Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৯ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ১৫ আগস্ট ২০২৬
Hiran Chatterjee

ঝরঝরে সংস্কৃত উচ্চারণে শপথপাঠ হিরণের, ‘শেষমেষ বুঝলেন কোন ভাষায় বলবেন?’, প্রশ্ন নেটভুবনের

'বাংলায় বলা'র পরামর্শ দিয়েছিলেন 'কেশপুরের কাকা'! এবার বিধানসভায় সংস্কৃত ভাষায় শপথবাক্য পাঠ করে চর্চায় 'হিরো' হিরণ চট্টোপাধ্যায়।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৭:৫৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: মে ১৫, ২০২৬, ১৭:৫৩

options
link
ঝরঝরে সংস্কৃত উচ্চারণে শপথপাঠ হিরণের, ‘শেষমেষ বুঝলেন কোন ভাষায় বলবেন?’, প্রশ্ন নেটভুবনের zoom
ঝরঝরে সংস্কৃত উচ্চারণে শপথপাঠ হিরণ চট্টোপাধ্যায়।
Advertisement

চব্বিশের লোকসভা ভোটে প্রচারের পিচে ‘কেশপুরের কাকা’র কাউন্টারে কোন ভাষায় বলবেন, বুঝতে পারেননি প্রার্থী। সেবার ‘বাংলায় বলেন’ সংলাপ একপ্রকার ঝড় বইয়ে দিয়েছিল নেটভুবনে। যার জেরে ট্রোল-মিমেরও অন্ত ছিল না টলিপাড়ার ‘মাচো মস্তানা’কে নিয়ে! তবে ছাব্বিশ সালের বিধানসভা ভোটে শ্যামপুরের চিরসবুজ বাগানে পদ্ম ফুটিয়ে নিন্দুকদের মোক্ষম জবাব ছুড়েছেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার বিধায়ক হিসেবে শপথবাক্য পাঠ করেন তিনি। তবে মাতৃভাষা বাংলায় নয়, বরং বিশ্বের প্রাচীনতম ভাষা সংস্কৃতে শপথ নেন বিজেপির তারকা বিধায়ক। আর সেই মুহূর্ত সোশাল পাড়ায় নিজে ভাগ করে নিতেই নেটভুবন তাঁকে মনে করিয়ে দিলেন ‘কেশপুরের কাকা’র সেই ‘বাংলায় বলা’র পরামর্শ।

ব্যক্তিগত জীবনের ঝড়ঝাপটা, বিতর্ক যে ভোটব্যাঙ্কে প্রভাব ফেলতে পারেনি, শ্যামপুরে পদ্ম ফুটিয়েই সেকথা বুঝিয়ে দিয়েছেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। জেতা আসন খড়গপুর কেন্দ্র হাতছাড়া হলেও ছাব্বিশের নির্বাচনী ফলপ্রকাশের দিন ‘মামাবাড়ির পিচ’ থেকে ঝকঝকে মার্কশিট হাতে বেরন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। এবার চর্চায় বিধায়কের শপথপাঠের মুহূর্ত। নেটপাড়ার আতশকাচে হিরণের শিক্ষা-সংস্কৃতি। কেন? তাহলে খানিক বছর দুয়েক পিছিয়ে যাওয়া যাক।

Advertisement
হিরণ চট্টোপাধ্যায়। ফাইল ছবি

হিরণের মুখের কথা শেষ হতে না হতেই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক বৃদ্ধ বলে ওঠেন, “বাংলা ভাষাতেই কথা বলেন না!” এরপর থেকেই বাংলার আমজনতার কাছে সুপারহিট ‘কেশপুরের কাকা’। বছর দুয়েক পেরলেও সেই বৃদ্ধের ‘বচন’ আজও লোকের মুখে মুখে ফেরে ব্যঙ্গাত্মক ছলে। কাট টু ২০২৬ সাল।

চব্বিশ সালের লোকসভা নির্বাচনের আবহে কেশপুরে ভোটপ্রচারের ফাঁকে আট বছর ধরে নিঁখোজ বিজেপি কর্মীর বাড়িতে গিয়েছিলেন হিরণ চট্টোপাধ্যায়। সেসময়ে বিরোধী শিবির তৃণমূলকে একহাত নিতে গিয়ে কথায় কথায় তিনি বলেন, “আজকে এসেছি কেশপুরে। আমি জানি না কী ভাষায় বলব! আমার মনের মধ্যে কোনও ভাষা নেই…”, হিরণের মুখের কথা শেষ হতে না হতেই পাশে দাঁড়িয়ে থাকা এক বৃদ্ধ বলে ওঠেন, “বাংলা ভাষাতেই কথা বলেন না!” এরপর থেকেই বাংলার আমজনতার কাছে সুপারহিট ‘কেশপুরের কাকা’। বছর দুয়েক পেরলেও সেই বৃদ্ধের ‘বচন’ আজও লোকের মুখে মুখে ফেরে ব্যঙ্গাত্মক ছলে। কাট টু ২০২৬ সাল। এবার শ্যামপুর কেন্দ্র থেকে জিতে লক্ষ্মীবারে যখন বিধানসভায় দাঁড়িয়ে সংস্কৃত ভাষায় হিরণ চট্টোপাধ্যায় শপথবাক্য পাঠ করলেন, তখন আবারও চর্চায় সেই ‘বাংলায় বলেন’ সংলাপ। বিজেপির তারকা বিধায়কের শপথপাঠের ক্যামেরাবন্দি সেই মুহূর্ত ভাইরাল হতেই নেটভুবনের প্রশ্ন, ‘শেষমেষ তাহলে বুঝলেন কোন ভাষায় বলবেন?’ একাংশ যদিও সংস্কৃতে শপথ পাঠ করায় হিরণকে প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।

‘এইপ্রথম কোনও তারকা রাজনীতিককে দেখলাম, দেবনাগরী ভাষায় শপথপাঠ করতে। এটাই শিক্ষা। এটাই সংস্কৃতি।’

কেউ বললেন, ‘শিক্ষিতের পরিচয় তাঁর মুখের ভাষায় এবং সংস্কৃতিতে। হিরণবাবু বুঝিয়ে দিলেন তিনি শুধু পর্দার নায়ক নন, মাটির কাছাকাছি থাকা একজন শিক্ষিত জনপ্রতিনিধিও।’ কারও বা মন্তব্য, ‘এইপ্রথম কোনও তারকা রাজনীতিককে দেখলাম, দেবনাগরী ভাষায় শপথপাঠ করতে। এটাই শিক্ষা। এটাই সংস্কৃতি।’ এহেন নানা মন্তব্যে ছেয়ে গিয়েছে সোশাল পাড়া।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.