সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আন্তর্জাতিক আঙিনায় সমাদৃত হয়েছে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের কন্যাশ্রী প্রকল্প (Kanyashree)। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) সেই স্বপ্নের প্রকল্পই এবার সেলুলয়েডের পর্দায়। কন্যাশ্রীর নেপথ্যের কারিগর মমতার ভূমিকায় রয়েছেন কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। ‘সুকন্যা’ (Sukanya) নামে সেই ছবি এবার মুক্তির আলো দেখতে চলেছে।
ছবির কাস্টিংয়েও চমক! কনীনিকা বন্দ্যোপাধ্যায় (Koneenica Banerjee), খরাজ মুখোপাধ্যায়, দেবশঙ্কর নাগের মতো দক্ষ শিল্পীদের পাশাপাশি অভিনয় করেছেন এক তৃণমূল নেতা এবং রাজ্যের এক মন্ত্রী। রাজ্য পুলিশের ডিজির ভূমিকায় রয়েছেন রাজ্যসভার প্রাক্তন তৃণমূল সাংসদ শান্তনু সেন। যিনি নিজেও আর জি করের প্রাক্তনী। অন্যদিকে ছবিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন মন্ত্রী স্বপন দেবনাথ। মমতার বিরোধী দলনেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠার সফর দেখানো হবে এই সিনেমায়। সমান্তরালে থাকছে কন্যাসন্তানকে নিয়ে এক মায়ের অদম্য লড়াইয়ের কাহিনীও। সরকারি প্রকল্পের সুবিধে পেয়ে সেই মেয়েটি কীভাবে জীবনে প্রতিষ্ঠিত হবে, সেই গল্পই দেখা যাবে ছবিতে। এককথায়, সমাজে নারীদের অবস্থান, অধিকারের লড়াই এবং নারী ক্ষমতায়নের বিষয় ফুটে উঠবে ‘সুকন্যা’তে।

গতবছর তেইশ সালের পুজোর মরশুমেই ‘সুকন্যা’র শুটিং শেষ হয়েছিল। সম্পাদনা, ডাবি যাবতীয় কাজ সেরে রিলিজ করার কথা ছিল আগস্ট মাসের ৩০ তারিখে। কিন্তু সেইসময়ে আর জি কর কাণ্ডের উত্তপ্ত আবহে ছবির মুক্তি সমীচীন নয় বলেই নির্মাতারা দিনক্ষণ পিছিয়ে দেন। প্রযোজক সমীর মণ্ডল সংবাদমাধ্যমের কাছে জানিয়েছেন, বাণিজ্যিক কারণেই সিনেমার রিলিজ পিছিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কারণ সেইসময়ে পরিস্থিতি অন্যরকম ছিল। এখন সেটা বদলেছে। মানুষও স্বাভাবিক জীবনে ফিরেছেন। তাই নভেম্বরেই মুক্তির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। শেষমেশ শুক্রবার মুক্তি পাচ্ছে কন্যাশ্রী প্রকল্প নিয়ে নির্মিত ছবি ‘সুকন্যা’।
সর্বশেষ খবর
-
‘হিন্দু বলে আমার মাকেও পালিয়ে আসতে হয়েছিল’, চিন্ময় প্রভুর চোখের জল দেখে অতীত স্মরণ শুভেন্দুর
-
ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বৃহত্তর পরিসরে, প্রয়াত কেতকী কুশারী ডাইসন
-
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে রাজ-শুভশ্রীর জলকেলি, ছেলে যুবানের জন্মদিনে রোম্যান্টিক টুইস্ট!
-
‘বাঙালি নিরামিষ খেয়ে পুষ্পাঞ্জলি, মাছ দিয়ে প্রসাদ দিতে জানে’, বাগেশ্বর বিতর্কে সোজাসাপ্টা শুভেন্দু
-
যুদ্ধ ‘কাঁটা’ সরিয়ে দিল্লি ঘোষণাপত্রে সহমত ‘শত্রু’ ইরান-আমিরশাহী, বড় কূটনৈতিক সাফল্য ভারতের