Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৯ আগস্ট ২০২৬
CESC

বিদ্যুতের বিল বিভ্রাটে জেরবার টলিউড, অঙ্কুশ-যশের পর মাথায় হাত কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের

পরিচালকের কত টাকা বিল এসেছে জানেন?

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২০, ১২:৫৮

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জুলাই ১৮, ২০২০, ১২:৫৮

options
link
বিদ্যুতের বিল বিভ্রাটে জেরবার টলিউড, অঙ্কুশ-যশের পর মাথায় হাত কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: বিদ্যুতের বিল ছুঁলেই যেন শক লাগছে!  করোনা পরিস্থিতিতে কারোর মাসিক বিদ্যুতের বিল আসছে ১৫ হাজার টাকা, তো কারোর আসছে ২০ হাজার টাকা। আর তা নিয়ে প্রতিবাদ-বিক্ষোভ চলছেই। রেহাই পাচ্ছেন না সেলিব্রেটিরাও। এবার CESC’র বিল বিভ্রাটের জেরে বেকায়দায় পড়েছেন টলিউডের পরিচালক-অভিনেতা কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। তিনি নিজেই সেই বিলের ছবি টুইট করেছেন। 

মাস পড়লেই মেটাতে হবে বিদ্যুতের বিল। তাই মধ্যবিত্তের হিসেবের খাতায় লেখায় থাকে আগের মাসে কত খরচ হয়েছিল। আর এ মাসে কত হতে পারে। কিন্তু লকডাউন আর করোনা কালে সেই হিসেব যেন মিলতেই চাইছে না। লাগাম ছাড়া বিল ধরাচ্ছে সিইএসসি। সেই বিল বিভ্রাট নিয়ে সরব হয়েছে টলিউডও। এবার টুইট করে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়েছেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়।

Advertisement

[আরও পড়ুন : শুটিংয়ের ফাঁকে পড়াশোনা করেও উচ্চ মাধ্যমিকে দারুণ রেজাল্ট ‘রানি রাসমণি’ দিতিপ্রিয়ার]

নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে টলিউডের পরিচালক তথা অভিনেতা লিখেছেন, “আমরা তিনজন। অত্যন্ত সাধারণ জীবনযাপন আমাদের। বিশেষ করে এরম অনিশ্চিত সময়ে আরো খরচ সামলে চলেছি সবাই। খুব গরম দুপুর একটি ও রাতে শোবার সময় দুটি AC চলে। কোনোদিন একসঙ্গে তিনটি AC চলেনা আমাদের বাড়িতে। সবই LED আলো! তাও বারবার এরম বিল! বিকল্প নেই! অসহায়!আগের বিল ছিল ১৬ হাজার!” সঙ্গে ১৯,৯০০ টাকার বিলের ছবিটিও পোস্ট করেছেন তিনি। এর আগে এই বিল বিভ্রাটে জেরবার হয়েছে অঙ্কুশ হাজরা, যশ দাসগুপ্তরা। তাঁরাও সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজেদের ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন। 

যদিও গ্রাহকদের এ হেন অভিযোগের কথা মানতে চাইছে না বিদ্যুত সরবরাহকারী সংস্থা CESC। তাঁদেরর দাবি, করোনা সংক্রমণের জেরে মার্চ থেকে লকডাউন (Lockdown) জারি করা হয়। তার ফলে বেশ কয়েকমাস বন্ধ ছিল মিটার রিডিং নেওয়া। স্বাভাবিকভাবেই এপ্রিল ও মে মাসে অনুমানের ভিত্তিতে বাৎসরিক গড়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারের নিরিখে বিল পাঠানো হয়েছে। তবে তা বিদ্যুৎ ব্যবহারের তুলনায় অনেক কম। জুন থেকে ফের মিটার রিডিং শুরু হয়েছে। বাড়তি ইউনিট বিলে যুক্ত হয়েছে। তার উপর আবার গ্রীষ্মকালে বিদ্যুৎ খরচ হয় তুলনামূলক বেশি। তাই অতিরিক্ত বিল দেখে বিরক্ত হচ্ছেন গ্রাহকরা।

[আরও পড়ুন : কেমন আছেন ঐশ্বর্য ও কন্যা আরাধ্যা? আপডেট এল নানাবতী হাসপাতাল থেকে]

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.