১১ অগ্রহায়ণ  ১৪২৮  রবিবার ২৮ নভেম্বর ২০২১ 

READ IN APP

Advertisement

দেব সহায়, নেপাল থেকে দেশে ফিরলেন দুই অন্তঃসত্ত্বা-সহ ৩৪ জন পরিযায়ী শ্রমিক

Published by: Sandipta Bhanja |    Posted: June 5, 2020 5:11 pm|    Updated: June 5, 2020 8:41 pm

MP Dev extends helps to Migrant workers, returned them to Bengal

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: পরিযায়ীদের দুর্দিনে দেব সহায়! সাংসদের উদ্যোগে বাংলার ৩৬ জন পরিযায়ী শ্রমিক দেশে ফিরলেন। লকডাউনের জেরে এতদিন নেপালে আটকে ছিলেন তাঁরা। বহু চেষ্টা করেও ভারতে ফিরতে পারেননি। এঁদের মধ্যে মোট ৬ জন মহিলা রয়েছেন। তাঁদের দু’জন আবার অন্তঃসত্ত্বাও। যাঁদের বাড়ি আরামবাগে। চার মহিলা-সহ অনেকের বাড়িই ঘাটাল থানার অন্তর্ভুক্ত বিভিন্ন গ্রামে। চার জন বাঁকুড়ার বাসিন্দাও রয়েছেন। সাংসদ দীপক অধিকারী ওরফে দেবের হস্তক্ষেপে এঁরা সকলেই বর্তমানে ভারতে ফিরতে পেরেছেন।

অন্যদিকে, জম্মু-কাশ্মীরেও কিছু মানুষ আটকে রয়েছেন। দেবের আশ্বাস তাঁদেরও ফেরানোর কাজ চলছে। প্রসঙ্গত, তৃণমূল সাংসদ দেবের উদ্যোগে সম্প্রতি নেপাল থেকে যাঁরা ঘাটালে ফিরেছেন তাঁরা প্রত্যেকেই সোনার গহনার কাজে যুক্ত। বৈধ অনুমতি না থাকায় এতদিন নেপাল সীমান্তে আটকে থাকতে হয়েছিল তাঁদের। আর সেই খবর সাংসদ দেবের কাছে পৌঁছতেই তড়িঘড়ি উদ্যোগী হয়ে ময়দানে নেমে পড়েন তিনি। সাংসদ খোদ কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করে অনুমতি আদায় করেন। মঙ্গলবার ঘাটাল থেকে বাস যায় নেপাল সীমান্তে। বুধবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রকের অনুমতি এসে পৌঁছয়। এরপর ৩৬জন পরিযায়ী শ্রমিককে নিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ঘাটালে পৌঁছয় বাস।

[আরও পড়ুন: ঋত্বিক চক্রবর্তীর নাম করে টলিউডে ভুয়ো কাস্টিংয়ের ফাঁদ! জানতেনই না অভিনেতা]

রাজ্যের স্বাস্থ্য দপ্তরের তরফে জানানো হয়েছে, নেপাল ফেরত প্রত্যেক পরিযায়ীরই লালারসের নমুনা সংগ্রহ করা হবে। এপ্রসঙ্গে দেব জানিয়েছেন, খবরটা পেয়ে প্রথমেই তিনি দার্জিলিংয়ের জেলাশাসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। তিনিই দেবকে বলেছিলেন, ‘সীমান্ত পার করাতে কেন্দ্রের অনুমতি লাগবে।’ এরপর সাংসদ তৎপরতার সঙ্গে মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও টেক্সট করে সবটা জানান তখনই। তারপর প্রশাসনের তরফেই উদ্যোগী হয়ে কেন্দ্রের অনুমতি জোগাড় করা হয়।

তবে ১২ ঘণ্টার মধ্যে যে পরিযায়ীদের ফিরতে পারবেন, তা ভাবতেই পারেননি দেব। সাংসদের কথায়, তিনি প্রথমটায় ভেবেছিলেন অন্তত দিন তিনেক তো লাগবেই! কিন্তু যাঁদের কাছেই সাহায্য চেয়েছেন দেব, তাঁরা সকলেই তড়িঘড়ি ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন এই বিষয়টিতে। তাঁরা এভাবে সাহায্যের হাত না বাড়ালে হয়তো এত দ্রুত পেটের দায়ে ভিন দেশে কাজ করতে যাওয়া পরিযায়ীদের নিজের বাড়িতে ফেরানো সম্ভব হত না।

আমেরিকায় কৃষ্ণাঙ্গ হত্যা নিয়েও সরব দেব।

[আরও পড়ুন: ঋত্বিক চক্রবর্তীর নাম করে টলিউডে ভুয়ো কাস্টিংয়ের ফাঁদ! জানতেনই না অভিনেতা]

Sangbad Pratidin News App: খবরের টাটকা আপডেট পেতে ডাউনলোড করুন সংবাদ প্রতিদিন অ্যাপ
নিয়মিত খবরে থাকতে লাইক করুন ফেসবুকে ও ফলো করুন টুইটারে