BREAKING NEWS

৯ আশ্বিন  ১৪২৭  রবিবার ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২০ 

Advertisement

গানের রিমেক বন্ধ করতে জাভেদের সঙ্গে কথা, আদালতের হস্তক্ষেপ চান গীতিকার সমীর

Published by: Bishakha Pal |    Posted: April 13, 2020 3:18 pm|    Updated: April 13, 2020 9:37 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: রিমেক্সের ঠেলায় কুপোকাত সংগীতজগত। পুরনো দিনের হিট গান রিমেক্স করার কাজ তো বহুদিন আগেই শুরু হয়ে গিয়েছিল। এবার হাত পড়েছে কয়েক বছর আগের তৈরি গানেও। এ আর রহমানের ‘মাসাকলি’ তার জলজ্যান্ত উদাহরণ। জনপ্রিয় গান এভাবে রিমেক্স করার মানে যা আদতে গানটারই বারোটা বেজে যাওয়া, এনিয়ে নেটদুনিয়ায় বহুদিন ধরেই সোচ্চার সংগীতপ্রেমীরা। কিন্তু তাতে টনক নড়েনি নামী সংগীত পরিচালকদের। সেসব দাবি নস্যাৎ করে একের পর এক গান রিমেক্স করছেন তাঁরা। এবার এসবের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেন জাভেদ আখতার ও সমীর আনজান। এই ট্রেন্ড রুখতে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথাও ভাবছেন তাঁরা।

তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে একাধিক ছবিতে সংগীত পরিচালনা করেছেন সমীর আনজান। তার মধ্যে রয়েছে ‘কুছ কুছ হোতা হ্যায়’, ‘রাজা হিন্দুস্তানি’, ‘কভি খুশি কভি গম’-এর মতো ছবি। বর্তমানে যেভাবে পুরনো গানের রিমেক্স করার ট্রেন্ড বেড়েছে, তাতে তাঁর মনে হয়, গানের মূল লেখক এবং সুরকাররা কখনই নতুন সংস্করণে যথাযথভাবে কৃতিত্ব পান না। বিষয়টি নিয়ে তিনি ইন্ডিয়ান পারফর্মিং রাইট সোসাইটির (IPRS) চেয়ারম্যান চিত্রনাট্যকার ও গীতিকার জাভেদ আখতারের সঙ্গে কথা বলেছেন। সমীরের মনে হয়, এই সমস্যা কেবল আদালতে লড়াই করেই সমাধান করা যেতে পারে। সংবাদমাধ্যকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, “যা ঘটছে তা ঠিক নয়। আমরা এর সম্পূর্ণ বিরোধী। বিষয়টি নিয়ে আমরা আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছি। কারণ আমরা মিউজিক কোম্পানিগুলোকে একটি নির্দিষ্ট ছবিতে গানগুলি ব্যবহার করার জন্য দিই। কিন্তু তারা সেই গান আবার নতুন করে, অন্যভাবে অন্য ছবিতে ব্যবহার করছে। আমি জাভেদ আখতারের সঙ্গে এনিয়ে কথা বলেছি। আমরা সবাই আদালতে যাওয়ার পরিকল্পনা করছি। এটাই একমাত্র সমাধান। এছাড়া এগুলো থামবে না।”

[ আরও পড়ুন: করোনা মুক্ত শাজা ও জোয়া, হাসপাতাল থেকে ছাড়া হল করিম মোরানির দুই মেয়েকে ]

সমীর আরও জানান, ‘দিলবর দিলবর’ গানটি ভূষণ কুমারের টি-সিরিজ জন আব্রাহাম অভিনীত ‘বাটলা হাউস’ ছবির জন্য পুনর্নির্মাণ করে। কিন্তু তিনি যখন মিউজিকের টাইটেল কার্ড দেখেন, অবাক হয়ে যান। তিনি দেখেন সেখানে শব্বির আহমেদকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়েছে। অথচ শাব্বির গানের মাত্র দু’টি লাইন লিখেছিলেন। বাকি কাজ পুরোটটাই সমীর করেন। কিন্তু তাঁকে কৃতিত্ব দেওয়া হয়নি। এরকম চলতে থাকলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম কীভাবে গানের আসল গীতিকার বা সুরকারের নাম জানতে পারবে? রিমেক্স গানগুলিতে ক্রেডিট এমনভাবে দেওয়া হচ্ছে, যা দেখে মনে হতেই পারে গানটি তারাই লিখেছে। এসব নিয়েই আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবছেন সমীর।

[ আরও পড়ুন: করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রয়াত কৌতুকাভিনেতা টিম ব্রুক টেলর ]

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement