Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Priyanka Sarkar

কর্মই ধর্ম, রাহুলের মৃত্যুর ১২ দিন পর চোখের জল মুছে শুটিং ফ্লোরে শোকবিহ্বল প্রিয়াঙ্কা

'রাহুলের অকালপ্রয়াণ যেন নিছক একটি শোকের স্মৃতি হয়ে না থাকে, এটি যেন আরও বড় কোনও পরিবর্তনের সূচনা করে', বৃহস্পতিবারই সোশাল মিডিয়ায় আবেগঘন বার্তা দেন তিনি। এবার অভিনয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠাতেই শুটিং ফ্লোরে পা রাখলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার।

Advertisement
বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১০:৪৪

link
বিশেষ সংবাদদাতা
বিশেষ সংবাদদাতা

শেষ আপডেট: এপ্রিল ১১, ২০২৬, ১০:৪৪

options
link
কর্মই ধর্ম, রাহুলের মৃত্যুর ১২ দিন পর চোখের জল মুছে শুটিং ফ্লোরে শোকবিহ্বল প্রিয়াঙ্কা zoom
শুটিংয়ে যোগ প্রিয়াঙ্কা সরকারের। ছবি- সংগৃহীত

স্বামী রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের আকস্মিক প্রয়াণের শোক এখনও কাটিয়ে উঠতে পারেননি, তবুও এই কঠিন সময়ে পেশাদারিত্বের পথে হাঁটলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার (Priyanka Sarkar)। সূত্রের খবর, শুক্রবার ‘তারকাটা’ সিরিজের বেশ কিছু অসম্পূর্ণ দৃশ্যের শট দেওয়ার জন্য শুটিংয়ে যোগ দিয়েছেন অভিনেত্রী।

কখনও বা চোখের জল মুছে ইন্ডাস্ট্রির সতীর্থদের সঙ্গে স্বামীর ন্যায় বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। কঠিন সময়ে রাহুলের পরিবারের সামনে যেমন ‘ঢাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছেন, তেমনই সন্তান সহজকে বুকে আগলে রেখেছেন। তবুও জনসমক্ষে ব্যক্তিগত যন্ত্রণা প্রকট করতে চাননি। এবার অভিনয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠাতেই শুটিং ফ্লোরে পা রাখলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার।

ঝাঁ চকচকে গ্ল্যামারদুনিয়ার অন্তরালে ব্যক্তিগতজীবনের শোক কতটা ঠাঁই পায় জানা নেই, তবে কাজ এমন এক চালিকাশক্তি, যা মানুষকে এগিয়ে নিয়ে চলে। বিগত বারো দিনে প্রিয় মানুষটিকে হারানোর পর যেন শোকপ্রকাশের সুযোগটুকুও পাননি! রাহুলের মৃত্যুর নেপথ্যে লুকিয়ে কোন রহস্য? সেই জাল উন্মোচনের লক্ষ্যে কলকাতার গণ্ডি পেরিয়ে ভিন রাজ্যেও ছুটেছেন। আবার কখনও বা চোখের জল মুছে ইন্ডাস্ট্রির সতীর্থদের সঙ্গে স্বামীর ন্যায় বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। কঠিন সময়ে রাহুলের পরিবারের সামনে যেমন ‘ঢাল’ হয়ে দাঁড়িয়েছেন, তেমনই সন্তান সহজকে বুকে আগলে রেখেছেন। তবুও জনসমক্ষে ব্যক্তিগত যন্ত্রণা প্রকট করতে চাননি। এবার অভিনয়ের প্রতি দায়বদ্ধতা, কাজের প্রতি নিষ্ঠাতেই শুটিং ফ্লোরে পা রাখলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার।

Advertisement
Priyanka Sarkar joined the shoot to complete several unfinished scenes of the series 'Tarkata' on Friday
বিগত বারো দিনে প্রিয় মানুষটিকে হারানোর পর যেন শোকপ্রকাশের সুযোগটুকুও পাননি প্রিয়াঙ্কা!

বিক্রম চট্টোপাধ্যায় প্রযোজিত তথা শমীক রায়চৌধুরী পরিচালিত ‘তারকাটা’য় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন প্রিয়াঙ্কা। জানা যাচ্ছে, আরও তিন দিনের কাজ বাকি রয়েছে। যদিও আগামী সপ্তাহে প্রিয়াঙ্কার শুটে যোগ দেওয়ার কথা ছিল, কিন্তু পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে শুক্রবার বেশ কিছু সিকোয়েন্সের শুটিংয়ের জন্য অভিনেত্রীকে কাজে যেতে হয় বলে সূত্র মারফৎ জানা গেল। যদিও বাকি দু’দিনের শুটে প্রিয়াঙ্কা থাকবেন কিনা, জানা যায়নি। উল্লেখ্য, গত ২৯ মার্চ এই ওয়েব সিরিজের শুটিংয়েই রাহুলের মর্মান্তিক পরিণতির খবর পেয়ে ছুটে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু মাঝপথে কাজ থেমে যাওয়ায় এবার পেশাদারিত্বের প্রতি নিষ্ঠাকে প্রাধান্য দিয়েই শুটিংয়ে যোগ দিলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার।

ব্যক্তিগত শোক বুকে চেপে কাজে প্রত্যাবর্তনের এহেন উদাহরণ নতুন নয়। দু’ দশক আগে পিতৃবিয়োগের যন্ত্রণা বুকে আগলেই কেনিয়ার বিরুদ্ধে আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ খেলেছিলেন শচীন তেন্ডুলকর। বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রিতেও এহেন উদাহরণ রয়েছে। মাতৃবিয়োগের চব্বিশ ঘণ্টা বাদেই শুটিংয়ে যোগ দিয়েছিলেন কাঞ্চন মল্লিক। শুধু তাই নয়, কতটা পেশাদার অভিনেতা হলে প্রয়াত মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে শুধুমাত্র সিরিয়ালের প্রয়োজনে দাড়ি কেটেছিলেন।

ব্যক্তিগত শোক বুকে চেপে কাজে প্রত্যাবর্তনের এহেন উদাহরণ নতুন নয়। দু’ দশক আগে পিতৃবিয়োগের যন্ত্রণা বুকে আগলেই কেনিয়ার বিরুদ্ধে আইসিসি ওয়ার্ল্ড কাপ খেলেছিলেন শচীন তেন্ডুলকর। বাংলা সিনেইন্ডাস্ট্রিতেও এহেন উদাহরণ রয়েছে। মাতৃবিয়োগের চব্বিশ ঘণ্টা বাদেই শুটিংয়ে যোগ দিয়েছিলেন কাঞ্চন মল্লিক। শুধু তাই নয়, কতটা পেশাদার অভিনেতা হলে প্রয়াত মায়ের কাছে ক্ষমা চেয়ে শুধুমাত্র সিরিয়ালের প্রয়োজনে দাড়ি কেটেছিলেন। যাদের কাছে কর্মই আসল ধর্ম। এবার ‘তারকাটা’র শুটে যোগ দিয়ে সেকথাই যেন মনে করিয়ে দিলেন প্রিয়াঙ্কা সরকার।

স্বামীর মৃত্যু যন্ত্রণা বুকে চেপে বৃহস্পতিবার বিকেলেই গোটা সিনেপরিবারের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানিয়েছিলেন, “একটি মৃত্যু আজ আমাদের গোটা পরিবারকে এক সুতোয় গেঁথে দিল। তবে এই অকালপ্রয়াণ যেন নিছক একটি শোকের স্মৃতি হয়ে না থাকে, এটি যেন আরও বড় কোনও পরিবর্তনের সূচনা করে। তবেই এই মানুষটি আমাদের মাঝে অমর হয়ে থাকবেন, এটাই হবে তার প্রকৃত উত্তরসূরি বা লেগাসি। আমাদের লক্ষ্য হোক একটাই- ভবিষ্যতে যেন এমন দুর্ঘটনা আর না ঘটে। টেকনিশিয়ান হোন বা শিল্পী- মৃত্যুর পর নিজের সম্মান আর মর্যাদার লড়াই যেন কাউকে লড়তে না হয়।”

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.