সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: লকডাউনের জন্য মিলল না হরিদ্বার যাওয়ার অনুমতি, অগত্যা মুম্বইয়ের বনগঙ্গা জলাশয়েই বাবা ঋষি কাপুরের অস্থি বিসর্জন করলেন রণবীর কাপুর। রণবীরের সঙ্গে ছিলেন দিদি রিধিমাও। বাবা প্রয়াত হওয়ার পর যিনি শুধুমাত্র অস্থি বিসর্জনের রীতিই পালন করতে পারলেন। কারণ, দিল্লিতে থাকার দরুণ ঋষির মৃত্যুর দিন মুম্বইতে আসতে পারেননি। অস্থি বিসর্জনের সময় চোখের জলেই শেষ নিয়ম পালন করলেন স্ত্রী নীতু। উজ্জ্বল উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেল রণবীরের বান্ধবী আলিয়া ভাটেরও।
রীতি অনুযায়ী, সাদা পোশাক পরে কাপুর পরিবারের সদস্যরা রবিবার সকাল নাগাদ হাজির হন বনগঙ্গার ধারে। অস্থি বিসর্জনের পর ঋষির আত্মার শান্তি কামনার জন্যে একটি ছোট পুজোর আয়োজনও করা হয়েছিল। মেয়ে রিধিমা এবং ছেলে রণবীরকে নিয়ে পুজোয় বসলেন নীতু। পাশেই ছিলেন আলিয়া। বনগঙ্গার সামনে চোখের জলে তাঁর ‘ঋষি আঙ্কেল’-এর শেষ অস্থিত্বকে বিদায় জানালেন। ছিলেন রণবীরের পারিবারিক বন্ধু পরিচালক অয়ন মুখেপাধ্যায়ও।
৩০ এপ্রিল, বৃহস্পতিবারই ইহলোকের মায়া ত্যাগ করে চিরনিদ্রায় গিয়েছেন ঋষি কাপুর। তাঁর মতো বলিউডের প্রবাদপ্রতীম অভিনেতার শেষযাত্রায় যেখানে কাতারে কাতারে মানুষের ঢল নামবার কথা ছিল, লকডাউনের জন্য সেটাও সম্ভব হয়নি। স্ত্রী নীতু, পুত্র রণবীর-সহ পরিবারের মাত্র ২০ জন সদস্যের উপস্থিতিতে শ্মশানে শেষকৃত্য সম্পন্ন হয়েছে। ‘প্রিয় চিন্টু’র শেষযাত্রায় শামিল হতে না পারার আক্ষেপ বুকে বয়ে বেড়াচ্ছেন তাঁর ঘনিষ্ঠমহলের মানুষেরা। ঋষি-ঘনিষ্ঠরা বলছেন, “বড় নির্জনেই চলে গেল তার মতো অভিনেতা”। আর সেই জন্যই শনিবার কৃষ্ণারাজ কাপুর ম্যানশনে, নিজেদের বাসস্থানেই প্রয়াত ঋষির উদ্দেশে স্ত্রী নীতু এবং ছেলে রণবীর কাপুর এক স্মরণসভার আয়োজন করেছিলেন। রবিবার অস্থি বিসর্জনের পর করিনা কাপুরও আসেন নীতু-রণবীর-রিধিমার সঙ্গে দেখা করতে।
[আরও পড়ুন: দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সাক্ষী থেকেছি, কিন্তু গোটা বিশ্বকে এভাবে স্তব্ধ হতে দেখিনি: আশা ভোঁসলে]
কাপুরদের এই স্মরণসভা একান্ত পরিবারের সদস্যদের জন্যই ছিল। এবং তাঁদের উপস্থিতিতেই হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। যদিও ঋষি কাপুরের একমাত্র মেয়ে রিধিমা শনিবার তখনও এসে পৌঁছতে পারেননি। ফলে স্মরণসভাতেও যোগ দিতে পারেননি তিনি। বাবার শেষকৃত্যের দিনও ভাই রণবীরের বান্ধবী আলিয়া ভাটের ভিডিও কলেই সবটা দেখেছেন। তবে এদিন স্মরণসভার পর সন্ধেবেলাই কাপুর বাংলোতে এসে পৌঁছন রিধিমা কাপুর সাহানি। সঙ্গে ছিল মেয়ে সামারা। এই কঠিন সময়ে ভাই এবং মা’র পাশে থাকবে বলেই আসা। হরিদ্বারে না যেতে পারায় রবিবার মু্ম্বইয়ের বনগঙ্গা জলাশয়েই অস্থি বিসর্জন করলেন কাপুররা।
[আরও পড়ুন: নেটফ্লিক্সে নয়া রেকর্ড গড়ল ‘এক্সট্রাকশন’, দর্শকদের ধন্যবাদ জানালেন ক্রিস হেমসওয়ার্থ]
সর্বশেষ খবর
-
পুরদলেও ফাটল, আইনি জটের আশঙ্কা, মমতার পছন্দে মেয়র বাছতে ‘সই’ দিলেন না অধিকাংশ কাউন্সিলর!
-
ছবির দেশ, কবিতার দেশে রূপকথা! ফরাসি ওপেনে প্রথম গ্র্যান্ড স্ল্যামের স্বাদ জাভেরেভের
-
পাহাড় থেকে সমতল, ফের ভূমিকম্পে কেঁপে উঠল বাংলা! আতঙ্কে ঘর ছেড়ে রাস্তায় বাসিন্দারা
-
‘একে নেব না, ওকে নেব না বললে হবে না’, বঙ্গে বৃহত্তর হিন্দু ঐক্যের বার্তা বনশলের
-
শ্বাস যন্ত্রে কিছুতেই ফুঁ দিতে পারছেন না মদ্যপ! চড় কষালেন পুলিশকর্মী, ভিডিও ঘিরে বিতর্ক