ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) সংসদ অভিযান ঘিরে ধুন্ধুমার দিল্লিতে। নিট প্রশ্নফাঁস তৎসহ কেন্দ্রীয় শিক্ষমন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে হওয়া আন্দোলন রুখতে যন্তর মন্তর চত্ত্বর ৫০০০ পুলিশ ও আধা সেনা নামায় কেন্দ্র। এরপরেও ব্যারিকেড ভেঙে মিছিল এগনোর চেষ্টা করলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। রাজপথে যখন এহেন পরিস্থিতি, তখন সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে সোমবার উত্তপ্ত হয় সংসদের বাদল অধিবেশনও। আরশোলাদের এহেন বিক্ষোভ প্রদর্শনে ক্ষুব্ধ হেমা মালিনী। ক্ষোভ উগড়ে সিজেপিদের নির্বাচনে লড়ার চ্যালেঞ্জ ছুড়লেন কঙ্গনা রানাউতও।
“কাকে বরখাস্ত করা হবে আর কাকে রাখা হবে? সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আপনারা এভাবে সরকারকে চাপ দিতে পারেন না।…”
আরও পড়ুন:
নিট কেলেঙ্কারির বিরুদ্ধে নায্য বিচারের দাবিতে টানা বাইশ দিন ধরে অনশন করেন শিক্ষাবিদ সোনম ওয়াংচুক-সহ বেশ ক’জন পড়ুয়া। সূত্রের খবর, তেইশ দিনের মাথায় সংসদ অভিযানের দিনই অনশন ভাঙতে পারেন সকলে। তবে এদিন সংসদ অভিযানকে ঘিরে কার্যত রণক্ষেত্র হয়ে ওঠে দিল্লির রাজপথ। বাদল অধিবেশনে যোগ দেওয়ার পর সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে সেপ্রসঙ্গেই এবার মুখ খোলেন বিজেপির দুই তারকা সাংসদ। কঙ্গনার মন্তব্য, “আমাদের সংসদীয় অধিবেশনগুলো এই জন্যই বিশেষভাবে আয়োজিত, যাতে আমরা সমস্ত বিষয়ে বিশদে আলোচনা করতে পারি। কিন্তু তারা যদি প্রতিবাদ করতে গিয়ে সেখানে এইভাবে হট্টগোল করে, বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করে, সেটা মোটেই ঠিক নয়। এই সরকার জনগণের নির্বাচিত এবং সরকার কীভাবে চলবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার অধিকার কেবল সরকারেরই রয়েছে। আপনাদের যদি এতই আত্মবিশ্বাস থাকে, তবে আপনারা নিজেরাই নির্বাচনে দাঁড়ান। কাকে বরখাস্ত করা হবে আর কাকে রাখা হবে? সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য আপনারা এভাবে সরকারকে চাপ দিতে পারেন না। এই ধরনের চাপপ্রয়োগ একেবারেই গ্রহণযোগ্য নয়।” এখানেই অবশ্য থামেননি মাণ্ডির বিজেপি সাসদ।

“বিক্ষোভের পরিবর্তে বরং সরকারের সঙ্গে সুষ্ঠু আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। আপনাদের উচিত ভালো কিছু করে খুশি হওয়া।…”
কঙ্গনার সংযোজন, “ধীরে ধীরে সকলেই ভারতীয় জনতা পার্টি এবং সনাতন সংস্কৃতিতে আশ্রয় খুঁজবে, কারণ এটাই আমাদের নিজস্ব সংস্কৃতি।” বিক্ষোভকারীদের উদ্দেশে হেমা মালিনীর প্রশ্ন, “অধিবেশনে ব্যাঘাত ঘটিয়ে আপনারা ঠিক কী অর্জন করতে চাইছেন? এই ধরনের বিষয় বিক্ষোভের পরিবর্তে বরং সরকারের সঙ্গে সুষ্ঠু আলোচনার মাধ্যমেই সমাধান করা উচিত। আপনাদের উচিত ভালো কিছু করে খুশি হওয়া।” শেষপাতে মথুরার তারকা সাংসদের সংযোজন, “এই বিষয়ে এর থেকে বেশি কিছু বলতে চাই না আমি। আমাদের সরকার অবশ্যই যথাযথ পদক্ষেপ করবে বলে আমার বিশ্বাস।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
ব্রিকসে টানটান কূটনীতি! জিনপিংকে পাশে নিয়ে রাষ্ট্রসংঘে বদলের ডাক মোদির, বার্তা নেপাল নিয়েও
-
সামান্থা-বিজয়-লক্ষ্মণ-মিতালি-সহ বহু তারকাকে এসআইআর নোটিস, থাকছে বিশেষ ‘ছাড়’ও!
-
‘হিন্দু বলে আমার মাকেও পালিয়ে আসতে হয়েছিল’, চিন্ময় প্রভুর চোখের জল দেখে অতীত স্মরণ শুভেন্দুর
-
ইংরেজি অনুবাদে রবীন্দ্রনাথকে পৌঁছে দিয়েছিলেন বৃহত্তর পরিসরে, প্রয়াত কেতকী কুশারী ডাইসন
-
নিন্দুকদের মুখে ঝামা ঘষে রাজ-শুভশ্রীর জলকেলি, ছেলে যুবানের জন্মদিনে রোম্যান্টিক টুইস্ট!