Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২৩ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • রবিবার
  • ৭ জুন ২০২৬
Rudranil Ghosh

‘কোন বাঙালি বাড়িতে পুজোয় গোমাংস রান্না হয়? আমি তো জানি না!’ দেবলীনা কাণ্ডে রুদ্রনীল

প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে ছবি তুলে সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রোলড হওয়া নিয়েও মুখ খুললেন অভিনেতা।

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২১, ১৮:০৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৬, ২০২১, ১৮:০৭

options
link
‘কোন বাঙালি বাড়িতে পুজোয় গোমাংস রান্না হয়? আমি তো জানি না!’ দেবলীনা কাণ্ডে রুদ্রনীল zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: আধুনিকতা ও স্বাধীনতার মধ্যে যে তফাৎ রয়েছে তা অনেক সময় নড়বড়ে হয়ে যায়। গোমাংস বিতর্কে এমনই প্রতিক্রিয়া অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষের (Rudranil Ghosh)। অভিনেত্রী দেবলীনা দত্তর (Debolina Dutta) প্রসঙ্গ তুলে তিনি জানান, স্বাধীনতা মানে সচেতন হওয়া। যাতে একের বলা কথা অন্যের কষ্টের কারণ না হয়। নিজেকে আধুনিক প্রমাণ করতে গিয়ে অন্যের মনে দুঃখ দেওয়া উচিত নয়। দেবলীনার মন্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁকে যে গণধর্ষণ কিংবা খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। তা একেবারেই সমর্থন করেন না রুদ্রনীল। কিন্তু মেট্রো চ্যানেলে অতি উৎসাহী মানুষের উসকানিমূলক বক্তব্যকেও তিনি সমর্থন করেন না বলে জানান।

নিজে নিরামিষাশী হলেও প্রয়োজনে তিনি কারও বাড়ি অষ্টমী কিংবা নবমীর দিনে গিয়ে গোমাংস রান্না করে দিতে পারেন। এমন কথাই বলেছিলেন দেবলীনা। সেই প্রসঙ্গে রুদ্রনীল বলেন, “কোন বাঙালি বাড়িতে গোমাংস রান্না হয়েছে? আমি তো জানিনা!” এরপরই জানান, মাংস তো দূর অস্ত অষ্টমীর দিন বেশিরভাগ বাঙালি বাড়িতে মাছই হয় না। নিরামিষ খাওয়া হয়। তাই কথা বলার আগে সচেতন থাকা প্রয়োজন বলে মনে করেন টলিপাড়ার তারকা। আবারও সাধারণতন্ত্র দিবসের অবসরে স্বাধীনতার দায়িত্ববোধের কথা স্মরণ করান।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘এবার জবাব দাও দিলজিৎ-প্রিয়াঙ্কা’, কৃষকদের লালকেল্লা দখলের ছবি দিয়ে কটাক্ষ কঙ্গনার]

বেশ কিছুদিন ধরেই রুদ্রনীলের বিজেপিতে যোগদানের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। ইতিমধ্যেই শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে দেখা হয়েছে তাঁর। ভিক্টোরিয়ায় আবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (PM Narendra Modi) এবং পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল জগদীপ ধনকড়ের সঙ্গে ছবি পোস্ট করেন। এরপরই রুদ্রনীলের লেখা “সাতে পাঁচে থাকি না” কবিতার লাইন পালটে তাঁকে সোশ্যাল মিডিয়ায় বিদ্রুপ করা হয়। একটি কবিতা সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়েছে। যাঁর লেখক হিসেবে দেবাংশু ভট্টাচার্যর নাম উল্লেখ করা হয়েছে। আরেকটি কবিতার ভিডিও পোস্ট করেন পরিচালক অনিকেত চট্টোপাধ্যায় (Aniket Chattopadhyay)। সেখানে তিনি বলেন, “দাদা আমি সাতে পাঁচে থাকি না, তবে দুধ চাই, মধু চাই, লালবাতি গাড়ি চাই, তিন লাখি পদ চাই, সে সব তো ছাড়তেই পারি না! দাদা আমি সাতে পাঁচে থাকি না, তবে দেখেছি অনেক ভেবে কী কোথায় পাওয়া যাবে, সেই হিসেবের শেষে সে গোয়ালে কে কে যাবে? যদি লাভ থাকে সে হিসেবে, সে সুযোগ আমি কভু ছাড়ি না।” এই বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সংবাদ প্রতিদিনকে অভিনেতা ব্যঙ্গের সুরে বলেন, “আমার ওনার প্রতি শুভেচ্ছা রইল। সাম্প্রতিককালে বোধহয় ওনার হাতে কোনও ছবি নেই। উনি খুব গুণী মানুষ। লেখালেখি নিয়ে থাকুন। ওনার আমি আরোগ্য কামনা করতে পারি।” বিজেপিতে যোগ দেওয়ার কথা উঠতে আবার জানান, সমস্ত দিক ভেবেচিন্তেই সিদ্ধান্ত নেবেন।

[আরও পড়ুন: বিদ্যুৎ জমাওয়ালের বিপরীতে বলিউড ডেবিউ রুক্মিণীর, পোস্ট করলেন ছবির ফার্স্ট লুক]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.