সুনিধি চৌহান, আসমুদ্রহিমাচলের সঙ্গীতপ্রেমীদের কাছে যিনি ‘ভারতের শাকিরা’ বলেই পরিচিত। নয়ের দশকে মাত্র ১৩ বছর বয়সে সঙ্গীত কেরিয়ারে হাতেখড়ি। সেই তুলনায় নেহা কক্কর অনেকটা পিছিয়ে থাকলেও তাঁর অনুরাগীর সংখ্যা নেহাত মন্দ নয়। এবার রিয়ালিটি শো নিয়ে দ্বন্দ্বে জড়ালেন দুই জনপ্রিয় গায়িকা। পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে গড়াল যে ‘সিনিয়র’ সুনিধিকে ‘আঙুর ফল টক’ বলে কটাক্ষ করতেও পিছপা হলেন না নেহা। ঠিক কী ঘটেছে?
“টিআরপির জন্য দর্শকের আবেগ নিয়ে খেলা কিংবা আগে থেকে নির্দিষ্ট কোনও প্রতিযোগীকে তোল্লাই দেওয়ার নির্দেশ দেন নির্মাতারা।”
আরও পড়ুন:

দীর্ঘদিন ধরেই গানের রিয়ালিটি শোয়ের সঙ্গে যুক্ত নেহা কক্কর (Neha Kakkar)। তাই রিয়ালিটি শোয়ের নেপথ্য কর্মকাণ্ড সম্পর্কে ভালোই অবগত গায়িকা। একাধিক জনপ্রিয় শোয়ের বিচারকের আসনেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। বিশেষ করে শোয়ে নেহার ‘নাটকীয়তা’ বরাবর চর্চার শিরোনামে থেকেছে। যার জন্য অবশ্য কম কটাক্ষ শুনতে হয়নি তাঁকে। নেহার নামের পাশে নিন্দুকরা তকমা সেঁটেছিলেন ‘হাইভোল্টেজ ড্রামা ক্যুইন’ বলে। সম্প্রতি নেহার নামোল্লেখ না করলেও রিয়ালিটি শোগুলির অতিনাটকীয়তা নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেন সুনিধি চৌহান। এক পডকাস্টে তিনি দাবি করেন, “বর্তমানে রিয়ালিটি শোগুলি সব স্ক্রিপ্টেড। আগে থেকেই সব সাজানো থাকে। এখন আর আগের মতো বাস্তবসম্মত বিষয় দেখা যায় না। বরং প্রাধান্য পায় অতিনাটকীয়তা। যেমন টিআরপির জন্য দর্শকের আবেগ নিয়ে খেলা কিংবা আগে থেকে নির্দিষ্ট কোনও প্রতিযোগীকে তোল্লাই দেওয়ার নির্দেশ দেন নির্মাতারা।” এখানেই অবশ্য থামেননি তিনি। সুনিধি এও বলেন যে, “এখনকার রিয়ালিটি শোয়ে প্রতিযোগী ও বিচারকদের পারফরম্যান্সে অবাধে অটোটিউন ব্যবহার করা হয়। সেকারণেই আমি আর রিয়ালিটি শোয়ের বিচারকের আসনে থাকি না।” সুনিধি চৌহানের (Sunidhi Chauhan) এহেন মন্তব্যে অনেকেই সায় দিয়েছেন। এবার সেপ্রসঙ্গেই ‘সিনিয়র’ গায়িকাকে পালটা আক্রমণ শানালেন নেহা কক্কর।
“আমি যতদিন শোয়ের বিচারকের আসনে বসেছি, ততদিন টিআরপি…”

সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে নেহাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, রিয়ালিটি শোগুলি কি আদতেই সব সাজানো? তার প্রেক্ষিতেই গায়িকা জানান, এই অনুষ্ঠানগুলোয় প্রতিযোগীদের যে আবেগ, জীবনসংগ্রাম এবং ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়, সেগুলো চিত্রনাট্যে সাজানো সম্ভব নয়। নেহার কথায়, “আমরা প্রত্যেকেই বিভিন্ন প্রান্তের ছোট শহর থেকে উঠে এসেছি এবং অনেক প্রতিকূলতা পেরিয়ে এখানে পৌঁছতে পেরেছি। প্রতিযোগীরা নতুন করে কোনও গল্প বানিয়ে বলবে না। আর অনুষ্ঠানে আমরা সেটাই দেখতে পাই। কারও গল্প শুনে আমি আবেগপ্রবণ হয়ে পড়লে সেই অনুভূতিটা তো স্বাভাবিক।” এরপরই শোয়ের টিআরপি নিয়ে নেহা জানান, “আমি যতদিন শোয়ের বিচারকের আসনে বসেছি, ততদিন টিআরপি ভালোই ছিল। আসলে আঙুর ফল না পেলে টক-ই লাগে।” নেহা যে এহেন মন্তব্যে রিয়ালিটি সুনিধিকেই বিঁধেছেন, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
মোদি-পুতিন-জিনপিংদের সঙ্গে নৈশভোজে শুভেন্দু! ব্রিকস সম্মেলনে দিল্লি যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী
-
ডোভাল চালেই কাটল জট, ৭ বছর পর দিল্লিতে জিনপিং, আম-ছালা দুই হারালেন তারেক!
-
খালি করতেই হবে ক্যামাক স্ট্রিটের অফিস! দমকলের নোটিসে কোনও হস্তক্ষেপই করল না হাই কোর্ট
-
জেনেরিক না ব্র্যান্ডেড, কোনটা? ওষুধ কেনার আগে জানুন চিকিৎসকের মত
-
যুবকের শরীরে জরায়ু, পেটের ভিতর অণ্ডকোষ! বন্ধ্যাত্ব পরীক্ষা করাতে গিয়ে মাথায় হাত চিকিৎসকের