Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৮ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • শুক্রবার
  • ১২ জুন ২০২৬
Jisshu Sengupta

‘আগে বাচ্চার ডেলিভারি হয়ে একটু বড় হোক’, আচমকা কেন এমন বক্তব্য ‘অভিমানী’ যিশুর?

মুক্তির অপেক্ষায় যিশু সেনগুপ্ত ও সৌরভ দাস প্রযোজনা সংস্থার প্রথম ছবি 'অভিমান'। তার আগে একান্ত সাক্ষাৎকারে অভিনেতা। আড্ডার মাঝে কেন বললেন 'আগে সারাক্ষণ বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে থাকতাম। এখনও যারা আমার সঙ্গে তাদের জড়িয়ে বাঁচি। তার মধ্যেও নিজের সঙ্গে নিজের সময় কাটাতে ভালই লাগে।'

Advertisement
শম্পালী মৌলিক
শম্পালী মৌলিক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ১০:৪৭

link
শম্পালী মৌলিক
শম্পালী মৌলিক

শেষ আপডেট: জুন ১২, ২০২৬, ১০:৪৭

options
link
‘আগে বাচ্চার ডেলিভারি হয়ে একটু বড় হোক’, আচমকা কেন এমন বক্তব্য ‘অভিমানী’ যিশুর? zoom
পরিশ্রমের সঙ্গে ভাগ্যও সঙ্গ দিয়েছে বলেই আমি কিছু করতে পেরেছি: যিশু

নিজেদের প্রোডাকশনের প্রথম ফিচার ফিল্ম ‘অভিমান’ আসছে সামনের সপ্তাহে। টেনশন কতটা?

টেনশন আছে, স্ট্রেস আছে। একই সঙ্গে আনন্দ-ভয়ও। এর পিছনে প্রচুর পরিশ্রম, অনেক রাতজাগা আছে। প্রচুর অভিমানও।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন
Advertisement

একটা-দুটো অভিমানের গল্প শুনতে চাই।

প্রধানত, আমার আর সৌরভের মধ্যেই অভিমান হয়। এটা এমন ইমোশন যে মানুষটা কাছের, ভালোবাসার তার সঙ্গেই অভিমান হয়। না হলে সেটা রাগ হয়। ‘তুই আমার সঙ্গে এমন করতে পারলি?’ এটাই তো অভিমান। সৌরভ আর আমার দু’জনেরই এরকম হয়। আমাদের এটা প্রথম কাজ। ও আমাকে অন্ধের মতো ভালোবাসে এবং পুরোপুরি বিশ্বাস করে। আমি যদি ওকে বলি, ‘তুই ছাদ থেকে ঝাঁপ দে, মরবি না। ও ঝাঁপ দিয়ে দেবে।’ এতটাই আমাকে বিশ্বাস করে। সেই জায়গা থেকে ওর আমার প্রতি অভিমান হয় মাঝে মাঝে। আমার হয় না, কারণ ও তো আমার কথা শুনছে। (হাসি)। আমাদের দু’জনের জন্যই এই ছবিটা করা একটা লার্নিং প্রসেস। কারণ প্রচুর ভুল-ভ্রান্তি হবে। প্রথম কাজ, অনেক কিছুই জানি না। কখন, কাদের বলা উচিত, নানান জিনিস শিখতে শিখতে যাচ্ছি।

অভিনেতা সৌরভ দাসের সঙ্গে আপনার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক। তবু যৌথ উদ্যোগ নিয়ে ইন্ডাস্ট্রিতে পজিটিভ-নেগেটিভ কথা শোনা যায়। কানে আসে?

আমি শুনিনি। আজকের দিনে বলে ফেলা খুব সহজ। জাজ করা আরও সহজ। যে জাজ করছে সে আমার আর সৌরভের মধ্যে নেই। সে জানেও না আমাদের দু’জনের মধ্যে কী কথাবার্তা হয়। বা আমরা পরস্পরের জন্য কী করেছি, তাও জানে না। আর সামনের বছর হাফ সেঞ্চুরি ক্রস করব, এসব আর ভাবায় না।

ট্রোলিংয়ে কতটা প্রভাবিত হন?

খারাপ লাগে। তবে এখন কমে গিয়েছে। আগে হয়তো দু-তিনদিন মন খারাপ থাকত, এখন সেটা কয়েক ঘণ্টা বা কয়েক সেকেন্ডে নেমে এসেছে।

একটা সময় সেকেন্ড লিড, থার্ড লিড হিসাবে কাজ করেছেন। সেখান থেকে আপনি নায়ক, প্রযোজক। আপনার প্রযোজনায় প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় কাজ করছেন এটা ভাবলে কেমন লাগে?

আমি ভাবি না। আমার মনে হয় না, এটা ভাবার দরকার আছে। হয় জীবন এগোবে বা স্ট্যাগনেন্ট হবে। সেটা নির্ভর করছে তুমি কীভাবে তোমার জীবনটাকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছ। আবার কখনও আমাদের পেশায় ভাগ্যও সঙ্গে থাকে। আজকে আমি বলব, আমার পরিশ্রম ছিল, সঙ্গে ভাগ্য ছিল। সেই জন্য আমি কিছু করতে পেরেছি। ভাগ্য সঙ্গে না থাকলে এবং খাটতে না পারলে আর আমার মধ্যে যদি প্রতিভা না থাকত, আমি পারতাম না। আমার সঙ্গে তো অনেক হিরো এসেছিল। তাঁরা এখন নেই। আমরা এটা করতে পেরেছি কারণ ঈশ্বরের আশীর্বাদ।

সাফল্য কি মানুষ যিশুকে বদলে দিয়েছে?

সেটা আমি কী করে বলব। মানুষ বলবে। যাঁরা আমার কাছের। তাঁরা যদি ভাবে আমি বদলে গিয়েছি, তাই হোক। আমি বলতে পারব না। আগে যেমন মজা করে থাকতাম এখনও তেমনই আছি। একটু বোধ-বুদ্ধি হয়েছে।

কিছুটা কি একলাও করেছে সাফল্য?

(একটু থেমে) সাফল্য একা করেছে বলব না, আমি এখন নিজের সঙ্গে সময় কাটাতে বেশি ভালোবাসি। আগে সারাক্ষণ বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে থাকতাম। এখনও যারা আমার সঙ্গে তাদের জড়িয়ে বাঁচি। তার মধ্যেও নিজের সঙ্গে নিজের সময় কাটাতে ভালই লাগে।

‘অভিমান’-এ আপনার চরিত্রটা একজন নায়কের, তাই তো?

সমস্যা হল, আমাদের ছবিটা এমন, আমার চরিত্র বলতে গেলে বুম্বাদার কথা বলতে হবে, শুভশ্রীর বলতে হবে, কাঞ্চনের বলতে হবে, অরিজিতার বলতে হবে। এক কথায় বলতে গেলে আমি একজন অভিনেতা।

যিশু সেনগুপ্ত

শুভশ্রীর সঙ্গে কাজের অভিজ্ঞতা কেমন?

অনেক আগে অঞ্জন দত্তর সঙ্গে ‘শেষ বলে কিছু নেই’ ছবিতে কাজ করেছিলাম। শুভশ্রীকে দেখে আমি আশ্চর্য হয়ে গিয়েছি। যে অভিনেত্রী শুভকে চিনতাম আর আজকের শুভশ্রীর আকাশ-পাতাল তফাত। এতটা উন্নতি কেউ করতে পারে আমার অন্তত দেখা নেই। সেটা ওকে বলেওছি। ওর ‘ইন্দুবালা ভাতের হোটেল’, ‘গৃহপ্রবেশ’ দেখেছি আমি। ‘অভিমান’-এও একদম অন্য শুভশ্রীকে পাবেন। জাস্ট ব্রিলিয়ান্ট। আমি তো ওর প্রেমে পড়ে গিয়েছি, আমি ওর ফ্যান, ওকে বলেছি। আমার সঙ্গে কিছু কিছু দৃশ্যে এমন লেগেছে যেন আমার ফ্যানবয় মোমেন্ট।

প্রসেনজিতের সঙ্গেও তো বেশ কিছু দৃশ্য?

বুম্বাদার সঙ্গে তো চল্লিশ-পঁয়তাল্লিশটা কাজ করেছি। বুম্বাদাকে নিয়ে বলার ধৃষ্টতা আমার নেই। প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়কে লোকে ‘ইন্ডাস্ট্রি’ বলে। আমি বলব, ‘দ্য বিগ ব্রাদার’।

‘হোয়াই সো সিরিয়াস’-এর প্রথম কাজ নিয়ে কতটা আশাবাদী?

নিজের বাচ্চাকে নিয়ে যতটা প্রত্যাশা থাকে, ততটাই বলব। খুব আদর করে, যত্ন নিয়ে বানিয়েছি। আমি আর সৌরভ প্রচণ্ড কষ্ট করে ছবিটা বানিয়েছি। এটার মধ্যে আমার আর সৌরভের জীবন রয়েছে।

যিশুর ‘অভিমান’

নিজের প্রোডাকশনে কখনও কন্যা সারাকে কাস্ট করার ইচ্ছে আছে?

সারা যদি অভিনয় করতে চায়, সেরকম যদি স্ক্রিপ্ট থাকে হোয়াই নট। উই উইল ডেফিনিটলি অ্যাপ্রোচ হার।

আর নতুন কাজের প্ল্যান?

এখনও নয়। আগে আমাদের বাচ্চার ডেলিভারি হোক। একটু বড় হোক বাচ্চা তারপরে। (হাসি)

অর নতুন কাজ?

‘ব্রাউন’ তো রিলিজ করেছে গত সপ্তাহে। রোহিত শেট্টির একটা কাজ করছি সেটা এখনও শেষ হয়নি, দেরি আছে পরের শেডিউলের। আপাতত এই। আর পুজোয় ‘বহুরূপী দ্য গোল্ডেন ডাকু’ আসবে।

ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬-এর সমস্ত খবর জানতে চোখ রাখুন আমাদের 'ফুটবল বিশ্বযুদ্ধ' - এর পাতায়।
চোখ রাখুন

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.