Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৪ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • সোমবার
  • ৮ জুন ২০২৬
Kangana Ranawat

রাজনীতিতেও কঙ্গনার প্রতিপক্ষ ‘নেপো কিড’! ‘বাপ-ঠাকুরদার সম্পত্তি নাকি?’ ফুঁসছেন পদ্মপ্রার্থী

কংগ্রেস মন্ত্রীকে পালটা কটাক্ষ কঙ্গনার রানাউতের।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৪, ১০:৪৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১২, ২০২৪, ১০:৪৮

options
link
রাজনীতিতেও কঙ্গনার প্রতিপক্ষ ‘নেপো কিড’! ‘বাপ-ঠাকুরদার সম্পত্তি নাকি?’ ফুঁসছেন পদ্মপ্রার্থী zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বলিউডের স্বজনপোষণকে ব্রেআব্রু করে ছেড়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত (Kangana Ranaut)। খান-কাপুর সাম্রাজ্যকে ‘নেপোটিজমের ঝান্ডাধারী’ আখ্যা দিয়ে বছর খানেক ধরেই বিটাউনে লড়াই জারি রেখেছেন অভিনেত্রী। এবার রাজনীতির ময়দানেও তাঁর পিছু ছাড়ল না ‘নেপো কিড’! হিমাচল প্রদেশের মাণ্ডি কেন্দ্র থেকে বিজেপির তুরুপের তাস কঙ্গনা। শোনা যাচ্ছে, ‘ক্যুইন’-এর বিরুদ্ধে নাকি কংগ্রেসের তরফে লড়ছেন সেখানকার ‘রাজপুত্র’ বিক্রমাদিত্য সিং। যাঁর পারিবারিক রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ডও বেশ পোক্ত। মা-বাবা দুজনেই হেভিওয়েট রাজনীতিক হিসেবে পরিচিত হিমাচলে।

ইতিমধ্যেই প্রচারের ময়দানে ‘রাজা’কে কিস্তিমাত দিচ্ছেন ‘ক্যুইন’। বিক্রমাদিত্যর মা প্রতিভা সিং কংগ্রেস সাংসদ। বাবা বীরভদ্র সিং ছিলেন ৬ বারের মুখ্যমন্ত্রী। স্বর্গত পিতার পথে হেঁটেই বর্তমানে নগরোন্নয়ন মন্ত্রীর দায়িত্ব সামলাচ্ছেন বিক্রমাদিত্য। গান্ধী পরিবারের সঙ্গেও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তাঁদের।
দিন কয়েক আগেই কঙ্গনাকে কটাক্ষ করে বিক্রমাদিত্য সিং বলেছিলেন, “হিমাচল দেবদেবীদের পবিত্র স্থান। দেবভূমি বলা হয়। এখানে গোমাংস ভক্ষণকারীরা ভোটে লড়ছেন। এটা কিন্তু হিন্দু সংস্কৃতির জন্য ভীষণ উদ্বেগের। যার রাজনীতির সঙ্গে কোনও সম্পর্ক নেই সেও টিকিট পাচ্ছে। হে রাম ওঁকে বুদ্ধি দিন।” শুধু তাই নয়, বিজেপির তারকা প্রার্থীকে ‘কন্ট্রোভার্সি ক্যুইন’ বলেও তোপ দাগেন তিনি। এবার সেই প্রেক্ষিতেই ফের রণংদেহি মেজাজে ধরা দিলেন পদ্মপ্রার্থী ‘ক্যুইন’।

Advertisement

[আরও পড়ুন: উত্তরবঙ্গে গড় বাঁচাতে ‘জাত গোখরো’ই বিজেপির অস্ত্র, রবিবার থেকে প্রচারে মিঠুন]

কোনওরকম রেয়াত না করেই মাণ্ডিতে প্রচারের মিছিলে বিক্রমাদিত্যর উদ্দেশে একেবারে চাঁচাছোলা ভাষায় কঙ্গনা রানাউত বলেন, “এটা তোমার বাপ-ঠাকুরদার সম্পত্তি নয় যে তুমি আমাকে ধমকে, ভয় দেখিয়ে ফেরৎ পাঠাবে। এটা নরেন্দ্র মোদির নতুন ভারত, যেখানে একটা ছোট, দুস্থ চা বিক্রেতা এখন দেশের প্রধান সেবক।” শুধু তাই নয়, রাহুল গান্ধীকে বড় পাপ্পু এবং বিক্রমাদিত্যকে ছোট পাপ্পু বলেও কটাক্ষ করেন কঙ্গনা রানাউত। তাঁর সংযোজন, “একজন দিল্লিতে থাকে, আরেকজন হিমাচলে। বিক্রমাদিত্যকে জিজ্ঞেস করতে চাই, ও আমাকে অশুচি কেন ভাবে? আমি মুম্বইতে নিজের পায়ের তলার মাটি শক্ত করতে বাবা-মায়ের নাম ব্যবহার করিনি বলে? বলিউডেও যেমন সাম্রাজ্যবাদের বিরুদ্ধে লড়েছি, এখানে হিমাচলেও লড়ব।”

[আরও পড়ুন: ইদে মন্নত, গ্যালাক্সির সিংহদুয়ারে জনজোয়ার! শাহরুখ-সলমনের ভক্তদের লাঠিচার্জ পুলিশের]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.