাচাটুকার! ছবির শুরুতে ‘বাস্তব ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত’ না লিখে, লেখা উচিত ছিল ‘হোয়াটসঅ্যাপের ফরওয়ার্ড মেসেজ থেকে অনুপ্রাণিত। সিনেমায় কখনও আপনারা দাউদ ইব্রাহিমের আসল নাম ব্যবহার করছেন তো কখনও বা আবার নরেন্দ্র মোদির আসল ফুটেজ দেখাচ্ছেন, এরপরও বিষয়টা কাকতালীয় বলেও দাবি করবেন? ‘ধুরন্ধর: দ্য রিভেঞ্জ’ ছবিতে নোটবন্দির মতো বিষয়কে যেভাবে ‘মাস্টারস্ট্রোক’ বলে মহিমান্বিত করা হয়েছে, সেটা আমজনতার কষ্ট নিয়ে উপহাস ছাড়া আর কিছুই নয়! এটা আসলে দর্শককে প্রভাবিত করার স্ট্র্যাটেজি মাত্র। যাতে বাস্তব আর কল্পনার জগৎ গুলিয়ে ফেলেন তাঁরা। প্রথমে আমজনতার মধ্যে আবেগ তৈরি করো, তারপর নিজেদের ন্যারেটিভ তাঁদের মগজে ঢুকিয়ে দাও! ঠিক যেন কাউকে অত্যন্ত ঝাল লঙ্কা খাইয়ে তার পর তাকে মিষ্টি কিনতে বাধ্য করার মতো।”

 
 
 
 
 
View this post on Instagram
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 
 

A post shared by RuPay (@rupay_npci)

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.