Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
কণিকা

পঞ্চম রিপোর্টও পজিটিভ, এখনও করোনামুক্ত নন কণিকা

তবে চিকিৎসকরা জানিয়েছেন গায়িকার অবস্থা এখন স্থিতিশীল।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২০, ১০:১০

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২, ২০২০, ১০:১০

options
link
পঞ্চম রিপোর্টও পজিটিভ, এখনও করোনামুক্ত নন কণিকা zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: ফের করোনা পরীক্ষার রিপোর্ট পজেটিভ এল কণিকা কাপুরের। এই নিয়ে পঞ্চমবার গায়িকার করোনা পরীক্ষা করা হল। সঞ্জয় গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে ভরতি রয়েছেন তিনি। হাসপাতালের ডিরেক্টর প্রফেসর আর কে ধীমান জানিয়েছেন, গায়িকার অবস্থা এখন স্থিতিশীল। চিন্তার কোনও কারণ নেই। ঠিকমতো খাবারও খাচ্ছেন তিনি। গায়িকা খুব অসুস্থ বলে যে খবর মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে, তা ভুয়ো বলে জানান তিনি।

২০ মার্চ বলিউড গায়িকা কণিকা কাপুরের শরীরে করোনা ভাইরাসের সন্ধান মেলে। কিন্তু বিদেশ থেকে ফিরে কোয়ারেন্টাইনে যাননি তিনি। ৪১ বছরের এই গায়িকা দেশে ফেরার পর কানপুর ও লখনউয়ে যান। লখনউয়ের একটি পাঁচতারা হোটেলে একটি পার্টির আয়োজন করেন তিনি। সেখানে নিমন্ত্রিত ছিলেন অনেক তাবড় ব্যক্তিত্ব। এরপরই তাঁর শরীরে Covid-19-এর সন্ধান মেলে। প্রথমে তাঁকে লখনউয়ের কিং জর্জ মেডিক্যাল ইউনিভার্সিটি হাসপাতালে ভরতি করা হয়। তারপর তাঁকে পাঠানো হয় সঞ্জয় গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে। এখন সেখানেই চিকিৎসাধীন গায়িকা। করোনা আক্রান্ত হয়ে অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার জন্য তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধি ২৬৯, ২৭০ ও ১৮৮ ধারায় মামলা রুজু করে উত্তরপ্রদেশের সরোজিনী নগর থানার পুলিশ।

Advertisement

[ আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় রাজ্যের পাশে ‘দ্য বং গাই’, মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে দিলেন ১ লক্ষ টাকা ]

কিন্তু কণিকা কাপুরের সোয়াব পরীক্ষার রিপোর্টের উপর প্রশ্ন তোলে তাঁর পরিবার। তাদের দাবি, যে স্বাস্থ‌্য রিপোর্টে কণিকাকে করোনা পজিটিভ বলে সাব‌্যস্ত করা হয়েছে, সেখানে তাঁর বয়স লেখা আছে ২৮ বছর। কিন্তু প্রকৃতপক্ষে কণিকার বয়স ৪১ বছর। শুধু তাই নয়। রিপোর্টে গায়িকার লিঙ্গও ভুল উল্লেখ ছিল। ‘মহিলা’র জায়গায় ‘পুরুষ’ লেখা থিল রিপোর্টে। আর এই তথ‌্য সামনে রেখেই গায়িকার পরিবার দাবি করে, হতে পারে এই রিপোর্ট গায়িকার নয়। বরং অন‌্য কারও। কোনওভাবে রিপোর্ট অদলবদল হয়ে থাকতে পারে। এরপর সঞ্জয় গান্ধী পোস্ট গ্র্যাজুয়েট ইনস্টিটিউট অফ মেডিক্যাল সায়েন্সে গায়িকার সোয়াব পরীক্ষা করা হয়। সেখানেও তাঁর শরীরে করোনার সন্ধান মেলে।

এইভাবে পরপর চারবার কণিকার সোয়াব পরীক্ষা করা হয়। চতুর্থবার পরীক্ষা করানো পর ভেঙে পড়েন কণিকা। জানান, পরিবারকে খুব মনে পড়ছে তাঁর। তবে তখনই গাায়িকা জানিয়েছিলেন আইসিইউতে তিনি আর নেই। আশা করেছিলেন পরের পরীক্ষায় হয়তো নেগেটিভ রিপোর্ট আসবে। জানা যাবে তিনি করোনামুক্ত হয়েছেন। কিন্তু সে গুড়ে বালি। মঙ্গলবার কণিকার স্বাস্থ্য পরীক্ষার যে রিপোর্ট এসেছে, সেখানেও দেখা গিয়েছে তাঁর শরীরে এখনও অস্তিত্ব রয়েছে করোনা ভাইরাসের।

[ আরও পড়ুন: করোনা মোকাবিলায় পাশে থাকার বার্তা, প্রধানমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে অর্থ সাহায্য তারকাদের ]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.