Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ১৩ আষাঢ় ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ২৯ জুন ২০২৬
Prabhat Roy

হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন প্রভাত রায়, ‘লড়াকু মানসিকতা বাবিকে ভেঙে পড়তে দেয়নি’, জানালেন একতা

কেমন আছেন এখন প্রবীণ পরিচালক?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৫, ১৩:২০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ২০, ২০২৫, ১৩:২০

options
link
হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন প্রভাত রায়, ‘লড়াকু মানসিকতা বাবিকে ভেঙে পড়তে দেয়নি’, জানালেন একতা zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: দিন কয়েক আগেই গুরুতর অসুস্থার জেরে দক্ষিণ কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে ভর্তি করানো হয় প্রভাত রায়কে। কিডনি সংক্রান্ত সমস্যায় আগে থেকেই ভুগছিলেন। চলছিল ডায়ায়ালিসিসও। তার পর বাড়ি ফিরতেই শারীরিক পরিস্থিতির অবনতি হওয়ায় ফের হাসপাতাসে ভর্তি করাতে হয় টলিউডের বর্ষীয়ান পরিচালককে। কেমন আছেন এখন প্রবীণ পরিচালক? জানালেন কন্যা একতা ভট্টাচার্য।

আগের তুলনায় প্রভাতবাবু এখন অনেকটাই স্থিতিশীল বলে জানিয়েছেন একতা। রবিবার রাতে হাসপাতাল থেকে তাঁকে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। শারীরিক পরিস্থিতি আগের তুলনায় অনেকটাই স্থিতিশীল। তবে শরীর এখনও বেশ দুর্বল। বয়স বাড়ার সঙ্গে প্রভাত রায়ের বার্ধক্যজনিত সমস্যাগুলো বাড়ছে বলেই জানিয়েছেন একতা। সংবাদমাধ্যমের কাছে তাঁর মন্তব্য, “লড়াকু মানসকতা বাবিকে ভেঙে পড়তে দেয়নি। আর আমাকেও এই পরিস্থিতির সঙ্গে লড়াই করার সাহস জুগিয়েছে।” চলতি সপ্তাহে প্রভাত রায়ের তিনটি ডায়ালিসিস হবে বলে জানা গিয়েছে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

এর আগে সংবাদমাধ্যমের কাছে একতা ভট্টাচার্য জানিয়েছিলেন, দিন দুয়েকের জন্য তিনি হায়দরাবাদে গিয়েছিলেন স্বামীর কাছে। যেহেতু কর্মসূত্রে সেখানেই থাকেন একতার স্বামী, তাই প্রভাত রায়ই তাঁকে একপ্রকার জোর করে হায়দরাবাদ পাঠিয়েছিলেন। তবে দূরে গিয়েও সর্বক্ষণ ফোনে বাবার সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন তিনি। কিন্তু রাতে ভিডিও কল করে দেখেন, বর্ষীয়ান পরিচালকের চোখের তলা ফুলে রয়েছে। তারপরই পরিস্থিতি বেগতিক দেখে প্রতিবেশীদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন একতা এবং তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার সিদ্ধান্ত নেন।

পরিচালক প্রভাত রায় (Prabhat Roy) মানেই ‘প্রতিদান’, ‘শ্বেত পাথরের থালা’, ‘লাঠি’, ‘পিতৃভূমি’, ‘শুভদৃষ্টি’, ‘যোদ্ধা’, ‘সেদিন চৈত্রমাস’-এর মতো সিনেমা। বাংলার একাধিক তারকাকে সিনেমায় ব্রেক দিয়েছেন তিনি। পেয়েছেন জাতীয় পুরস্কার। এখন বয়সের ভার অনেকটাই। বছর খানেক আগে স্ত্রীকে হারিয়েছেন। নিজেও একাধিকবার অসুস্থতায় ভুগেছেন। তবে আবারও ঘুরে দাঁড়িয়েছেন। জীবনের এই লগ্নে এসে মেয়ে একতার হাত ধরে নতুন ইনিংস শুরু করেছেন তিনি। খুলে ফেলেছেন প্রযোজনা সংস্থা। যেখানে বর্ষীয়ান পরিচালক ছবির বিষয় ভাবনা, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লেখার পাশাপাশি ক্রিয়েটিভ ডিরেক্টরের দায়িত্বও সামলাচ্ছেন।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.