Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ২০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩
  • বৃহস্পতিবার
  • ৪ জুন ২০২৬
Sahil Khan

আপাতত জেলেই থাকতে হবে, রায় শুনে কোর্ট থেকে বেরিয়েই চিৎকার সাহিল খানের! কী বললেন?

মহাদেব বেটিং কেলেঙ্কারিতে কত দিনের পুলিশি হেফাজতে ‘স্টাইল’ অভিনেতা?

Advertisement
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৪, ১৭:৪৭

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: এপ্রিল ২৮, ২০২৪, ১৭:৪৭

options
link
আপাতত জেলেই থাকতে হবে, রায় শুনে কোর্ট থেকে বেরিয়েই চিৎকার সাহিল খানের! কী বললেন? zoom

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: মহাদেব বেটিং অ্যাপ (Mahadev Betting App case) কেলেঙ্কারিতে গ্রেপ্তার হয়েছেন ‘স্টাইল’ খ্যাত অভিনেতা সাহিল খান (Sahil Khan)। জানা গিয়েছে, ছত্তিসগড় থেকে বলিউড অভিনেতা তথা সোশাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বই পুলিশের স্পেশাল ইনভেস্টিগেশন টিম (SIT)। রবিবার তাঁকে শিন্ডেওয়াড়ি-দাদর আদালতে পেশ করা হয়েছিল। সেখানেই আগামী পয়লা মে অবধি সাহিল খানকে পুলিশি হেফাজতে থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

আপাতত তিন রাত জেলেই কাটাতে হবে অভিনেতা সাহিলকে। আদালত থেকে বেরিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, “দেশের আইনব্যবস্থা এবং মুম্বই পুলিশের উপর আমার আস্থা রয়েছে। সত্যিটা সামনে আসবেই।” ‘স্টাইল’, ‘এক্সকিউজমি’র মতো সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের নজরে এসেছিলেন সাহিল। তবে বহুদিন ধরেই কোনও সিনেমায় দেখা যায়নি তাঁকে। কেবল সোশাল মিডিয়ায় সক্রিয় ছিলেন। শোনা যাচ্ছিল, খুব শীঘ্রই ‘স্টাইল’ ছবির রিমেকে দেখা যেতে পারে সাহিলকে। কিন্তু তার আগেই এই বিপত্তি। সূত্র থেকে পাওয়া খবর অনুযায়ী, মুম্বইয়ের মাতুঙ্গা থানায় অভিনেতা সাহিল খানের নামে এফআইআর দায়ের হয়। অভিযোগ, এই অনলাইন বেটিং অ্যাপের মাধ্যমে বিপুল অঙ্কের টাকা লাভ করেছেন অভিনেতা।

Advertisement

[আরও পড়ুন: ‘মুসলিম হয়েও বুঝেছি নমস্কারের কতটা শক্তি’, বলছেন ‘আদাবে’ অভ্যস্ত আমির খান]

গ্রেপ্তারির আশঙ্কায় বম্বে হাই কোর্টে আবেদন জানিয়েছিলেন সাহিল। কিন্তু তা খারিজ হয়ে যায়। তার পর থেকেই নাকি পলাতক ছিলেন তারকা। সূত্রের খবর অনুযায়ী, ছত্তিসগড়ের জগদলপুর থেকে সাহিলকে গ্রেপ্তার করা হয়। প্রসঙ্গত, মহাদেব বেটিং অ্যাপ কেলেঙ্কারি বেশ কয়েকদিন ধরেই তদন্ত চলছে। অ্যাপের দুই মাথা সৌরভ চন্দ্রকার ও রবি উপ্পল, দুজনেই এই কর্মকাণ্ড দুবাই থেকে চালাতেন বলে জানা গিয়েছিল। নতুন আইডি তৈরি করে এই অনলাইন বেটিং অ্যাপে যাঁরা রেজিস্ট্রার করতেন, তাঁদের টাকা এক বেনামি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে জমা পড়ত। মূল কাজটা চলত সংযুক্ত আরব আমিরশাহী থেকে। সব মিলিয়ে ৬ হাজার কোটি টাকার লেনদেনের কথা জানা গিয়েছে।

[আরও পড়ুন: পাকিস্তানি নায়িকা মাহিরার কাছে ক্ষমা চাইলেন অরিজিৎ সিং! দুবাইয়ের কনসার্টে কী ঘটল?]

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Advertisement

Share this article on

The article link is copied.