Advertisement
Advertisement
Advertisement
Sangbad Pratidin
  • ৪ ভাদ্র ১৪৩৩
  • শনিবার
  • ২২ আগস্ট ২০২৬
Saif Kareena

পতৌদিদের বড় সিদ্ধান্ত! জেহ-তৈমুরের নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন ‘রক্ষাকবচ’ সইফ-করিনার

সইফের উপর হামলার পর থেকেই দু চোখের পাতা এক করতে পারছেন না করিনা।

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৭:৪৩

link
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক
সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক

শেষ আপডেট: জানুয়ারি ২৯, ২০২৫, ১৭:৪৩

options
link
পতৌদিদের বড় সিদ্ধান্ত! জেহ-তৈমুরের নিরাপত্তা বাড়াতে নতুন ‘রক্ষাকবচ’ সইফ-করিনার zoom
Advertisement

সংবাদ প্রতিদিন ডিজিটাল ডেস্ক: সইফ আলি খানের উপর হামলার পর থেকেই পতৌদি পরিবারে উদ্বেগ বেড়েছে। বলিউডের তাবড় তারকার বাড়ির অন্দরমহলে ঢুকে এহেন হামলার ঘটনা নিঃসন্দেহে বিরল। উপরন্তু সইফকাণ্ডের পর থেকেই তারকাদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বিনোদুনিয়ায়। জানা গিয়েছিল, আততায়ী জেহ-তৈমুরের (Jeh, Taimur) ঘরেই প্রথম ঢুকেছিল। অভিনেতা সুস্থ হলেও স্বাভাবিকভাবেই সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তা বেড়েছে সইফ-করিনার (Saif Ali Khan, Kareena Kapoor)। সেই জন্যই এবার নতুন ‘রক্ষাকবচ’ পতৌদিদের বাড়িতে।

অভিযোগ উঠেছিল, জেহ, তৈমুরের ঘরের সিসি ক্যামেরাও নাকি কাজ করছিল না। এদিকে সইফ আলি খানের (Saif Ali Khan) উপর হামলার পর পতৌদিদের বান্দ্রার বাংলো সৎগুরু শরণের উপর পাপারাজ্জিদের নজরদারি আরও বেড়েছে। শুধু সইফ-করিনা নন, তাঁদের দুই সন্তান জেহ, তৈমুরারও বরাবরই ফটোশিকারিদের লেন্সের তাকে থাকে। দুষ্কৃতী হামলার পর তা আরও বেড়েছে। সেসবের জেরে তিতিবিরক্ত সইফ-করিনা এবার তাঁদের বাংলোর গোটা বারান্দাটাই ঘিরে দিলেন। এযাবৎকাল সেই বারান্দা খোলাই ছিল। তবে সইফের উপর হামলার পর থেকে আর কোনওরকম ঝুঁকি নিতে চান না তাঁরা। তাই অতিরিক্ত নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলোর সমস্ত বাংলোতে বসল তার জালি।

Advertisement

শুধু তাই নয়, ফটোশিকারিদের কাছেও নতুনভাবে আর্জি জানিয়েছেন তারকাদম্পতি। তাঁদের অনুরোধ, পাপারাজ্জিরা যেন এবার থেকে জেহ-তৈমুরের গতিবিধির উপর নজর না রাখেন। এতে বাচ্চাদের সম্পর্কে নানা খুঁটিনাটি তথ্য প্রকাশ্যে আসবে না।
বাংলোর বাইরেও যেন তাঁরা আর আগের মতো ভিড় না জমান, সেই অনুরোধও করেছেন সইফ-করিনা। অন্যদিকে, সইফকাণ্ডে অভিযুক্ত শরিফুল ইসলামের ১৪ দিন বিচার বিভাগীয় হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন বান্দ্রা আদালতের বিচারক। বিচারক জানিয়েছেন, ইতিমধ্যেই ১০ দিন পুলিশি হেফাজতে কাটিয়ে ফেলেছেন শরিফুল। মেয়াদ বৃদ্ধির কোনও প্রয়োজনীয়তা দেখা যাচ্ছে না।

Advertisement

নিয়মিত খবরে থাকতে ফলো করুন

Share this article on

The article link is copied.