সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: একদিকে দিদি বলিউড ক্যুইন, অন্যদিকে লোকসভা ভোটে জিতে মাণ্ডির বিজেপি সাংসদও। এমন দিদি যে তাঁর ভাইয়ের বিয়েতে দামি গিফট দেবেন, তাতে আশ্চর্যর কিছু নেই। হ্য়াঁ, তেমনটিই করলেন কঙ্গনা রানাউত। সম্প্রতি তাঁর ভাই বরুণ রানাউতের বিয়েতে উপহার হিসেবে দিলেন গোটা একটা বাড়ি। চণ্ডীগড়ের এক জনপ্রিয় এলাকায় বিশাল বড় এক ফ্ল্যাট ভাইকে উপহার দিয়েছেন কঙ্গনা।
কঙ্গনা নিজেই সোশাল মিডিয়ায় সেই বাড়ির দরজার ছবি পোস্ট করে লিখেছেন, “গুরুনানক দেবজি বলেছেন, আমাদের যেটুকু আছে, তা যেন আমরা ভাগ করে নিই। তিনি বলেন, আমরা সব সময় মনে করি, আমাদের কাছে যথেষ্ট নেই। কিন্তু তা’ও আমাদের যেটুকু আছে, তা-ই ভাগ করে নিলে যে আনন্দ পাওয়া যায়, তার থেকে বড় কিছু হয় না। তোমাদের যা আছে, সেটাও আমাদের সঙ্গে ভাগ করে নেওয়ার জন্য ধন্যবাদ।”

[আরও পড়ুন: আচমকাই বুকে অস্বস্তি, হাসপাতালে সন্ধ্যা রায়!]
দিদিকে ধন্যবাদ জানিয়ে, ভাই বরুণ লিখেছেন, ”ধন্যবাদ দিদি। বরাবর তুমি আমার স্বপ্নপূরণ করেছ।”
বলিউডে লড়েছিলেন নেপোটিজমের বিরুদ্ধে। রাজনীতিতে এসেও সেই নেপোটিজমের সঙ্গেই লড়তে হয়েছিল তাঁকে। তবে দেখা গেল, যে কোনও নেপোটিজমের বিরুদ্ধেই তিনি লড়াইয়ে দড়। অতএব মাণ্ডিতেও শেষ হাসি হাসলেন বলিউডের ‘ক্যুইন’ কঙ্গনা রানাওয়াত।
জয়ের পর সাংবাদিক বৈঠকে কঙ্গনা বলেন, ”এই দিনটা আমার জন্য বিশেষ দিন। প্রার্থী হিসেবে এটা আমার প্রথম নির্বাচন ছিল। যেহেতু রাজনীতিতে প্রথম, সেহেতু নানা অনিশ্চয়তা ছিল। এটা আমার প্রথম জয়ও। আমি ধন্যবাদ জানাতে চাই আমার দলীয়কর্মীদের। নেতা জয়রাম ঠাকুরজিকে। যিনি প্রথম থেকে আমার পাশে ছিলেন। আমাদের সব বিধায়কদেরও ধন্যবাদ। তবে মাথানত করে ধন্যবাদ জানাই মাণ্ডির সমস্ত মানুষকে। মাণ্ডিকন্যা, মাণ্ডির বোন কঙ্গনাকে এত ভালোবাসা দিয়েছে। মাণ্ডির সেনা হিসেবে মাণ্ডিকে রক্ষা করব। বিকাশ করব। ”
[আরও পড়ুন: পুরীর সমুদ্রে তলিয়ে যাচ্ছিলেন অপরাজিতা! পায়ে আঘাত, কী বললেন অভিনেত্রী?]
সর্বশেষ খবর
-
দুর্গাপুজোয় আর নয় রাজনৈতিক দখলদারি! উৎসবের আনন্দ থাকুক সাধারণ মানুষের হাতে
-
মুখ ভরে যাচ্ছে ব্রণ-ছোপে, মেক-আপ শেষে ভিজে অবস্থাতেই স্পঞ্জ তুলে রাখছেন না তো?
-
রাতে থাকছেন না সিনিয়র চিকিৎসক, অপরিষ্কার হাসপাতাল! কল্যাণী জেএনএমে সারপ্রাইজ ভিজিটে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী
-
ভুয়ো সার্টিফিকেট রুখতে কড়া স্বাস্থ্যভবন! এবার জন্ম ও মৃত্যুর শংসাপত্র পেতে নয়া নিয়ম, মানতে হবে শর্তও
-
শত বিতর্কেও মন্ত্রী করেছিলেন মমতা, ২১ জুলাইয়ের আগে তৃণমূল ছাড়লেন সেই মণীশ গুপ্ত