ছাব্বিশের বিধানসভায় স্বভূম শিবপুরের ঘাসফুলের বাগানে পদ্ম ফুটিয়ে ভোটের ময়দানে প্রথমবার জয় পেয়েছেন রুদ্রনীল ঘোষ (Rudranil Ghosh)। রাজ্যে পালাবদলের আবহে টলিপাড়াতেও পরিবর্তনের ঝড়। এমন আবহে বন্ধু রুদ্রনীল ঘোষকে পাশে নিয়ে টলিউডে ‘আবার হাওয়া বদল’ করতে চলেছেন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় (Parambrata Chatterjee)।

আরও পড়ুন:
খানিক খোলসা করে বললে, পালাবদলের আবহে এবার তেরো বছর বাদে মুক্তি পাচ্ছে ‘হাওয়া বদল’-এর সিক্যুয়েল। যে ছবিতে রুদ্র-পরম জুটির পেটে খিল ধরানো সমীকরণে মুগ্ধ হয়েছিল দর্শক। ‘আমার একটা বন্ধু আছে’– একথা বলা যেমন শক্ত, প্রকৃত বন্ধু হয়ে ওঠাও তেমন সহজ নয়। ‘আবার হাওয়া বদল’ (Abar Hawa Bodol) ছবির ঝলক শুরুই হচ্ছে পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের এহেন সংলাপ দিয়ে। ১৩ বছর পর ফিরছে আইকনিক ত্রিমূর্তি রুদ্রনীল ঘোষ, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায় ও রাইমা সেন। সঙ্গে অনুষা বিশ্বনাথন। এই জুনেই আসছে ‘আবার হাওয়া বদল’।
“রিলিজ করতে দেওয়া হচ্ছিল না। আবার ওই টলিউডিয় অভিঘাত, ২০২৩ থেকে সিনেমাটা রেডি। গত ডিসেম্বরেই মুক্তির প্ল্যান হয়েছিল। কিন্তু রিলিজ করতে দেওয়া হচ্ছিল না। তারপর ঠিক হচ্ছিল নির্বাচনের পরে যদি রিলিজ করা যায়। নাটকীয় হাওয়া বদল হয়ে যাওয়া এবং…”
বিগত বছরগুলোয় টলিউডে বদলে গিয়েছে অনেক কিছুই। এর আগেও একাধিক ছবিতে একসঙ্গে কাজ করেছেন রুদ্রনীল ঘোষ ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়। সম্প্রতি রাজ্য রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেছে। সেই প্রেক্ষিতে আসন্ন ছবিটি ঘিরে দর্শকের মধ্যে দারুণ আগ্রহ। এই সময় যে ‘আবার হাওয়া বদল’ রিলিজ করবে সেটা কি ঠিক ছিল? ফোনে যোগাযোগ করা হলে অভিনেতা তথা সদ্য জয়ী বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ বলছেন, “দুটো মিলে গেছে আর কি! কারণ, রিলিজ করতে দেওয়া হচ্ছিল না। আবার ওই টলিউডিয় অভিঘাত, ২০২৩ থেকে সিনেমাটা রেডি। গত ডিসেম্বরেই মুক্তির প্ল্যান হয়েছিল। কিন্তু রিলিজ করতে দেওয়া হচ্ছিল না। তারপর ঠিক হচ্ছিল নির্বাচনের পরে যদি রিলিজ করা যায়। নাটকীয় হাওয়া বদল হয়ে যাওয়া এবং একদিকে পরম, একদিকে আমি– একটা খুব মজার পরিবেশ তৈরি হয়েছে (হাসি)। এইটুকু বলতে পারি, ছবির পার্ট ওয়ান দেখে মানুষের যতটা ভালো লেগেছিল, মানুষ তার থেকেও বেশি খুশি হবে।”

ঠিক ছিল, জুন মাসের মাঝামাঝি ছবিটি আসবে। দুই অভিনেতা দুই দলের, সেটা কি অসুবিধা সৃষ্টি করতে পারে? জিজ্ঞেস করতেই পরমব্রত বলছেন, “আমি তো কোনও দলের নই। এ কথা ঠিক, আমার রাজনৈতিক মতাদর্শ রুদ্র যে দলের এবং যাঁরা ২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে সরকার গড়তে চলেছেন তার থেকে আলাদা। আমার সঙ্গে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ব্যক্তিগত সম্পর্ক ছিল, সেটা সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অনেকের সঙ্গেই ছিল। আর তৃণমূলের ভুলগুলো বিষয়ে আমরা সবাই অবগত। পরিস্থিতির বিচারে ওরা ছিল মন্দের ভালো। এবারে দেখলাম রুদ্রনীল যে দলের, যেভাবে তারা জিতেছে, সেটার প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান আছে। বিগত দশ বছর ধরে প্রচণ্ড খেটেছেন তাঁরা। কিন্তু তাদের মতাদর্শের আমি বিরোধী। আমি তো সে অর্থে কোনও দলের নই। এতদিনের পরিচয় রুদ্রর সঙ্গে, আশা করি অসুবিধা হবে না। এতদিন তো হয়নি। ছবিটা ঠিক সময়ে মুক্তি পাচ্ছে। ওকে অভিনন্দন জানিয়েছি। মনে হয়, এই সময়ে মুক্তি পেলে ভালোই হবে।”
আরও পড়ুন:
সর্বশেষ খবর
-
সোশাল মিডিয়ায় আলাপ, ভিনরাজ্যে ‘ধর্ষণে’র শিকার বঙ্গকন্যা, প্রভাব খাটিয়ে জেলমুক্ত যুবক!
-
কঠিন সময়ে অলকাকে বিশেষ বার্তা শানু ও শানের, কী বললেন তাঁরা?
-
ভারতে ঢুকেছিল তিনটি পাকিস্তানি বিমান, এয়ার ইন্ডিয়া বিপত্তির এক সপ্তাহ আগে
-
সারান্ডায় তাড়া খেয়ে বাংলামুখী, ১৪ বছর পর ‘ঘরে’ই আশ্রয় নাকি আত্মসমর্পণ মাওবাদী আকাশের?
-
তারাতলার গুদাম নির্মাণে ‘কুখ্যাত’ আসগর, বিপর্যয়ের বহু আগেই বন্দর কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছিল বাম কর্মী ইউনিয়ন