BREAKING NEWS

২৮ আষাঢ়  ১৪২৭  বুধবার ১৫ জুলাই ২০২০ 

Advertisement

আমফান বিধ্বস্তদের পাশে রুদ্রনীল-চৈতি ঘোষালরা, অভুক্তদের মুখে তুলে দিলেন খাবার

Published by: Bishakha Pal |    Posted: May 26, 2020 1:07 pm|    Updated: May 26, 2020 4:57 pm

An Images

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আমফানে বিধ্বস্ত প্রায় গোটা দক্ষিণবঙ্গ। বিশেষত কলকাতা আর দুই ২৪ পরগণার পরিস্থিতি বেশ খারাপ। জল নেই, বিদ্যুৎ নেই। বহু বাড়ির ছাদ উড়ে গিয়েছে ঝড়ে। ভেসে গিয়েছে বসত ভিটে। খাবার নেই। এমন মানুষের সংখ্যা গুনে শেষ করা যাবে না। আমফান বিধ্বস্ত এইসব মানুষের পাশেই এবার দাঁড়ালেন টলিউড সেলেবরা। রুদ্রনীল ঘোষ, চৈতি ঘোষাল ও তাঁর পুত্র অমর্ত্য। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় খাদ্য ও প্রয়োজনীয় সামগ্রী বন্টন করলেন তাঁরা।

বুধবার সন্ধ্যা থেকে দক্ষিণবঙ্গে তাণ্ডব দেখাতে শুরু করে সুপার সাইক্লোন আমফান। পরিস্থিতি যে ভয়াবহ আকার ধারণ করতে পারে, তার আশঙ্কা ছিল আগেই। তাই উপকবল অঞ্চলে আগে থেকেই উপস্থিত ছিলেন জাতীয় বিপর্যয় মোকাবিলা দপ্তরের কর্মীরা। প্রয়োজনমতো সব ব্যবস্থাই করেছিল প্রশাসন। গোটা পরিস্থিতিতে নজর রাখতে কন্ট্রোল রুমে উপস্থিত ছিল খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু আমফান যে আশঙ্কাকেও ছাপিয়ে যাবে, তা বুঝতে পারেনি বঙ্গবাসী। জায়গায় জায়গায় উপড়ে গিয়েছে গাছ। যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন। নেই পর্যন্ত পানীয় জল। কলকাতাকে দেখে চেনার উপায় নেই এই সেই কল্লোলিনী তিলোত্তমা। দুই ২৪ পরগনার অবস্থা তো আরও খারাপ। ঝড়ে উড়ে গিয়েছে একাধিক মানুষের বাড়ির ছাদ। নদী ভাসিয়ে নিয়ে গিয়েছে বাড়ি। ঠাঁই নেই বহু মানুষের।

রুদ্রনীল তাঁর ফেসবুক প্রোফাইলে জানিয়েছেন, টালিগঞ্জ ও গল্ফগ্রিন এলাকার আশপাশের বস্তিগুলোতে প্রায় দু’হাজার মানুষকে খাবার পৌঁছে দিয়েছেন তিনি ও তাঁর বন্ধুরা। মার্চ মাসে লকডাউন শুরু হওয়ার পর থেকে তাঁদের হাতে কাজ নেই। এঁরা কেউ পরিচারক, কেউ ভ্যানচালক, কেউ আবার ফেরিওয়ালা। আমফানের কারণে তাদের সর্বস্ব গিয়েছে। খাওয়া জুটছে না বাচ্চাদেরও। তাই এই সব মানুষদের সাহায্য করতে এগিয়ে এসেছেন তাঁরা। আরও বেশি সংখ্যক মানুষকে সাহায্য করতে সাধারণ মানুষকে এগিয়ে আসার আবাদন করেেন রুদ্রনীল।

একইভাবে চৈতি ঘোষাল ও তাঁর ছেলে অমর্ত্যও এই সব দিন আনে দিন খায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। গত দু’দিন ধরে গড়িয়াহাট ফ্লাইওভার, দেশপ্রিয় পার্ক, সাদার্ন অ্যাভিনিউ, টালিগঞ্জ থানা ও রাসবিহারী এলাকার ১০০ জনেরও বেশি মানুষের মুখে অন্ন জোগাচ্ছেন তাঁরা। রান্না করা খাবার এই সব মানুষের মুখে তুলে দিচ্ছেন মা ও ছেলে। নিজেদের ব্যক্তিগত উদ্যোগেই এই কাজ তাঁরা শুরু করেছেন। তবে আগামী দিনেও এই উদ্যোগকে এগিয়ে নিয়ে যেতে অর্থসাহায্য প্রয়োজন বলে জানিয়েছেন তাঁরা। তাই সাধ্যমতো সাধারণ মানুষকে পাশে দাঁড়ানোর আবেদন জানিয়েছেন তাঁরা।

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement

Advertisement