Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
প্রফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডো

বড়দিনেই আসছেন প্রফেসর শঙ্কু, গন্তব্য ‘এল ডোরাডো’

গল্পের খাতিরে ছবিতে থাকছে জার্মান, ব্রাজিলিয়ান, ব্রিটিশ চরিত্র।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ১৮:৪২

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: অক্টোবর ৫, ২০১৯, ১৮:৪২

options
link
বড়দিনেই আসছেন প্রফেসর শঙ্কু, গন্তব্য ‘এল ডোরাডো’ zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সত্যজিৎ রায়ের অন্যতম অমর সৃষ্টি প্রফেসর ত্রিলোকেশ্বর শঙ্কু যে বড় পর্দায় অবতীর্ণ হতে চলেছেন, সে খবর অনেক আগেই মিলেছে। তবে শুক্রবার মহাষষ্ঠী উপলক্ষে প্রকাশ্যে এল ছবির প্রথম পোস্টার। সত্যজিতের অপর সৃষ্টি ফেলুদার তদন্তে দর্শকরা শরিক হলেও শঙ্কুর অ্যাডভেঞ্চার বইয়ের বাইরে এখনও প্রত্যক্ষ করেননি তাঁরা। তবে এবার ‘প্রফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডো’ ছবির হাত ধরে তাঁর সঙ্গে সাক্ষাৎ ঘটবে দর্শকদের। সৌজন্যে পরিচালক সন্দীপ রায়। স্রষ্টার জন্মদিনে মুক্তি পেল ‘প্রফেসর শঙ্কু ও এল ডোরাডো’ ছবির মোশন পোস্টার। এবার প্রযোজনা সংস্থা ভেঙ্কটেশের তরফে মুক্তি পেল নতুন পোস্টার। সঙ্গে জানা গেল এই শীতেই বড়দিন উপলক্ষে মুক্তি পাচ্ছে এই ছবি।  

[আরও পড়ুন: ধ্বংসের মুখে মুম্বইয়ের ফুসফুস ‘আরে’, প্রতিবাদে সরব বলিউড তারকারা ]

সত্যজিতের ‘নকুড়বাবু ও এল ডোরাডো’ কাহিনি অবলম্বনে তৈরি হচ্ছে এই ছবি। যেখানে প্রফেসরের ভূমিকায় দেখা যাবে ধৃতিমান চট্টোপাধ্যায়কে। আর নকুড়বাবুর চরিত্রে রয়েছেন শুভাশিস মুখোপাধ্যায়। শোনা যাচ্ছে, ছবির ভাষায় ইংরাজির প্রাধান্য থাকবে। তবে নকুড়বাবুর মতো চরিত্র যেখানে রয়েছে সেখানে বাঙালিয়ানা থাকাও বাধ্যতামূলক। এদিন ছবির আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় পরিচালক জানান, প্রফেসর শঙ্কু বরাবরই তাঁর ড্রিম প্রজেক্ট ছিল। তা এতদিনে বাস্তব হয়ে ওঠায় খুশি তিনি। বাবার সৃষ্টি ফেলুদার পর এবার প্রফেসর শঙ্কুকে বড় পর্দায় আনতে পারছেন। এটাই বড় পাওনা তাঁর কাছে। উল্লেখ্য কাহিনির প্রয়োজনেই ছবির কিছু সংলাপ ইংরেজিতে থাকবে।

Advertisement

 

শুটিং হবে ইউরোপ ও ব্রাজিলের লোকেশনে। গল্পের খাতিরেই ছবিতে থাকছে জার্মান, ব্রাজিলিয়ান, ব্রিটিশ চরিত্র। তবে টলিউডের অনেক চেনামুখেদেরও ছবিতে দেখা যাবে। প্রফেসর শঙ্কুর চরিত্র প্রসঙ্গে উচ্ছ্বসিত ধৃতিমান বলেন, “মনে রাখতে হবে শঙ্কুর গল্প শুধু বাংলার বা বাঙালির নয়, এটা একটা ইন্টারন্যাশনাল প্রজেক্ট। ছবির মানকে সেই জায়গায় নিয়ে যেতে হবে।”

[আরও পড়ুন: পুজোর শুরুতেই মন মাতালো ‘বিসর্জন’-এর সুর, নয়া চমক দেবের ]

কল্পবিজ্ঞানের কাহিনি। তাই ভিএফএক্স-এর কাজ বেশ গুরুত্বপূর্ণ। সেটার উপরই এখন সবচেয়ে বেশি জোর দিচ্ছেন সন্দীপ। এ নিয়ে কোনও আপস করবেন না তিনি। কলকাতার পাশাপাশি কাজ হবে মুম্বইয়ের স্টুডিওতেও। ফেলুদার মতোই প্রফেসর শঙ্কুকেও অন্য মাত্রায় নিয়ে যেতে হবে যে!

 

 

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.