১ আশ্বিন  ১৪২৬  বৃহস্পতিবার ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৯ 

Menu Logo পুজো ২০১৯ মহানগর রাজ্য দেশ ওপার বাংলা বিদেশ খেলা বিনোদন লাইফস্টাইল এছাড়াও বাঁকা কথা ফটো গ্যালারি ভিডিও গ্যালারি ই-পেপার

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক:   ভাগ্যের পরিহাসে সম্পর্ক ভাঙা-গড়া জীবনের একেকটা পর্যায়ে চলেই আসে। কিন্তু মাঝপথে যদি থেমে যায় সেই সম্পর্কের গতি? তা যেকোনও ব্যক্তির জন্যই সুখকর নয়। ঠিক এমনই একটি পর্যায়ে পৌঁছেছেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রিয়াঙ্কা সরকারের সম্পর্ক। দিন দিন তিক্ত থেকে তিক্ততর হচ্ছে টলিউড ইন্ডাস্ট্রির এই তারকা দম্পতির (প্রাক্তন) সম্পর্ক। আর এবার ফের খবরের শিরোনামে রাহুল-প্রিয়াঙ্কার তিক্ততা। অভিযোগ, দিনের পর দিন আদালতের শুনানিতে ফাঁকি দিচ্ছেন রাহুল!

[আরও পড়ুন: বিয়ে ভাঙছে ‘সবিনয়ে নিবেদন’ জুটি সৌরভ-মধুমিতার ]

২০১৮ সালের কথা। টলিউড ইন্ডাস্ট্রির নামজাদা তারকা জুটি রাহুল-প্রিয়াঙ্কা বিচ্ছেদ চেয়েছিলেন দু’জনে দু’জনের কাছ থেকে। অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা একাধিকবার প্রকাশ্যে রাহুলের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক অভিযোগ এনেছিলেন। গত বছর মে মাসে আলিপুর আদালতে স্বামী (প্রাক্তন) রাহুলের বিরুদ্ধে ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের মামলাও দায়ের করেছিলেন অভিনেত্রী। তবে এবার অভিনেতা রাহুল এবং তাঁর আইনজীবী সৈকত দত্ত মজুমদারের বিরুদ্ধে ফের আঙুল উঠল প্রিয়াঙ্কার তরফে। অভিযোগ, ১৫-১৬টির মধ্যে বেশিরভাগ শুনানিতেই অনুপস্থিত ছিলেন রাহুল। এমনকী গতকাল অর্থাৎ ৬ সেপ্টেম্বরও শুনানির গুরুত্বপূর্ণ ডেট থাকা সত্ত্বেও অনুপস্থিত ছিলেন তাঁরা। আর এতেই বেজায় চটেছেন প্রিয়াঙ্কা সরকারের আইনজীবী স্মিতেশ চট্টোপাধ্যায়।

প্রিয়াঙ্কার আইনজীবী স্মিতেশের কথায়, “রাহুলের বিরুদ্ধে প্রিয়াঙ্কা ডোমেস্টিক ভায়োলেন্সের পাশাপাশি ছেলে সহজ ও তাঁর জন্য মাসে ৪ লক্ষ টাকা খোরপোশ দাবি করেছিলেন। মামলা দায়ের হওয়ায় পর অন্তবর্তীকালীন শুনানির জন্য নির্দিষ্ট দিনও স্থির ছিল। কিন্তু রাহুলের আইনজীবী গত ১ বছর ধরে সময় নিয়ে যাচ্ছেন কোর্টের কাছ থেকে। ৬ সেপ্টেম্বর, শুক্রবার সেই শুনানিই ছিল। কিন্তু এবারও অনুপস্থিত রাহুল।”

“হাজিরা না দেওয়া মানে বালির মধ্যে মুখ ঢুকিয়ে বলা, ঝড় আসছে না। এ ভাবে তো আর পালানো যায় না।”

আর যার বিরুদ্ধে মূল অভিযোগ, সেই রাহুল কী বলছেন? এপ্রসঙ্গে অন্য এক গণমাধ্যমে রাহুলের দেওয়া বয়ান, উকিল যখন হাজিরা দেওয়ার কথা বলেছেন, তখনই তিনি হাজিরা দিয়েছেন। তাছাড়া গত শুনানির দিন শুক্রবার শুটিংয়ের জন্য অত্যন্ত চাপে ছিলেন তিনি। পরেরবার অবশ্যই উপস্থিত থাকার চেষ্টা করবেন বলে জানিয়েছেন। তাঁর কথায়, “হাজিরা না দেওয়া মানে বালির মধ্যে মুখ ঢুকিয়ে বলা, ঝড় আসছে না। এ ভাবে তো আর পালানো যায় না। ঘটনাচক্রে এমন শুটিং শিডিউল পড়েছে যে, এড়ানো সম্ভব ছিল না।’’

[আরও পড়ুন: ভারী বৃষ্টি মাথায় সাইকেল চালিয়েই ‘দাবাং থ্রি’ সেটের উদ্দেশে সলমন, ভাইরাল ভিডিও]

অন্যদিকে রাহুলের আইনজীবীও অপরপক্ষের অভিযোগ উড়িয়ে দিয়েছেন। গত ১ বছর ধরে চলা এই মামলা দিনের পর দিন যে তিক্ত পর্যায়ে পৌঁছচ্ছে, তা বলাই যায়। পরিণতি কোন দিকে গড়ায়, তা একমাত্র সময়ই বলতে পারে।   

আরও পড়ুন

আরও পড়ুন

ট্রেন্ডিং