সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: প্রয়াত মৌসুমী চট্টোপাধ্যায়ের মেয়ে পায়েল ডিকি সিনহা। বৃহস্পতিবার রাত ২টো নাগাদ মৃত্যু হয় তাঁর। ছোট থেকে ডায়াবিটিসে ভুগতেন পায়েল। বছর দুই আগে শারীরিক অবস্থা খারাপ হতে থাকে পায়েলের। এদিন তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।
মৌসুমি চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর স্বামী জয়ন্ত মুখোপাধ্যায়ের দুই মেয়ে- পায়েল ও মেঘা। এঁদের মধ্যে মেঘাও গ্ল্যামার দুনিয়ায় পা রেখেছেন। কিন্তু পায়েল অভিনয়ের জগতে আসেননি। হতে পারে অসুস্থতার কারণেই আড়ালে থেকেছেন তিনি। ছোটবেলা থেকেই ডায়বিটিস ছিল তাঁর। চিকিৎসাও চলছিল। ২০১০ সালে ডিকি সিনহার সঙ্গে বিয়ে হয় পায়েলের। দাম্পত্যজীবন নিয়ে অবশ্য কখনও চর্চায় আসেননি মৌসুমিদুহিতা। বরং তাঁর অসুস্থতার কথা বারবার খবরে এসেছে। ২০১৭ সালে তাঁকে হাসপাতালে ভরতি হতে হয়। পরের বছর তাঁকে বাড়ি নিয়ে যান স্বামী ডিকি সিনহা।
[ আরও পড়ুন: টানটান উত্তেজনায় ভরপুর ‘মর্দানি ২’, রানিই ছবির নায়ক ]
এরপর মৌসুমি চট্টোপাধ্যায় অভিযোগ তোলেন, পায়েলের সঙ্গে নাকি দেখা করতে দিচ্ছে না মেয়ের শ্বশুরবাড়ির লোকেরা। স্ত্রীয়ের অভিযোগকে সমর্থন করেন স্বামী জয়ন্ত মুখোপাধ্যায়ও। এ নিয়ে হাইকোর্টে অভিযোগ দায়ের করেন তাঁরা। অভিনেত্রী এও অভিযোগ করেন, পায়েলের চিকিৎসা করাচ্ছেন না জামাই ডিকি ও তাঁর বাড়ির লোকেরা। এমনকী মেয়ের ফিজিওথেরাপি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ জানান তিনি।
[ আরও পড়ুন: দামের ঝাঁজে চোখে জল টুইংকলের, পিঁয়াজি ঝুমকো উপহার দিলেন অক্ষয় ]
পায়েলের মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন অভিনেতা তুষার কাপুর। তিনি টুইটারে লিখেছেন, পায়েলের সঙ্গে তাঁর ছোট থেকেই পরিচয়। মৌসুমী চট্টোপাধ্যায় ও তাঁর পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন তুষার কাপুর।
Saddened to hear of the demise of Payal Chatterjee! Have seen her a lot in my childhood days! Deepest condolences to Moushimi Chatterjee ji and family!
— Tusshar (@TusshKapoor) December 13, 2019
সর্বশেষ খবর
-
ঐতিহ্যের উইম্বলডনে চতুর্থ ভারতীয় হিসাবে নজির শুভমানের, শচীনের সঙ্গে ছবি ভাইরাল
-
দু’মাসেই বড় বদল! তৃণমূল জমানার ডামাডোল কাটিয়ে একগুচ্ছ কাজ বর্ধমান উন্নয়ন সংস্থায়
-
রুদ্ধশ্বাস ম্যাচে তিকিতাকার জয়, সুপার সাব ম্যাজিকে বেলজিয়ামকে হারিয়ে সেমিতে স্পেন
-
মাঝরাস্তায় ট্যাঙ্কার থেকে ইথানল চুরি! বর্ধমানে সক্রিয় বড়সড় চক্র, সতর্ক পুলিশও
-
পকেটের চাপে অভিভাবকত্বে ব্রেক! বাংলায় কমছে প্রজনন হার, সমীক্ষার ফলাফলে উদ্বেগ